মিসরীয়দের গাছের পাতা খেতে বললেন প্রেসিডেন্ট সিসি
jugantor
মিসরীয়দের গাছের পাতা খেতে বললেন প্রেসিডেন্ট সিসি

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৯ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যবৃদ্ধির ধকল পোহাচ্ছে মিসর। এ অবস্থায় জনগণকে শান্ত করতে গাছের পাতা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।

সম্প্রতি এক টুইট বার্তায় সিসি বলেন, এক কেজি ওকরার (ঢেঁড়স) দাম ১০০ মিসরীয় পাউন্ড (৪৭৩ টাকা) হলেও চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই, মিসরীয়রা গাছের পাতা খেয়ে বাঁচবে।

মার্চ মাসে দেশটিতে ছয় বছরের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো আইএমএফের কাছে ঋণের জন্য আবেদন করেছে। কারণ, দেশটির কর্তাদের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে করোনা মহামারি এবং রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব।

অর্থনৈতিক মন্দায় জর্জরিত মিসরের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ এখন দারিদ্র্যসীমার নিচে। তার ওপর জ্বালানি ও খাদ্যের হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি। সব মিলিয়ে দিশেহারা সাধারণ মানুষ।

ঠিক এমন সময়ই প্রেসিডেন্ট সিসির টুইটটি হাজির হয়েছে অনুসরণকারীদের সামনে। প্রেসিডেন্ট ওই টুইটে বলেছেন, ‘মিসরীয়রা জানে, নবি হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর সাহাবিরা তিন বছর ধরে মক্কার উপকণ্ঠে রাসূলের সঙ্গে আটকা পড়েছিলেন।

সাহাবিরা রাসূলের কাছে খাবার না চেয়ে নিজেরাই পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করেছিলেন। তাতে তো সাহাবিরা মাটিতে মিশে যায়নি।’ আল-সিসি বলেন, ‘মিসরীয়দের ধৈর্য ধরতে হবে এবং অবিলম্বে এ সমস্যা সমাধানের দাবি করবে না।’

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে মিসর সরকারের এমন মন্তব্য নতুন নয়। চলতি অর্থনৈতিক মন্দায় মিসরীয় নিরাপত্তা পরিষেবার একজন সদস্য মোহাম্মদ মনসুর বলেছেন, ‘ক্রমবর্ধমান মূল্য ও খাদ্য ঘাটতির বিষয়ে অভিযোগ করা অভদ্রতার শামিল।’

তিনি বলেছেন, ‘দেশের স্বার্থে মিসরীয়দের রাতের খাবার বলি দেওয়া উচিত’। বছরের পর বছর ধরে বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন মিসরের এই প্রেসিডেন্ট। ২০১৭ সালে সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কার খাদ্য ভর্তুকি কমানোর পর ফল ও সবজির দাম আকাশচুম্বী হয়েছিল।

মিসরীয়দের গাছের পাতা খেতে বললেন প্রেসিডেন্ট সিসি

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৯ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যবৃদ্ধির ধকল পোহাচ্ছে মিসর। এ অবস্থায় জনগণকে শান্ত করতে গাছের পাতা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।

সম্প্রতি এক টুইট বার্তায় সিসি বলেন, এক কেজি ওকরার (ঢেঁড়স) দাম ১০০ মিসরীয় পাউন্ড (৪৭৩ টাকা) হলেও চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই, মিসরীয়রা গাছের পাতা খেয়ে বাঁচবে।

মার্চ মাসে দেশটিতে ছয় বছরের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো আইএমএফের কাছে ঋণের জন্য আবেদন করেছে। কারণ, দেশটির কর্তাদের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে করোনা মহামারি এবং রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব।

অর্থনৈতিক মন্দায় জর্জরিত মিসরের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ এখন দারিদ্র্যসীমার নিচে। তার ওপর জ্বালানি ও খাদ্যের হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি। সব মিলিয়ে দিশেহারা সাধারণ মানুষ।

ঠিক এমন সময়ই প্রেসিডেন্ট সিসির টুইটটি হাজির হয়েছে অনুসরণকারীদের সামনে। প্রেসিডেন্ট ওই টুইটে বলেছেন, ‘মিসরীয়রা জানে, নবি হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর সাহাবিরা তিন বছর ধরে মক্কার উপকণ্ঠে রাসূলের সঙ্গে আটকা পড়েছিলেন।

সাহাবিরা রাসূলের কাছে খাবার না চেয়ে নিজেরাই পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করেছিলেন। তাতে তো সাহাবিরা মাটিতে মিশে যায়নি।’ আল-সিসি বলেন, ‘মিসরীয়দের ধৈর্য ধরতে হবে এবং অবিলম্বে এ সমস্যা সমাধানের দাবি করবে না।’

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে মিসর সরকারের এমন মন্তব্য নতুন নয়। চলতি অর্থনৈতিক মন্দায় মিসরীয় নিরাপত্তা পরিষেবার একজন সদস্য মোহাম্মদ মনসুর বলেছেন, ‘ক্রমবর্ধমান মূল্য ও খাদ্য ঘাটতির বিষয়ে অভিযোগ করা অভদ্রতার শামিল।’

তিনি বলেছেন, ‘দেশের স্বার্থে মিসরীয়দের রাতের খাবার বলি দেওয়া উচিত’। বছরের পর বছর ধরে বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন মিসরের এই প্রেসিডেন্ট। ২০১৭ সালে সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কার খাদ্য ভর্তুকি কমানোর পর ফল ও সবজির দাম আকাশচুম্বী হয়েছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন