হ্রদ শুকিয়ে মরুভূমি, মরে পড়ে আছে মাছ
jugantor
টানা ১৩ বছর খরা
হ্রদ শুকিয়ে মরুভূমি, মরে পড়ে আছে মাছ

  অনলাইন ডেস্ক  

১৬ জুন ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাত্র কুড়ি বছর আগেও পেনুলাস জলাধারটি ছিল মধ্য চিলির অধিবাসীদের পানির প্রধান উৎস। অলিম্পিক আকারের ৩৮ হাজার সুইমিং পুল ভরার জন্য যথেষ্ট ছিল যে জলাধার, সেখানে এখন হাঁটুসমান পানিও নেই। যা আছে তা দিয়ে ভর্তি করা যাবে মাত্র দুটি সুইমিং পুল।

হ্রদের প্রান্তজুড়ে ছড়িয়ে আছে মাছ আর জলজ প্রাণীদের কঙ্কাল। যারা অবশিষ্ট রয়েছে, প্রাণে বাঁচতে পানির সন্ধানে ছোটাছুটি করে আরও ক্লান্ত তারা। যতদূর চোখ যায়-দেখা যাবে শুধুই চৌচির মাটির শৈল্পিক ফাটল, পাথর, কিংবা মরা গাছের ডাল। এই দৈবদুর্বিপাক থেকে বাঁচতে ঈশ্বরের কাছে পানি ভিক্ষা চাইছে চিলি। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলঘেঁষা পেনুলাস জলাধারটির জন্য পানির উৎস ছিল আন্দিজ পর্বতমালার তুষারভান্ডার।

সে তুষারও এখন আর পানি হয় না! দ্রুত গলে গিয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সৃষ্ট খরার প্রভাব পুরোপুরিভাবেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে।পানির অভাবে শুধু প্রাণিসম্পদই তারা হারাচ্ছে না, একাধারে ব্যাহত হচ্ছে কৃষিজমির ফলন, আঘাত করেছে লিথিয়াম ও তামা উৎপাদক খনিশিল্পেও। পেনুলাস জলাধারের কাছে বাস করেন ৫৪ বছর বয়সি আমান্ডা ক্যারাসকো।

তিনি বলেন, ‘আমরা ঈশ্বরের কাছে পানি ভিক্ষা চাই।’ তিনি স্মরণ করে বলেন, ‘শুধু এই পেনুলাসই নয়, কয়েক দশক আগে নিকটস্থ শহর ভালপারাইসোর অধিবাসীদের জন্যও পানি সরবরাহ করা যেত এই জলাধার থেকেই।’ রয়টার্স

টানা ১৩ বছর খরা

হ্রদ শুকিয়ে মরুভূমি, মরে পড়ে আছে মাছ

 অনলাইন ডেস্ক 
১৬ জুন ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাত্র কুড়ি বছর আগেও পেনুলাস জলাধারটি ছিল মধ্য চিলির অধিবাসীদের পানির প্রধান উৎস। অলিম্পিক আকারের ৩৮ হাজার সুইমিং পুল ভরার জন্য যথেষ্ট ছিল যে জলাধার, সেখানে এখন হাঁটুসমান পানিও নেই। যা আছে তা দিয়ে ভর্তি করা যাবে মাত্র দুটি সুইমিং পুল।

হ্রদের প্রান্তজুড়ে ছড়িয়ে আছে মাছ আর জলজ প্রাণীদের কঙ্কাল। যারা অবশিষ্ট রয়েছে, প্রাণে বাঁচতে পানির সন্ধানে ছোটাছুটি করে আরও ক্লান্ত তারা। যতদূর চোখ যায়-দেখা যাবে শুধুই চৌচির মাটির শৈল্পিক ফাটল, পাথর, কিংবা মরা গাছের ডাল। এই দৈবদুর্বিপাক থেকে বাঁচতে ঈশ্বরের কাছে পানি ভিক্ষা চাইছে চিলি। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলঘেঁষা পেনুলাস জলাধারটির জন্য পানির উৎস ছিল আন্দিজ পর্বতমালার তুষারভান্ডার।

সে তুষারও এখন আর পানি হয় না! দ্রুত গলে গিয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সৃষ্ট খরার প্রভাব পুরোপুরিভাবেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে।পানির অভাবে শুধু প্রাণিসম্পদই তারা হারাচ্ছে না, একাধারে ব্যাহত হচ্ছে কৃষিজমির ফলন, আঘাত করেছে লিথিয়াম ও তামা উৎপাদক খনিশিল্পেও। পেনুলাস জলাধারের কাছে বাস করেন ৫৪ বছর বয়সি আমান্ডা ক্যারাসকো।

তিনি বলেন, ‘আমরা ঈশ্বরের কাছে পানি ভিক্ষা চাই।’ তিনি স্মরণ করে বলেন, ‘শুধু এই পেনুলাসই নয়, কয়েক দশক আগে নিকটস্থ শহর ভালপারাইসোর অধিবাসীদের জন্যও পানি সরবরাহ করা যেত এই জলাধার থেকেই।’ রয়টার্স

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন