নোবেলজয়ী সাংবাদিক রেসার অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম র‌্যাপলার বন্ধের নির্দেশ
jugantor
নোবেলজয়ী সাংবাদিক রেসার অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম র‌্যাপলার বন্ধের নির্দেশ

   

৩০ জুন ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফিলিপাইনের সরকার নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী সাংবাদিক মারিয়া রেসা প্রতিষ্ঠিত অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম র‌্যাপলার আবারও বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। দেশটিতে যে গুটিকয়েক সংবাদমাধ্যম প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তে সরকারের সমালোচনা করার সাহস দেখাতে পেরেছে, তাদের মধ্যে র‌্যাপলার অন্যতম। বিবিসি ও গার্ডিয়ান। র‌্যাপলার কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা তাদের অফিস বন্ধ করবে না, বরং সরকারের ওই নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতে যাবে। বছরচারেক আগেও একবার সংবাদমাধ্যমটি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল দেশটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা। দেশটির সাবেক স্বৈরশাসক ফের্দিনান্দ মার্কোসের ছেলে ও দুতের্তের মিত্র মার্কোস জুনিয়র মে মাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর দায়িত্ব গ্রহণের মুহূর্তে আবারও একই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

মারিয়া রেসা বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, আমরা কাজ চালিয়ে যাব। আমরা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করব ও অধিকারের জন্য লড়ে যাব। আমাদের অবস্থান আমরা ধরে রাখব। তিনি বলেন, যেভাবে ওই আদেশ দেওয়া হয়েছে, তাতে নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। তাদের সংবাদমাধ্যম আর রাষ্ট্রের ‘আইনের শাসনের’ ভরসা রাখতে পারছে না। ফিলিপাইনের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এক বিবৃতিতে বলেছে, র‌্যাপলার যেভাবে তহবিল সংগ্রহ করেছে, তা ‘অসাংবিধানিক’ বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আদালত। র‌্যাপলারের লাইসেন্স কেড়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত তাতে বহাল থাকছে। ২০১৮ সালে প্রথম র‌্যাপলারের লাইসেন্স অবৈধ ঘোষণা করে আদেশ জারি হয়েছিল। কারণ হিসাবে বলা হয়েছিল, একটি বিদেশি স্বত্বার কাছে নিজেদের স্বত্ব বিক্রি করেছে সংবাদমাধ্যমটি, এতে গণমাধ্যমে বিদেশি মালিকানার বিধিনিষেধ লঙ্ঘন হয়েছে।

নোবেলজয়ী সাংবাদিক রেসার অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম র‌্যাপলার বন্ধের নির্দেশ

  
৩০ জুন ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফিলিপাইনের সরকার নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী সাংবাদিক মারিয়া রেসা প্রতিষ্ঠিত অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম র‌্যাপলার আবারও বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। দেশটিতে যে গুটিকয়েক সংবাদমাধ্যম প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তে সরকারের সমালোচনা করার সাহস দেখাতে পেরেছে, তাদের মধ্যে র‌্যাপলার অন্যতম। বিবিসি ও গার্ডিয়ান। র‌্যাপলার কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা তাদের অফিস বন্ধ করবে না, বরং সরকারের ওই নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতে যাবে। বছরচারেক আগেও একবার সংবাদমাধ্যমটি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল দেশটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা। দেশটির সাবেক স্বৈরশাসক ফের্দিনান্দ মার্কোসের ছেলে ও দুতের্তের মিত্র মার্কোস জুনিয়র মে মাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর দায়িত্ব গ্রহণের মুহূর্তে আবারও একই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

মারিয়া রেসা বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, আমরা কাজ চালিয়ে যাব। আমরা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করব ও অধিকারের জন্য লড়ে যাব। আমাদের অবস্থান আমরা ধরে রাখব। তিনি বলেন, যেভাবে ওই আদেশ দেওয়া হয়েছে, তাতে নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। তাদের সংবাদমাধ্যম আর রাষ্ট্রের ‘আইনের শাসনের’ ভরসা রাখতে পারছে না। ফিলিপাইনের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এক বিবৃতিতে বলেছে, র‌্যাপলার যেভাবে তহবিল সংগ্রহ করেছে, তা ‘অসাংবিধানিক’ বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আদালত। র‌্যাপলারের লাইসেন্স কেড়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত তাতে বহাল থাকছে। ২০১৮ সালে প্রথম র‌্যাপলারের লাইসেন্স অবৈধ ঘোষণা করে আদেশ জারি হয়েছিল। কারণ হিসাবে বলা হয়েছিল, একটি বিদেশি স্বত্বার কাছে নিজেদের স্বত্ব বিক্রি করেছে সংবাদমাধ্যমটি, এতে গণমাধ্যমে বিদেশি মালিকানার বিধিনিষেধ লঙ্ঘন হয়েছে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন