শ্রীলংকায় ভিড়ছে চীনের জাহাজ
jugantor
শ্রীলংকায় ভিড়ছে চীনের জাহাজ
গভীর উদ্বেগে দিল্লি

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৬ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘বড়ভাই’ ভারতের আপত্তি সত্ত্বেও শ্রীলংকার হাম্বানটোটা সমুদ্রবন্দরে ভিড়ছে চীনের একটি উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন গবেষণা জাহাজা। শনিবারই শ্রীলংকার সরকার জাহাজটিকে অনুমোদন দেওয়ার কথা জানিয়েছে। আগামী ২২ আগস্ট পর্যন্ত এটি শ্রীলংকায় থাকবে। জাহাজটি নিয়ে প্রথম থেকেই উদ্বেগ জানিয়ে আসছে প্রতিবেশী ভারত। দেশটির সীমানা থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরেই অবস্থান করবে চীনা জাহাজটি। এএফপি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, ‘ইয়ুয়ান ওয়াং-৫’ নামের জাহাজটি মূলত চীনের একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং জাহাজ। বৃহস্পতিবার শ্রীলংকায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারতের উদ্বেগ দেখানোয় চীন সরকারের কাছে এখনই জাহাজ না পাঠানোর অনুরোধ করে শ্রীলংকা। ফলে সেটি স্থগিত হয়ে যায়। কিন্তু শনিবার শ্রীলংকা সরকার জানিয়েছে, ১৬ আগস্ট চীনা জাহাজটিকে হাম্বানটোটায় থামার অনুমতি দিয়েছে শ্রীলংকা সরকার। এ নিয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বের সব দেশের বৈধ স্বার্থ রক্ষা করতে আগ্রহী শ্রীলংকা। আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে থেকে এ দায়িত্ব পালন করতে চায় তারা। এতে আরও বলা হয়, ২৮ জুন চীন প্রথম ‘ইয়ুয়ান ওয়াং-৫’ জাহাজটির শ্রীলংকায় থামার কথা জানায়। তখন ১১ আগস্ট এসে ১৭ আগস্ট চলে যাওয়ার কথা ছিল। শ্রীলংকার জলসীমায় কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালানো হবে না বলেও শর্ত দেওয়া হয় জাহাজটিকে। তারপরেও ভারতের উদ্বেগের কারণে ৫ আগস্ট জাহাজটির আসা স্থগিত করতে চীনকে অনুরোধ জানায় শ্রীলংকা। এরপর শ্রীলংকা সরকার উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক চ্যানেলে উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে। বিষয়টি বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বিশ্বস্ততা মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করে। এরপর ১২ আগস্ট চীন দূতাবাস ১৬ আগস্ট থেকে ২২ আগস্ট জাহাজটি হাম্বানটোটায় থাকার অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। তখন সবদিক বিবেচনা করে এর অনুমতি দেয় শ্রীলংকা। এসময় জাহাজটি হাম্বানটোটা থেকে ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল। এই বন্দরটি কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত। মূলত চীনের ঋণ নিয়েই এটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ভারত আশঙ্কা করছে, এই বন্দরে আসার পথে চীনা জাহাজ ভারতের বিভিন্ন স্থাপনা সম্পর্কে ধারনা পেয়ে যাবে। ভারত জানিয়েছে, তারা তাদের নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ নিশ্চিতে সচেষ্ট রয়েছে।

শ্রীলংকায় ভিড়ছে চীনের জাহাজ

গভীর উদ্বেগে দিল্লি
 যুগান্তর ডেস্ক 
১৬ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘বড়ভাই’ ভারতের আপত্তি সত্ত্বেও শ্রীলংকার হাম্বানটোটা সমুদ্রবন্দরে ভিড়ছে চীনের একটি উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন গবেষণা জাহাজা। শনিবারই শ্রীলংকার সরকার জাহাজটিকে অনুমোদন দেওয়ার কথা জানিয়েছে। আগামী ২২ আগস্ট পর্যন্ত এটি শ্রীলংকায় থাকবে। জাহাজটি নিয়ে প্রথম থেকেই উদ্বেগ জানিয়ে আসছে প্রতিবেশী ভারত। দেশটির সীমানা থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরেই অবস্থান করবে চীনা জাহাজটি। এএফপি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, ‘ইয়ুয়ান ওয়াং-৫’ নামের জাহাজটি মূলত চীনের একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং জাহাজ। বৃহস্পতিবার শ্রীলংকায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারতের উদ্বেগ দেখানোয় চীন সরকারের কাছে এখনই জাহাজ না পাঠানোর অনুরোধ করে শ্রীলংকা। ফলে সেটি স্থগিত হয়ে যায়। কিন্তু শনিবার শ্রীলংকা সরকার জানিয়েছে, ১৬ আগস্ট চীনা জাহাজটিকে হাম্বানটোটায় থামার অনুমতি দিয়েছে শ্রীলংকা সরকার। এ নিয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বের সব দেশের বৈধ স্বার্থ রক্ষা করতে আগ্রহী শ্রীলংকা। আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে থেকে এ দায়িত্ব পালন করতে চায় তারা। এতে আরও বলা হয়, ২৮ জুন চীন প্রথম ‘ইয়ুয়ান ওয়াং-৫’ জাহাজটির শ্রীলংকায় থামার কথা জানায়। তখন ১১ আগস্ট এসে ১৭ আগস্ট চলে যাওয়ার কথা ছিল। শ্রীলংকার জলসীমায় কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালানো হবে না বলেও শর্ত দেওয়া হয় জাহাজটিকে। তারপরেও ভারতের উদ্বেগের কারণে ৫ আগস্ট জাহাজটির আসা স্থগিত করতে চীনকে অনুরোধ জানায় শ্রীলংকা। এরপর শ্রীলংকা সরকার উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক চ্যানেলে উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে। বিষয়টি বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বিশ্বস্ততা মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করে। এরপর ১২ আগস্ট চীন দূতাবাস ১৬ আগস্ট থেকে ২২ আগস্ট জাহাজটি হাম্বানটোটায় থাকার অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। তখন সবদিক বিবেচনা করে এর অনুমতি দেয় শ্রীলংকা। এসময় জাহাজটি হাম্বানটোটা থেকে ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল। এই বন্দরটি কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত। মূলত চীনের ঋণ নিয়েই এটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ভারত আশঙ্কা করছে, এই বন্দরে আসার পথে চীনা জাহাজ ভারতের বিভিন্ন স্থাপনা সম্পর্কে ধারনা পেয়ে যাবে। ভারত জানিয়েছে, তারা তাদের নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ নিশ্চিতে সচেষ্ট রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন