খরা মোকাবিলায় কৃত্রিম বৃষ্টিপাত চীনে
jugantor
খরা মোকাবিলায় কৃত্রিম বৃষ্টিপাত চীনে

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৯ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তীব্র খরার দাপটে রেকর্ড পরিমাণ নিচে নেমে গেছে এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইংয়াংজির পানির স্তর। চীনের কিছু অংশে বৃষ্টি হয়েছে স্বাভাবিকের তুলনায় অর্ধেকেরও কম। জলবিদ্যুতের জলাধার কমে গেছে অর্ধেকেরও বেশি। রেকর্ড ২ মাস ধরে তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে দেশটিতে। সঙ্গত কারণেই ঘাটতি দেখা দিয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহে। প্রকৃতির দাবদাহ থেকে রেহাই পেতে তাই কৃত্রিম বৃষ্টি ঝরানোর ব্যবস্থা নিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। বিবিসি।

তীব্র গরমে হাঁসফাঁস চৈনিক নাগরিক জীবন। কিন্তু পানির অভাবে বিদ্যুতের চাহিদা আর উৎপাদনে বিস্তর ফারাক থাকায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও ভোগ করতে পারছেন না ইংয়াংজি নদীর চারপাশের প্রদেশগুলোর নাগরিকরা। স্থানীয় মিডিয়া জানিয়েছে ভুক্তভোগীদের খরার উত্তাপ থেকে বাঁচাতে ‘ক্লাউড সিডিং অপারেশন’ পরিচালনা করবে-যার মাধ্যমে মেঘ থেকে বৃষ্টি ঝরে পড়বে। এরই মধ্যে হুবেই এবং অন্যান্য কয়েকটি প্রদেশের আকাশে রাসায়নিক বহনকারী রকেট পাঠানো হয়েছে। কিছু এলাকার আকাশে মেঘ কম থাকায় এই প্রচেষ্টা স্থগিত রাখা হয়েছে।

ক্লাউড সিডিংয়ের মাধ্যমে মূলত আকাশে বৃষ্টির জন্য উপযুক্ত না হওয়া মেঘের ওপর ড্রাই আইস বা সিলভার আয়োডাইডের মতো রাসায়নিক পদার্থ ছিটানো হয় বিমান বা রকেটের মাধ্যমে। এরপর মেঘ ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টি আকারে ঝরে পড়ে।

ইতোমধ্যে সিচুয়ান এবং প্রতিবেশী প্রদেশ জুড়ে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে। সিচুয়ান ডেইলি রয়টার্সের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য কিছু এলাকায় শ্রমিকদের লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কবলে ৫০ লাখ মানুষ : দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ৫০ লাখ মানুষ ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ছে। তাপপ্রবাহের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, সম্প্রতি সিচুয়ান প্রদেশজুড়ে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে, যার ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার চাহিদা বেড়েছে। এ অঞ্চলটিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বাঁধের ওপর খুব বেশি নির্ভর করতে হয়। তাপের কারণে জলাধারগুলো শুকিয়ে গেছে। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা গেছে। জাপানি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটাসহ সিচুয়ানের বহু শিল্পকারখানা কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। কারণ সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা বাণিজ্যিক কার্যক্রমের চেয়ে আবাসিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেবে।

খরা মোকাবিলায় কৃত্রিম বৃষ্টিপাত চীনে

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৯ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তীব্র খরার দাপটে রেকর্ড পরিমাণ নিচে নেমে গেছে এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইংয়াংজির পানির স্তর। চীনের কিছু অংশে বৃষ্টি হয়েছে স্বাভাবিকের তুলনায় অর্ধেকেরও কম। জলবিদ্যুতের জলাধার কমে গেছে অর্ধেকেরও বেশি। রেকর্ড ২ মাস ধরে তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে দেশটিতে। সঙ্গত কারণেই ঘাটতি দেখা দিয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহে। প্রকৃতির দাবদাহ থেকে রেহাই পেতে তাই কৃত্রিম বৃষ্টি ঝরানোর ব্যবস্থা নিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। বিবিসি।

তীব্র গরমে হাঁসফাঁস চৈনিক নাগরিক জীবন। কিন্তু পানির অভাবে বিদ্যুতের চাহিদা আর উৎপাদনে বিস্তর ফারাক থাকায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও ভোগ করতে পারছেন না ইংয়াংজি নদীর চারপাশের প্রদেশগুলোর নাগরিকরা। স্থানীয় মিডিয়া জানিয়েছে ভুক্তভোগীদের খরার উত্তাপ থেকে বাঁচাতে ‘ক্লাউড সিডিং অপারেশন’ পরিচালনা করবে-যার মাধ্যমে মেঘ থেকে বৃষ্টি ঝরে পড়বে। এরই মধ্যে হুবেই এবং অন্যান্য কয়েকটি প্রদেশের আকাশে রাসায়নিক বহনকারী রকেট পাঠানো হয়েছে। কিছু এলাকার আকাশে মেঘ কম থাকায় এই প্রচেষ্টা স্থগিত রাখা হয়েছে।

ক্লাউড সিডিংয়ের মাধ্যমে মূলত আকাশে বৃষ্টির জন্য উপযুক্ত না হওয়া মেঘের ওপর ড্রাই আইস বা সিলভার আয়োডাইডের মতো রাসায়নিক পদার্থ ছিটানো হয় বিমান বা রকেটের মাধ্যমে। এরপর মেঘ ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টি আকারে ঝরে পড়ে।

ইতোমধ্যে সিচুয়ান এবং প্রতিবেশী প্রদেশ জুড়ে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে। সিচুয়ান ডেইলি রয়টার্সের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য কিছু এলাকায় শ্রমিকদের লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কবলে ৫০ লাখ মানুষ : দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ৫০ লাখ মানুষ ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ছে। তাপপ্রবাহের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, সম্প্রতি সিচুয়ান প্রদেশজুড়ে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে, যার ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার চাহিদা বেড়েছে। এ অঞ্চলটিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বাঁধের ওপর খুব বেশি নির্ভর করতে হয়। তাপের কারণে জলাধারগুলো শুকিয়ে গেছে। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা গেছে। জাপানি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটাসহ সিচুয়ানের বহু শিল্পকারখানা কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। কারণ সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা বাণিজ্যিক কার্যক্রমের চেয়ে আবাসিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন