শুকিয়ে যাচ্ছে ভূগর্ভ, পানি কমছে গঙ্গার
jugantor
শুকিয়ে যাচ্ছে ভূগর্ভ, পানি কমছে গঙ্গার
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার প্রতিবেদন

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গত দুদশকে গঙ্গায় মোট জলের পরিমাণ কমেছে। শুধু গঙ্গা নয়, উল্লেখযোগ্যভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে নদী পার্শ্বস্থ অববাহিকা অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ জলও। মঙ্গলবার এই প্রথম এমন সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ কারল জাতিসংঘের শাখা সংগঠন বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। পরিস্থিতি সামলাতে কী কী করণীয় সে ব্যাপারে পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, গত বছর বিশ্বের সব অঞ্চলেই চরম খরা চোখে পড়েছে। মিঠা পানির সংকটে পড়েছে কোটি কোটি মানুষ। প্রায় ৩.৬ বিলিয়ন মানুষ প্রতি বছর অন্তত এক মাস মিঠা পানির অভাবে পড়ে। ২০৫০ সালের মধ্যে এ সংখ্যা ছাড়িয়ে হবে পাঁচ বিলিয়নের বেশি। এএফপি, আনন্দবাজার পত্রিকা। ডব্লিউএমও তাদের ‘স্টেট অব গ্লোবাল ওয়াটার রিসোর্স-২০২১’ শীর্ষক রিপোর্টে জানিয়েছে, ২০০২ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ব্যাপক হারে কমেছে গঙ্গা নদীর পানির পরিমাণ। কমেছে গঙ্গার অববাহিকা অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ জলের পরিমাণও। শুধু গঙ্গা নয়, একই ধরন দেখা গিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার পাটাগনিয়ার সাও ফ্রানসিসকো নদী, সিন্ধু নদ এবং দক্ষিণ-পশ্চিম আমেরিকার বিস্তীর্ণ নদী অববাহিকা অঞ্চলে। তবে এর উলটো চিত্র দেখা গেছে নাইজার নদী অববাহিকা এবং উত্তর আমাজন নদী অববাহিকায়। সেখানে ভূগর্ভস্থ জলের পরিমাণ বেড়েছে। ডব্লিউএমওর ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তন পৃথিবীর উপরি ভাগের ব্যবহারযোগ্য জলের উৎসগুলোকে প্রভাবিত করছে। বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে হিমবাহের বরফ গলে নদীতে জলের পরিমাণ বাড়াচ্ছে ঠিকই, কিন্তু একটা সময়ের পর তা হ্রাস পেতে শুরু করে। হিমবাহ গলনের প্রভাব এখনই টের পাওয়া যাচ্ছে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের ইন্দু নদীর অববাহিকা এবং গঙ্গা নদীর অববাহিকা অঞ্চলগুলোতে। হিমবাহের বরফ ক্রমাগত কমতে থাকায় একটা সময়ের পর সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে উত্তরাখন্ডের মতো এলাকা। মাটিতে কত পরিমাণ জল সঞ্চিত রয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করেই এই রিপোর্টটি তৈরি করেছে ডব্লিউএমও।

শুকিয়ে যাচ্ছে ভূগর্ভ, পানি কমছে গঙ্গার

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার প্রতিবেদন
 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গত দুদশকে গঙ্গায় মোট জলের পরিমাণ কমেছে। শুধু গঙ্গা নয়, উল্লেখযোগ্যভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে নদী পার্শ্বস্থ অববাহিকা অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ জলও। মঙ্গলবার এই প্রথম এমন সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ কারল জাতিসংঘের শাখা সংগঠন বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। পরিস্থিতি সামলাতে কী কী করণীয় সে ব্যাপারে পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, গত বছর বিশ্বের সব অঞ্চলেই চরম খরা চোখে পড়েছে। মিঠা পানির সংকটে পড়েছে কোটি কোটি মানুষ। প্রায় ৩.৬ বিলিয়ন মানুষ প্রতি বছর অন্তত এক মাস মিঠা পানির অভাবে পড়ে। ২০৫০ সালের মধ্যে এ সংখ্যা ছাড়িয়ে হবে পাঁচ বিলিয়নের বেশি। এএফপি, আনন্দবাজার পত্রিকা। ডব্লিউএমও তাদের ‘স্টেট অব গ্লোবাল ওয়াটার রিসোর্স-২০২১’ শীর্ষক রিপোর্টে জানিয়েছে, ২০০২ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ব্যাপক হারে কমেছে গঙ্গা নদীর পানির পরিমাণ। কমেছে গঙ্গার অববাহিকা অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ জলের পরিমাণও। শুধু গঙ্গা নয়, একই ধরন দেখা গিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার পাটাগনিয়ার সাও ফ্রানসিসকো নদী, সিন্ধু নদ এবং দক্ষিণ-পশ্চিম আমেরিকার বিস্তীর্ণ নদী অববাহিকা অঞ্চলে। তবে এর উলটো চিত্র দেখা গেছে নাইজার নদী অববাহিকা এবং উত্তর আমাজন নদী অববাহিকায়। সেখানে ভূগর্ভস্থ জলের পরিমাণ বেড়েছে। ডব্লিউএমওর ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তন পৃথিবীর উপরি ভাগের ব্যবহারযোগ্য জলের উৎসগুলোকে প্রভাবিত করছে। বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে হিমবাহের বরফ গলে নদীতে জলের পরিমাণ বাড়াচ্ছে ঠিকই, কিন্তু একটা সময়ের পর তা হ্রাস পেতে শুরু করে। হিমবাহ গলনের প্রভাব এখনই টের পাওয়া যাচ্ছে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের ইন্দু নদীর অববাহিকা এবং গঙ্গা নদীর অববাহিকা অঞ্চলগুলোতে। হিমবাহের বরফ ক্রমাগত কমতে থাকায় একটা সময়ের পর সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে উত্তরাখন্ডের মতো এলাকা। মাটিতে কত পরিমাণ জল সঞ্চিত রয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করেই এই রিপোর্টটি তৈরি করেছে ডব্লিউএমও।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন