টাকা ফেরত পেতে ব্যাংকে ৯০ বছরের নারীর ধর্মঘট
jugantor
টাকা ফেরত পেতে ব্যাংকে ৯০ বছরের নারীর ধর্মঘট

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আর্থিক সংকটে জর্জরিত লেবাননের ব্যাংকগুলো থেকে আমানত ফেরত পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। গত কয়েক মাসে গ্রাহকরা রীতিমতো হামলা, জিম্মি করে নিজেদের টাকা ফেরত নিয়েছেন। মঙ্গলবার এক বৃদ্ধা প্রতিবন্ধী টাকা ফেরত পেতে ব্যাংকের ভেতরেই অবস্থান করতে শুরু করেছেন। আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ৯০ বছর বয়সি ইদ্রো খিদার নামে ওই নারী এদিন ছেলেকে নিয়ে রাজধানী বৈরুতে অডি ব্যাংকের একটি শাখায় যান। ব্যাংকে জমা থাকা নিজের ২০ হাজার ডলার উঠাতে চাইলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে ওই নারী ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যাংকেই বসে থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

প্রতিবন্ধী ওই নারীর ছেলে হুসেইন খিদার বলেন, ‘আমরা ব্যাংকে বসে আছি এবং আমরা আমাদের আমানত ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত এ স্থান ছাড়ব না।’ তিনি আরও বলেন, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ওষুধসহ অন্যান্য চিকিৎসার জন্য প্রতি মাসে আমার এক হাজার ডলার দরকার। আমাদের পরিবারের পক্ষে তা আর বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। আমার মা পাঁচ বছর ধরে অসুস্থ। তারপরও আমরা এ টাকা তুলিনি। কিন্তু এখন এই খরচ সামলানো আর সম্ভব হচ্ছে না। বাবার ওপেন হার্ট সার্জারির প্রয়োজন ছিল।

ব্যাংক টাকা না দেওয়ায় আমরা ওষুধের মাধ্যমে সে রোগ দমানোর চেষ্টা করছি। খিদার বলেন, আমার মা তিল তিল করে এই টাকা জমা করেছেন। এখন প্রয়োজনের সময় এসেছে, অথচ ব্যাংক সেই টাকা ফেরত দিচ্ছে না। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আমাকে জানিয়েছে, তারা রেজুলেশন ১৫৮ অনুযায়ী ডিপোজিট রিলিজ করবেন। যার মানে তারা আমাদের চার হাজার ডলার দেবে। ব্যাংক ম্যানেজার জানিয়েছেন, তিনি আমাদের অতিরিক্ত দুই হাজার ডলার উপহার দেবেন।

টাকা ফেরত পেতে ব্যাংকে ৯০ বছরের নারীর ধর্মঘট

 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আর্থিক সংকটে জর্জরিত লেবাননের ব্যাংকগুলো থেকে আমানত ফেরত পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। গত কয়েক মাসে গ্রাহকরা রীতিমতো হামলা, জিম্মি করে নিজেদের টাকা ফেরত নিয়েছেন। মঙ্গলবার এক বৃদ্ধা প্রতিবন্ধী টাকা ফেরত পেতে ব্যাংকের ভেতরেই অবস্থান করতে শুরু করেছেন। আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ৯০ বছর বয়সি ইদ্রো খিদার নামে ওই নারী এদিন ছেলেকে নিয়ে রাজধানী বৈরুতে অডি ব্যাংকের একটি শাখায় যান। ব্যাংকে জমা থাকা নিজের ২০ হাজার ডলার উঠাতে চাইলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে ওই নারী ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যাংকেই বসে থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

প্রতিবন্ধী ওই নারীর ছেলে হুসেইন খিদার বলেন, ‘আমরা ব্যাংকে বসে আছি এবং আমরা আমাদের আমানত ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত এ স্থান ছাড়ব না।’ তিনি আরও বলেন, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ওষুধসহ অন্যান্য চিকিৎসার জন্য প্রতি মাসে আমার এক হাজার ডলার দরকার। আমাদের পরিবারের পক্ষে তা আর বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। আমার মা পাঁচ বছর ধরে অসুস্থ। তারপরও আমরা এ টাকা তুলিনি। কিন্তু এখন এই খরচ সামলানো আর সম্ভব হচ্ছে না। বাবার ওপেন হার্ট সার্জারির প্রয়োজন ছিল।

ব্যাংক টাকা না দেওয়ায় আমরা ওষুধের মাধ্যমে সে রোগ দমানোর চেষ্টা করছি। খিদার বলেন, আমার মা তিল তিল করে এই টাকা জমা করেছেন। এখন প্রয়োজনের সময় এসেছে, অথচ ব্যাংক সেই টাকা ফেরত দিচ্ছে না। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আমাকে জানিয়েছে, তারা রেজুলেশন ১৫৮ অনুযায়ী ডিপোজিট রিলিজ করবেন। যার মানে তারা আমাদের চার হাজার ডলার দেবে। ব্যাংক ম্যানেজার জানিয়েছেন, তিনি আমাদের অতিরিক্ত দুই হাজার ডলার উপহার দেবেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন