বন বাঁচাতে ৬৫০ বিজ্ঞানীর চিঠি
jugantor
বন বাঁচাতে ৬৫০ বিজ্ঞানীর চিঠি

   

০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাটিতে স্তরে স্তরে সাজানো সদ্য কাটা পাইন। এস্তেনিয়ার বৃহৎ বনাঞ্চল ‘বোরিয়াল ফরেস্ট’ উজাড় করে চলছে জ্বালানি সংগ্রহ। বন পরিণত হচ্ছে খোলা বিরান মাঠে। এ দৃশ্য বর্তমান পৃথিবীর সব দেশেই কম-বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে পশ্চিমের শীতপ্রধান দেশগুলোতে। উষ্ণতার খোঁজে উজাড় করছে হাজারও প্রাণীর আবাস্থল। পৃথিবী বাঁচাতে এবার এগিয়ে এসেছেন বিজ্ঞানীরা। বিশ্বনেতাদের কাছে সোমবার খোলা চিঠি লিখেছেন ৬৫০ জন বিজ্ঞানী। ৭ ডিসেম্বর কানাডার মন্ট্রিয়ালে কপ-১৫ (ইউএন বাইওডাইভার্সিটি সামিট অর্থাৎ জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য সম্মেলনে) শুরু হওয়ার আগে বিজ্ঞানীরা বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে এই চিঠি দেন। সেখানে এস্তোনিয়ার বোরিয়াল ফরেস্ট সুরক্ষার কথাও উল্লেখ করেন তারা। চিঠির শুরুতেই চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এবং ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডারসহ বিশ্বনেতাদের সম্বোধন করা হয়। কপ-১৫ সম্মেলনটি চলবে ১৯ তারিখ পর্যন্ত। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বন জৈবশক্তি পোড়ানোর পরিবর্তে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বায়ু এবং সৌর ব্যবহার করা উচিত। চিঠিতে সতর্ক করা হয়, কপ-১৫ সম্মেলনে বিশ্বনেতারা যদি ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ স্থল ও সমুদ্র রক্ষা করতে চায় তবে অবশ্যই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে জৈবশক্তিতে নির্ভরতা কমানোর ব্যাপারে। দ্য গার্ডিয়ান।

বন বাঁচাতে ৬৫০ বিজ্ঞানীর চিঠি

  
০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাটিতে স্তরে স্তরে সাজানো সদ্য কাটা পাইন। এস্তেনিয়ার বৃহৎ বনাঞ্চল ‘বোরিয়াল ফরেস্ট’ উজাড় করে চলছে জ্বালানি সংগ্রহ। বন পরিণত হচ্ছে খোলা বিরান মাঠে। এ দৃশ্য বর্তমান পৃথিবীর সব দেশেই কম-বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে পশ্চিমের শীতপ্রধান দেশগুলোতে। উষ্ণতার খোঁজে উজাড় করছে হাজারও প্রাণীর আবাস্থল। পৃথিবী বাঁচাতে এবার এগিয়ে এসেছেন বিজ্ঞানীরা। বিশ্বনেতাদের কাছে সোমবার খোলা চিঠি লিখেছেন ৬৫০ জন বিজ্ঞানী। ৭ ডিসেম্বর কানাডার মন্ট্রিয়ালে কপ-১৫ (ইউএন বাইওডাইভার্সিটি সামিট অর্থাৎ জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য সম্মেলনে) শুরু হওয়ার আগে বিজ্ঞানীরা বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে এই চিঠি দেন। সেখানে এস্তোনিয়ার বোরিয়াল ফরেস্ট সুরক্ষার কথাও উল্লেখ করেন তারা। চিঠির শুরুতেই চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এবং ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডারসহ বিশ্বনেতাদের সম্বোধন করা হয়। কপ-১৫ সম্মেলনটি চলবে ১৯ তারিখ পর্যন্ত। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বন জৈবশক্তি পোড়ানোর পরিবর্তে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বায়ু এবং সৌর ব্যবহার করা উচিত। চিঠিতে সতর্ক করা হয়, কপ-১৫ সম্মেলনে বিশ্বনেতারা যদি ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ স্থল ও সমুদ্র রক্ষা করতে চায় তবে অবশ্যই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে জৈবশক্তিতে নির্ভরতা কমানোর ব্যাপারে। দ্য গার্ডিয়ান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন