মিয়ানমারে সেনাপ্রধানের কড়া হুঁশিয়ারি
jugantor
মিয়ানমারে সেনাপ্রধানের কড়া হুঁশিয়ারি

   

২৮ মার্চ ২০২৩, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কড়া হুঁশিয়ার বার্তা দিলেন মিয়ানমারের সামরিক জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। সোমবার বিরল এক ভাষণে অঙ্গীকার করেছেন, যারা তাদের শাসনের বিরোধিতা করবে তাদের দমনে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে সেনাবাহিনী। যে কোনো কিছুর মূল্যে লড়াই চালিয়ে যাবে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী । খবর এএফপি, বিবিসির।

সেনাবাহিনীর ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানী নেপিদোয় একটি বার্ষিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। দমনপীড়ন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সামরিক বাহিনী মিয়ানমারে নির্বাচনের আয়োজন করবে বলেও নিশ্চয়তা দেন হ্লাইং। জরুরি অবস্থা শেষ হলে দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।

‘মিয়ানমারে ভোটের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্টসংখ্যক এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে নেই’-এমন কথা স্বীকার করার কয়েক সপ্তাহ পর এ মন্তব্য করলেন তিনি। সশস্ত্র বাহিনী দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করা প্রায় আট হাজার সেনা সদস্যের উদ্দেশে হ্লাইং বলেন, জান্তা সরকার বিরোধীদের এবং তাদের সমর্থনকারী জাতিগত বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনী ‘চূড়ান্ত পদক্ষেপ’ নেবে। ‘জাতীয় ঐক্য সরকারের’ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এনইউজি’র (জাতীয় ঐক্য সরকার) সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং এর অনুগত তথাকথিত পিডিএফকে (পিপল ডিফেন্স ফোর্স) কঠোরভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন।’

নির্বাচনে জালিয়াতি অপ্রমাণিত দাবি করে সেনাবাহিনী দুই বছর আগে অং সান সু চির বেসামরিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে মিয়ানমারে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ অভ্যুত্থান জাতিগত বিদ্রোহীদের সঙ্গে নতুন করে লড়াইয়ের সূত্রপাত ঘটায় এবং কয়েক ডজন জান্তাবিরোধী ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস’র জন্ম দেয়। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এখন যুদ্ধে বিধ্বস্ত এবং আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

মিন অং হ্লাইং কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বলেন, যে কোনো নির্বাচনের আগে ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকা অতি গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় একটি পর্যবেক্ষণ গ্রুপের মতে, মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের পর থেকে ভিন্নমতের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর দমন অভিযানে ৩,১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এদিকে জাতিসংঘের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে যুদ্ধের কারণে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়েছে।

মিয়ানমারে সেনাপ্রধানের কড়া হুঁশিয়ারি

  
২৮ মার্চ ২০২৩, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কড়া হুঁশিয়ার বার্তা দিলেন মিয়ানমারের সামরিক জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। সোমবার বিরল এক ভাষণে অঙ্গীকার করেছেন, যারা তাদের শাসনের বিরোধিতা করবে তাদের দমনে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে সেনাবাহিনী। যে কোনো কিছুর মূল্যে লড়াই চালিয়ে যাবে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী । খবর এএফপি, বিবিসির।

সেনাবাহিনীর ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানী নেপিদোয় একটি বার্ষিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। দমনপীড়ন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সামরিক বাহিনী মিয়ানমারে নির্বাচনের আয়োজন করবে বলেও নিশ্চয়তা দেন হ্লাইং। জরুরি অবস্থা শেষ হলে দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।

‘মিয়ানমারে ভোটের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্টসংখ্যক এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে নেই’-এমন কথা স্বীকার করার কয়েক সপ্তাহ পর এ মন্তব্য করলেন তিনি। সশস্ত্র বাহিনী দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করা প্রায় আট হাজার সেনা সদস্যের উদ্দেশে হ্লাইং বলেন, জান্তা সরকার বিরোধীদের এবং তাদের সমর্থনকারী জাতিগত বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনী ‘চূড়ান্ত পদক্ষেপ’ নেবে। ‘জাতীয় ঐক্য সরকারের’ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এনইউজি’র (জাতীয় ঐক্য সরকার) সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং এর অনুগত তথাকথিত পিডিএফকে (পিপল ডিফেন্স ফোর্স) কঠোরভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন।’

নির্বাচনে জালিয়াতি অপ্রমাণিত দাবি করে সেনাবাহিনী দুই বছর আগে অং সান সু চির বেসামরিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে মিয়ানমারে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ অভ্যুত্থান জাতিগত বিদ্রোহীদের সঙ্গে নতুন করে লড়াইয়ের সূত্রপাত ঘটায় এবং কয়েক ডজন জান্তাবিরোধী ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস’র জন্ম দেয়। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এখন যুদ্ধে বিধ্বস্ত এবং আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

মিন অং হ্লাইং কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বলেন, যে কোনো নির্বাচনের আগে ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকা অতি গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় একটি পর্যবেক্ষণ গ্রুপের মতে, মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের পর থেকে ভিন্নমতের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর দমন অভিযানে ৩,১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এদিকে জাতিসংঘের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে যুদ্ধের কারণে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়েছে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন