মমতার দলকে মারধর আসামে

  যুগান্তর ডেস্ক ০৩ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আসামের তৃণমূল নেত্রী
ছবি: সংগৃহীত

আসামের শিলচর বিমানবন্দরে তৃণমূল প্রতিনিধি দলকে আটকে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে নাগরিক কনভেনশনে যোগ দিতে শিলচর পৌঁছান তৃণমূল সংসদ সদস্য সুখেন্দুশেখর রায়, মমতাবালা ঠাকুর, অর্পিতা ঘোষ, রত্না দে নাগ, নাদিমুল হক, কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও বিধায়ক মহুয়া মৈত্র। তাদের মারধরও করা হয়।

বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজেও দেখা যায়, মহুয়া ও মমতাবালার সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি হচ্ছে নারী পুলিশ কর্মীদের।

বিকাল ৩টার দিকে শিলচর পৌঁছান প্রতিনিধি দলের আরেক বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম। বিমানবন্দরে তাকেও আটকে দেয়া হয়। যে ঘরে তাদের আটকে রাখা হয়েছে সেখানেই বিক্ষোভ করেন তৃণমূল সংসদ সদস্যরা। চলে তীব্র বাদানুবাদ। বিমানবন্দরের মূল গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। ভেতরে ভিআইপি লাউঞ্জে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। কোনো রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শিলচরে ১৪৪ ধারা জারি করেছে কাছার জেলা প্রশাসন।

দলীয় প্রতিনিধি দলের আটকে যাওয়ার খবর পেয়ে কয়েকশ’ তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা বিমানবন্দরের সামনে রাজ্য সরকারের বিরোধিতায় স্লোগান দিতে থাকেন।

১০০ বছর বাস করেও নাগরিক তালিকায় ঠাঁই পায়নি বহু পরিবার আসামে ১০০ বছর ধরে বসবাস করে এলেও নাগরিক তালিকায় ঠাঁই পায়নি বহু পরিবার। এমনকি বাদ পড়েছে ভারতের সাবেক এক প্রেসিডেন্টের পরিবারও। তালিকায় নিজেদের পরিবারের সদস্যদের নাম খুঁজে না পাওয়ায় অবাক হয়েছে এসব পরিবার।

একইসঙ্গে নাগরিক তালিকার প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ, ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন তারা। একই পরিবারের সদস্য; অথচ তালিকায় কারও নাম উঠেছে, কারও ওঠেনি। আবার ১০০ বছর ধরে বসবাস করে এলেও তালিকায় নাম পাওয়া যায়নি বহু পরিবারের।

নিবন্ধন প্রক্রিয়ার প্রতি ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করছেন রাজ্যের অনেক প্রবীণ নাগরিক। এমন অসংখ্য ভুক্তভোগীর একজন হচ্ছেন ৭১ বছর বয়সী রেবা চৌধুরী ও তার ছেলে সুহার্তো দেব। রাজ্যের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা রেবা চৌধুরী। আসামেই জন্ম এবং এখানেই বড় হয়েছেন তিনি।

তা সত্ত্বেও চূড়ান্ত তালিকায় তার নাম ওঠেনি। বাদ পড়া পরিবারগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দিন আলি আহমেদের পরিবারও।

এ ঘটনায় দেশটিতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ফখরুদ্দিন ছিলেন ভারতের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট। তিনি ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৭ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই পদে আসীন ছিলেন। ফখরুদ্দিনের ভাই লেফটেন্যান্ট একরামুদ্দিন আলি আহমেদের ছেলে জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, তালিকায় যাতে তার পরিবারের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় দলিল খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন তিনি। আসামের কামরূপ জেলার রাঙিয়া শহরে তাদের বসবাস।

ঘটনাপ্রবাহ : আসামে বাঙালি সংকট

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×