পীরগঞ্জে সিজারের ৬ দিন পর প্রসূতির মৃত্যু

  যুগান্তর ডেস্ক    ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

পীরগঞ্জের মাতৃছায়া ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালি ও উদাসীনতার কারণে প্রসূতির মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিজারের ৬ দিন পরে নিহতের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়। এলাকাবাসী জানায়, ২১ ডিসেম্বর উপজেলার কেউটগাঁও খুড়িয়াপাড়া গ্রামের মৃত এহিয়া মোহাম্মদের মেয়ে ও রানীশংকৈল উপজেলার মহারাজা গ্রামের সফিকুল ইসলামের স্ত্রী রুনা আকতার প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে মাতৃছায়া ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে ভর্তি হয়। ওইদিন রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের গাইনি বিভাগের ডা. নজরুল ইসলাম ও ডা. কামাল হোসেন এবং সিনিয়ার স্টাপ নার্স নাজমা বেগমের সমন্বয়ে সিজারের মাধ্যমে রুনা আকতারের গর্ভ থেকে কন্যা সন্তানের জন্ম হয় বলে ডাক্তারদের দাবি। অভিযোগ উঠেছে, মাতৃছায়া ক্লিনিকে মানসম্মত ওষুধ ও দক্ষ জনবল না থাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয় রুমা আক্তার। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ রুমাকে মুমূর্ষু অবস্থায় দিনাজপুর আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় সিজারের ৬দিন পর ২৬ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুনা আকতারের মৃত্যু খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গা-ঢাকা দেয়। ২৭ ডিসেম্বর ময়নাতদন্ত ছাড়াই পীরগঞ্জ পৌর শহরের পীরডাঙ্গী গোরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। এ ব্যাপারে মাতৃছায়া ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমের মালিক ফারুক হোসেন রুনা আকতারের মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে তিনি সঠিক উত্তর দিতে পারেননি। পীরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) চিত্ত রঞ্জন রায়কে লাশ ময়নাতদন্তের বিষয়ে প্রশ্ন করা হল তিনি কিছু জানেন না বলে জানান।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter