পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা

বাংলা * বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

বাংলা

  সবুজ চৌধুরী ১৬ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সহকারী শিক্ষক, সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা

দুই তীরে

[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]

৩। এক কথায় প্রকাশ কর।

নদী তীরের বালুময় স্থান - বালুচর

যেখানে জনমানব নেই - নির্জন

যা স্বদেশি নয় - বিদেশি

জেলেদের মাছ ধরার ছোট নৌকা - ডিঙি

যেখানে আড়ালের জন্য সূর্যের আলো পৌঁছায় না - ঘনচ্ছায়া

ওপরের কোনো আবরণ - আচ্ছাদন

যা পানিতে ভাসে - ভেলা

বিদায় হজ

১। শব্দার্থ/সমার্থক শব্দ লিখ

ন্যায় - নীতি মানবতা - মনুষত্ব

বাণী - কথা অন্তর - হৃদয়

আহ্বান - ডাক অনুভব - উপলব্ধি

সমবেত - সমাগম ময়দান - মাঠ

বিপুল - বিশাল আনন্দ -খুশি

ভাষণ - বক্তৃতা বিদায় - শেষ

খ্যাত - সম্মানিত চিরদিন - চিরকাল

শ্রদ্ধা - সম্মান প্রশংসা - স্তুতি

পবিত্র - পাক ক্রীতদাস - গোলাম

বান্দা - অনুগত নিষ্ঠুর - নির্দয়

আমির - ধনী বংশ - কুল

পাপ - গুনাহ্ উপদেশ - নীতিবাক্য

দায়ী - অপরাধী উপাসনা - প্রার্থনা

অপহরণ - লুণ্ঠন অত্যাচার - নির্যাতন

আদর্শ - অনুকরণীয় উজ্জ্বল - ঝলমল

কর্তব্য - করণীয় সাক্ষী - প্রত্যক্ষদর্শী

২। বিপরীত শব্দ লিখ

বিদায় - আরম্ভ কর্তব্য - অকর্তব্য

উপস্থিত - অনুপস্থিত পূর্ণ - শূন্য

উজ্জ্বল - অনুজ্জ্বল আনন্দ - কষ্ট

আদর্শ - আদর্শহীন প্রেরিত - প্রেরক

অত্যাচার - আদর অপহরণ - দান

ধর্ম - অধর্ম উপদেশ - নির্দেশ

পাপ - পুণ্য অবিচার - বিচার

নিষ্ঠুর - সদয় প্রশংসা - নিন্দা

শ্রদ্ধা - অশ্রদ্ধা খ্যাত - অখ্যাত

গ্রহণ - বর্জন বিপুল - সীমিত

গভীর - অগভীর পাহাড় - সমতল

সত্য - মিথ্যা ন্যায় - অন্যায়

মানবতা - অমানবিক স্থির - অস্থির

পবিত্র - অপবিত্র মহামানব - ক্ষুদ্রমানব

৩। এক কথায় প্রকাশ কর

মানুষের ধর্মবিষয়ক যে জ্ঞান - মানবতা

মহান যে নবী - মহানবী

মহান যে মানব - মহামানব

বিশেষ সময়ে মক্কাতীর্থ দর্শন - হজ

সম্মিলিতভাবে আগত - সমবেত

দয়া মায়া নেই যার - নিষ্ঠুর

অর্থ দিয়ে যে দাস কেনা হয় - ক্রীতদাস

আল্লাহর অনুগত যে - বান্দা

বিচার নেই যেখানে - অবিচার

ভালো মন্দের জ্ঞান দান - উপদেশ

জোর করে কারও সম্পত্তি চুরি করা - অপহরণ

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

আফরোজা বেগম

সিনিয়র শিক্ষক, উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ

উত্তরা, ঢাকা

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন

[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]

প্রশ্ন : লালবাগ দুর্গের নিদর্শনগুলোর বর্ণনা দাও।

উত্তর : লালবাগ দুর্গ

এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এটি বর্তমান পুরান ঢাকার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে বুড়িগঙ্গা নদীর কাছে অবস্থিত।

১৬৭৮ সালে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র শাহজাদা মোহাম্মদ আযম ঢাকার সুবেদার থাকাকালে এটি তৈরির কাজ শুরু হয়। তাকে ঢাকা ত্যাগ করতে হয় বলে এটির কাজ অসম্পূর্ণ রেখে চলে যেতে হয়। তাই এটি আর সম্পন্ন হয়নি।

নিদর্শন : * এটি সম্পূর্ণ ইটের তৈরি।

* এর চারদিকে ইটের তৈরি উঁচু প্রাচীর রয়েছে।

* এ দুর্গটির মাঝখানে খোলা জায়গা আছে।

* মাঝখানে দোতলা ছোট্ট সুরম্য প্রাসাদ ছিল। বর্তমানে সেখানে একটি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

* এ দুর্গের উত্তর ও দক্ষিণ দিকে দুটি প্রবেশপথ রয়েছে।

* দক্ষিণ দিকের প্রবেশপথে গোপনে বের হওয়ার জন্য অনেক সুড়ঙ্গ পথ ছিল।

* এ দুর্গের ভেতরে ‘দিওয়ান-ই-আম’ নামক দরবার হল, তিন গম্বুজবিশিষ্ট একটি মসজিদ ও একটি পুকুর রয়েছে।

* বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মাজার রয়েছে।

সুতরাং লালবাগের কেল্লা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান। আমরা তা পরিদর্শন করে জ্ঞান অর্জন করব।

আমাদের অর্থনীতি : কৃষি ও শিল্প

প্রশ্ন : বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের কীভাবে সহায়তা করে?

উত্তর : বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। সুজলা-সুফলা বাংলার উর্বর ভূমিতে নানা ফসল ফলে। যেসব কৃষি পণ্য বিদেশে রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে। বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল হল পাট, চা, তামাক। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের নিুলিখিতভাবে সহায়তা করে।

পাট : পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষি দ্রব্য। পৃথিবীতে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণ পাট উৎপন্ন হয়। পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এ জন্য বাংলাদেশে পাটকে ‘সোনালি আঁশ’ বলা হয়। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৪৫ লাখ টন পাট উৎপন্ন হয়। এ দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ পাট চাষ ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ফলে বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক জীবনের বড় অংশ পাটের ওপর নির্ভরশীল।

চা : পাটের মতো চা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের জলবায়ু চা চাষের জন্য উপযোগী। বাংলাদেশে অনেক চা বাগান রয়েছে। প্রতিবছর বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ চা উৎপন্ন হয়। এ দেশের চাহিদা পূরণ করে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চা বিদেশে রফতানি করা হয়। বিদেশে বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম রয়েছে। চা রফতানি করে বাংলাদেশ প্রতিবছর অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

তামাক : বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলে তামাক চাষ হয়। এসব অঞ্চলে দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন জাতের তামাক চাষ হয়। বাংলাদেশ তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য রফতানি করে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। তবে তামাক মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ফলে এর চাষ নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। এগুলো ছাড়া বাংলাদেশে তুলা, সুপারি, রেশম, রাবার ইত্যাদি অর্থকরী কৃষি দ্রব্য উৎপন্ন হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×