প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার পড়াশোনা

প্রাথমিক গণিত * বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

প্রাথমিক গণিত

  সৈয়দ কায়েস-উর-রহমান ২৫ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সহকারী শিক্ষক, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ

মিরপুর, ঢাকা

[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]

২৩. ৩১- (৩x২) + ২৫ = কত?

উত্তর : ৫০

২৪. এক কুইন্টাল চালের দাম ৫৬০০ টাকা হলে, প্রতি কেজি চালের দাম কত?

উত্তর : ৫৬ টাকা

২৫. ৯, ৪, ০২, ৬ অঙ্কগুলো একবার ব্যবহার করে গঠিত ক্ষুদ্রতম সংখ্যা কত?

উত্তর : ২০৪৬৯

২৬. ৬টি ডিমের দাম ৭২ টাকা হলে ১৫টি ডিমের দাম কত?

উত্তর : ১৮০ টাকা

২৭. পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ও চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য কত?

উত্তর : ১

২৮. চার প্রক্রিয়া সম্পর্কিত সমস্যা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : + -, x, ÷

২৯. গাণিতিক বাক্যে বান্ধনী থাকলে কোন অংশের হিসাব আগে করতে হয়?

উত্তর : প্রথম বন্ধনী

৩০. পিতার বয়স কন্যার বয়সের ৪ গুণ হলে, তাদের বয়সের সমষ্টি কত গুণ?

উত্তর : ৫ গুণ

৩১. ৫-(৩৬-১০) ÷ ১৩ = কত?

উত্তর : ৩

৩২. মাতার বয়স পুত্রের বয়সের ৫ গুণ, মাতার বয়স ৬৫ হলে পুত্রের বয়স কত?

উত্তর : ১৩ বছর

৩৩. ১৫-{(৫৬+৩৯) ÷ ১৯+৮}

উত্তর : ১৮

৩৪. ৬ হালি ডিমের দাম ৪২০ টাকা হলে ১ হালি ডিমের দাম কত?

উত্তর : ৭০

৩৫. নিঃশেষে বিভাজ্যের ক্ষেত্রে ভাজক নির্ণয়ের সূত্রটি লেখ।

উত্তর : ভাজক = ভাজ্যক্সভাগফল

৩৬. ভাজ্য ভাজকের ২০ গুণ, ভাজক হলে ভাজ্য কত?

উত্তর : ১০

৩৭. ৩ ডজন ডিমের দাম ২৮৮ টাকা হলে, ১টি ডিমের দাম কত?

উত্তর : ৮ টাকা

৩৮. ১০০ লিচুর দাম ৪০০ টাকা হলে, ৬০টি লিচুর দাম কত?

উত্তর : ২৪০ টাকা

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

আফরোজা বেগম

সিনিয়র শিক্ষক, উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, উত্তরা, ঢাকা

অধ্যায়-৫ : জনসংখ্যা

প্রশ্ন : জনসংখ্যা সমস্যার তিনটি সমাধান লেখ।

উত্তর : জনসংখ্যা সমস্যার তিনটি সমাধান নিচে দেওয়া হল-

* কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নের মাধ্যমে খাদ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে ও দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরির মাধ্যমে শিল্পের প্রসার বাড়াতে হবে।

* সাক্ষরতা এবং শিক্ষার মান বাড়াতে শিশুদের উৎসাহিত করতে হবে। ফলে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে কর্মসংস্থান হবে।

* গৃহ নির্মাণে সরকারি সাহায্য বাড়াতে হবে ও পরিবেশ দূষণ রোধ করতে হবে।

সুতরাং, উপরের পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে জনসংখ্যা সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।

প্রশ্ন : অধিক খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে আমাদের দেশের জনগণ কীভাবে উপকৃত হতে পারে?

উত্তর : বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। ধান এদেশের প্রধান ফসল। কিন্তু, বাংলাদেশের জনসংখ্যা অধিক। তাই কৃষিপ্রধান দেশ হয়েও এদেশে খাদ্য সংকট ছিল। প্রতি বছর প্রায় ২৫ লাখ টন খাদ্য ঘাটতি ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার নানাভাবে এই খাদ্য ঘাটতি পূরণে সক্ষম হয়েছে। যেখানে খাদ্য ঘাটতি পূরণের জন্য বাংলাদেশকে প্রতি বছর বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি করতে হতো সেখানে বর্তমান সরকারের সঠিক পদক্ষেপে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। সবার জন্য আমরা খাদ্য উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছি।

সরকার নানা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও কারিগরি শিক্ষা এবং প্রযুক্তি প্রয়োগ করে নানাভাবে খাদ্য উৎপাদন বাড়িয়েছে। ফলে দেশের সব লোকের প্রধান মৌলিক চাহিদা তথা খাদ্যের চাহিদা পূরণ হয়েছে। ফলে দেশের মানুষের পুষ্টিহীনতা দূর হবে। স্বাস্থ্যহানি ঘটবে না। দেশের কোনো লোক না খেয়ে অর্ধাহারে, অনাহারে দিন কাটাবে না। ফলে অনেক সামাজিক অপরাধ ও দারিদ্র্য অনেকটাই কমে আসবে। সমাজের, রাষ্ট্রের জনগণ শান্তিতে থাকবে।

সুতরাং, অধিক খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে আমাদের দেশের জনগণ নানাভাবে উপকৃত হবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×