প্রিয় ক্যাম্পাস : ১৬ বছরে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি

“দেশপ্রেমিক দক্ষ জনসম্পদ তৈরি করা আমাদের লক্ষ্য”

কয়েকটি হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং আইএফআইএল ও অস্ট্রেলিয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুল-এর পরিচালক লিয়াকত হোসেন মোগল সম্প্রতি ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ-এর চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির উন্নয়নকল্পে বিবিধ পদক্ষেপ বিষয়ে সম্প্রতি যুগান্তরের সঙ্গে কথা হয় তার। দীর্ঘ আলাপের চুম্বক অংশ এখানে তুলে ধরা হল-

  যুগান্তর ডেস্ক    ১৬ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

* আপনার বিশ্ববিদ্যালয় কখন প্রতিষ্ঠিত হয়?

** ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয় ২০০৩ সালের এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর প্রধান মটো হচ্ছে - A leader in quality education তৈরি করা।

* এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলুন।

** স্বল্প-ব্যয়ে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষার ব্রত নিয়ে একদল শিক্ষানুরাগী শিল্পপতি, শিক্ষাবিদ, প্রকৌশলী এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ২০০৩ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। উচ্চশিক্ষা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দক্ষ জনসম্পদ, দেশপ্রেমিক ও যোগ্যতাসম্পন্ন নেতৃত্ব সৃষ্টির লক্ষ্যে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন পেয়ে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই উচ্চশিক্ষার গুণগতমান সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য নিয়মিত ও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উপযুক্ত মানসম্পন্ন ও দক্ষ শিক্ষক, বাস্তবমুখী শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পড়াশোনা ও গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধা রয়েছে।

* উচ্চশিক্ষায় আপনার বিশ্ববিদ্যালয় কী কী অবদান রেখেছে?

** উচ্চশিক্ষার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার গ্রাজুয়েট বের হয়েছে। তারা সবাই ভালো অবস্থানে আছে, এ বিষয়ে আমরা নিশ্চিত। উদাহরণস্বরূপ ল’ বিভাগের গ্রাজুয়েটরা ঢাকাসহ দেশব্যাপী আইন পেশায় সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। অনেকে সরকারের জুডিশিয়াল সার্ভিসসহ বিভিন্ন সরকারি পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। বিজনেস ফ্যাকাল্টির গ্রাজুয়েটরা ব্যাংক, বীমাসহ দেশবিদেশে বিভিন্ন কর্পোরেট জবে নিয়োজিত আছেন। এখানকার গ্রাজুয়েট ব্যাংকের এমডি হিসেবে কর্মরত আছেন। অনেকে শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেছেন। ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টি IEB এক্রিডিয়েটেড। তাই এর চাহিদা ব্যাপক। আমাদের CSE এবং EEE উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা IT ক্ষেত্রে অনেক সাফল্য অর্জন করেছেন। অনেকে IT ফার্ম প্রতিষ্ঠা করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন। ইংরেজি বিভাগেও দক্ষ ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সুযোগ্য শিক্ষক থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা ভালো ভালো কর্মসংস্থান পেয়েছেন। আমাদের সাবেক শিক্ষার্থীদের অ্যালামনাই ডিরেকটরি তৈরি করার কাজ এগিয়ে চলছে এবং আশা করি ওই ডিরেকটরি সম্পন্ন হলে আমরা সব সাবেক শিক্ষার্থীদের অবস্থানের তথ্য আরও ভালোভাবে প্রদান করতে পারব।

* এ পর্যন্ত আপনার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কতজন ছাত্রছাত্রীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে।

** ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে এ পর্যন্ত ৫টি সমাবর্তনের মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে। আগামী ষষ্ঠ সমাবর্তনে আরও প্রায় ২৩০০ শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হবে।

* আপনার ছাত্রছাত্রীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কী কী অবদান রেখেছে।

** যুক্তরাষ্ট্রের ফিলিপ সি জেসাপ ইন্টারন্যাশনাল ল মুট কোর্ট জাতীয় পর্বের প্রতিযোগিতায় ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির মুট কোর্ট দল অংশ নেয়া ৩১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রানার্স আপ হয়ে আন্তর্জাতিক পর্বে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করে।

বিশ্বজুড়ে আইন বিষয়ে বিতর্কের সবচেয়ে সম্মানজনক এই আসরে এ নিয়ে তৃতীয়বার অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হয়েছে এবং ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকিং ৫৬তম স্থান অর্জন করেছে।

* আপনার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে কতজন শিক্ষক রয়েছেন? এর মধ্যে কতজন পিএইচডি ডিগ্রিধারী?

** বর্তমানে ১০৫ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন যাদের মধ্যে ২৭ জন পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক রয়েছেন। এছাড়া আরও প্রায় ১০৫ জন শিক্ষক মাস্টার্স ও উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করছেন।

* আপনারা স্থায়ী ক্যাম্পাস কখন চালু করেছেন? এ ক্যাম্পাসে ছাত্রছাত্রীদের জন্য কী কী সুবিধা রয়েছে?

** ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে ২০১৮ সালের স্প্রিং সেমিস্টার থেকে ক্লাস শুরু হয়েছে। এ ক্যাম্পাসটি একটি আন্তর্জাতিক মানের ১১ তলাবিশিষ্ট প্রায় ২টি বেজমেন্টসহ ১ লাখ ৬ হাজার বর্গফুটের সুবিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ক্যাম্পাসে ছাত্রছাত্রীদের জন্য নানা রকম সুযোগ সুবিধা প্রদান করে ক্যাম্পাসকে মুখরিত করার প্রচেষ্টা চলছে।

* বর্তমানে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে কতটি সাবজেক্টে ছাত্রছাত্রীরা অধ্যয়ন করছে।

** বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৯টি প্রোগ্রামে এ ছাত্রছাত্রীরা অধ্যয়ন করছে, যদিও এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য শুরু থেকেই আমরা স্বল্প কয়েকটি প্রোগ্রাম দিয়ে এর যাত্রা শুরু করি।

* প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত আপনারা ইউজিসি থেকে কোনো নতুন সাবজেক্ট পেয়েছেন কিনা? না পেয়ে থাকলে সে সম্পর্কে কিছু বলুন?

** প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত আমরা ইউজিসি থেকে কোনো নতুন সাবজেক্ট খোলার অনুমতি পাইনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন ৪টি সাবজেক্ট খোলার জন্য ইউজিসিতে আবেদন করা হয়েছে- যা বিবেচনাধীন রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী আমরা ইতিমধ্যে সিএসই এবং ইইই তথা ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টি সম্পূর্ণরূপে স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করেছি। আশা করি এখন নতুন প্রোগ্রামের অনুমোদন পাওয়া যাবে।

* ছাত্রদের পড়াশোনার পাশাপাশি অন্য কী কী বিষয়ে আপনারা তাদের উদ্বুদ্ধ করেন? ছাত্রদের বর্তমানে কয়টি ক্লাব রয়েছে? এসবের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কিছু বলুন।

** পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে উৎসাহের ভিত্তিতে শিল্প, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানে সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম হিসেবে বিভিন্ন বিষয়ক ১৬টি ক্লাব রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সফরের বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা কোর্স চলাকালীন শিক্ষা সফরের সুযোগ পায়। শিক্ষা সফরে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ছাত্রছাত্রীকে প্রদত্ত বিষয়ের ওপর একটি লিখিত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হয়। নিয়মিত পড়াশোনা ও ক্লাসের পাশাপাশি নৃত্য ও সঙ্গীতচর্চার সুযোগ রয়েছে। সাংস্কৃতিক ক্লাবের ছাত্রছাত্রীরা কলেজের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নবীনবরণ, বিদায় সংবর্ধনা, বিশেষ দিবস উদযাপন, প্রখ্যাত ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বের কলেজ পরিদর্শন প্রভৃতি ক্ষেত্রে নৃত্য ও সঙ্গীত পরিবেশন করে থাকে।

* গবেষণার জন্য আপনারা কী কী করছেন?

** বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মানকে উন্নত করার জন্য আমরা বাজেট বৃদ্ধি করেছি। শিক্ষকরা পিএইচডির জন্য শিক্ষাছুটি পান। আমরা ছাত্র-শিক্ষকদের গবেষণা ও উচ্চতর শিক্ষায় সর্বোচ্চ সহযোগিতা করি।

* বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে আপনাদের যৌথ কোনো কার্যক্রম বা ক্রেডিট ট্রান্সফারের কোনো চুক্তি আছে কিনা?

** বিদেশে ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমাদের সমঝোতা স্মারক (MOU) আছে। আমাদের বেশ কিছু শিক্ষার্থী চীনসহ কয়েকটি দেশে ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে অধ্যয়ন করছে। আর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও অনেক বিদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।

* ছাত্রদের আপনারা বৃত্তি, শিক্ষাঋণ ইত্যাদি প্রদান করেন কিনা?

** এই বিশ্ববিদ্যালয়ে দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য বৃত্তি, টিউশন ফি মওকুফ ও সুদবিহীন ছাত্রঋণের ব্যবস্থা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের জন্য খণ্ডকালীন চাকরির মাধ্যমে সীমিত আয়েরও ব্যবস্থা আছে। আরেকটি যেনে খুশি হবেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আয়ের প্রায় ৪ ভাগ শিক্ষার্থীদের বৃত্তি/ওয়েভার প্রদান করা হয়। অনেক গরিব ও নিুবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েরা এখানে অধ্যয়নের সুযোগ পাচ্ছে।

* মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত আপনাদের ভিসি, প্রোভিসি, ট্রেজারার আছে কিনা?

** মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত ভিসি এবং ট্রেজারার আছেন। প্রোভিসি নিয়োগের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

* ইউজিসি এবং সরকারের বিধিবিধানগুলো আপনারা অনুসরণ করছেন কিনা?

** ইউজিসি এবং সরকারের বিধিবিধানগুলো সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করা হয়।

* ছাত্র-শিক্ষকদের গুণগত মান উন্নয়ন এবং তাদের কল্যাণে আপনারা এছাড়া কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন?

** ইউজিসির শর্ত অনুসারে আমরা প্রয়োজনীয় যোগ্যতা বিবেচনা করে এবং নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে থাকি। এর আগে আমরা বহুল প্রচারিত দৈনিকে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকি। তা ছাড়া আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সেসব শিক্ষক নিয়োগ লাভ করেন, তাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এতে করে তারা শিক্ষক হিসেবে আরও দক্ষ হয়ে ওঠেন। শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতার ক্ষেত্রে আমাদের কোনো রকম আপোষ নেই। বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ও গ্রাজুয়েট এখানে শিক্ষক হিসেবে একেবারে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ লাভ করে।

* এ পর্যন্ত আপনাদের কয়টি সমাবর্তন হয়েছে। তাতে প্রধান অতিথি এবং বক্তা কারা ছিলেন?

** ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে এ পর্যন্ত ৫টি সমাবর্তন হয়েছে। এসব সমাবর্তনে মহমান্য রাষ্ট্রপতি, শিক্ষামন্ত্রী এবং কেয়ারটেকার সরকারের অ্যাডভাইজর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে- ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক ড. সাইদ ইরানদোস্ত, অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, ড. আকবর আলি খান এবং কানাডিয়ান হাইকমিশনার বিনয়েট পিয়ার লারামে উপস্থিত ছিলেন।

* আপনাদের ভবিষৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছু বলুন।

** আমরা নিয়মিত বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখি। সেগুলো দেখে নানা উদ্যোগ এখানে গ্রহণ করি এবং সেই আলোকে আমরা একে সর্বাধুনিক ও সেরা মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিকে আমরা বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এ কারণেই আমরা বিশাল স্থায়ী ক্যাম্পাসসহ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সব সুযোগ নিশ্চিত করেছি। উদাহরণ হিসেবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি, শ্রেণিকক্ষের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। UGC কর্তৃক IQAC-এর মূল্যায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের মানকে অত্যন্ত উন্নত বলে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে।

স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য উন্নতমানের ক্যান্টিন রয়েছে। ছাত্র ও ছাত্রী হোস্টেল রয়েছে। এছাড়া স্টেডিয়াম নির্মাণসহ ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে ১৭টি বাসযোগে ঢাকা থেকে আশুলিয়াস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাসে ছাত্রছাত্রীদের আনা নেয়া হচ্ছে। অচিরেই ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে দেশবিদেশের জন্য মডেল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×