পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা

বাংলা * ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা

বাংলা

  সবুজ চৌধুরী ১২ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সহকারী শিক্ষক, সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা

স্বদেশ

- আহসান হাবীব

প্রশ্ন : নিচের কবিতাংশ পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

এই ছেলেটির মুখ

সারাদেশের সব ছেলেদের

মুখেতে টুকটুক।

কে তুমি ভাই,

প্রশ্ন করি যখন

‘ভালোবাসার শিল্পী আমি’

বলবে হেসে তখন।

ক) ‘ছেলেটির মুখ সারা দেশের সব ছেলেদের মুখেতে টুকটুক’ - কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

খ) কবিতাংশের মূলভাব লেখ।

গ) ছেলেটি কেন নিজেকে ‘ভালোবাসার শিল্পী’ বলেছে?

ক) উত্তর : ‘ছেলেটির মুখ সারা দেশের সব ছেলেদের মুখেতে টুকটুক’- কথাটি দ্বারা ছেলেটির মুখ যেন দেশের সব ছেলেদের মুখের প্রতিচ্ছবি- এ বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।

কবিতায় উল্লিখিত ছেলেটি কোনো ব্যক্তি চরিত্র নয়, এ যেন সমগ্র দেশের কিশোর ছেলেদের একটি প্রতীক মাত্র। বাংলার সব কিশোরই এই ছেলেটির মতো প্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবনের দৃশ্য দেখে দেখে সারাটি দিন কাটিয়ে দেয়। সবুজ-শ্যামল প্রকৃতির চোখ জুড়ানো ছবি মনের মধ্যে এঁকে এঁকে সব ছেলেই যেন ধীরে ধীরে বড় হয়ে ওঠে। আর তাই তো বলা হয়েছে, ‘ছেলেটির মুখ সারা দেশের সব ছেলেদের মুখেতে টুকটুক’।

খ) উত্তর : উল্লিখিত কবিতাংশে ছেলেটি যেন সমগ্র দেশের কিশোর ছেলেদের প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলার সব কিশোরই এই ছেলেটির মতো প্রকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামীণ জীবনের দৃশ্য দেখে দেখে সারাটি দিন কাটিয়ে দেয়। সবুজ-শ্যামল প্রকৃতির চোখ জুড়ানো ছবি মনের মধ্যে এঁকে এঁকে সে যেন ধীরে ধীরে বড় হয়ে ওঠে। হৃদয়ের গভীর আবেগ দিয়ে যে প্রাকৃতিক নয়নাভিরাম দৃশ্য ও জনজীবনকে দেখে তা দিয়ে মনে মনে রং তুলি ছাড়াই যেন ছবির দৃশ্যপট তৈরি করছে। তাই তো ছেলেটি নিজকে ‘ভালোবাসার শিল্পী’ বলেছে।

গ) উত্তর : ছেলেটি নিজকে ‘ভালোবাসার শিল্পী’ বলেছে কারণ সে এ দেশের প্রকৃতি ও জীবনকে ভালোবাসা দিয়ে প্রত্যক্ষ করছে।

বাংলার সব কিশোরই এই ছেলেটির মতো প্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবনের দৃশ্য দেখে দেখে সারাটি দিন কাটিয়ে দেয়। সবুজ-শ্যামল প্রকৃতির চোখ জুড়ানো যে ছবি ছেলেটি মনের মধ্যে এঁকেছে তাতে তার দেশের প্রতি ভালোবাসা লুকিয়ে আছে। সে যেন হৃদয়ের গভীর আবেগ দিয়ে প্রাকৃতিক নয়নাভিরাম দৃশ্য ও জনজীবনকে দেখছে। সে যা দেখছে তা দিয়ে মনে মনে রং তুলি ছাড়াই যেন ছবির দৃশ্যপট তৈরি করছে। তাই তো ছেলেটি নিজকে ‘ভালোবাসার শিল্পী’ বলেছে।

ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা

মো. ফোরকান আহমেদ

সহকারী শিক্ষক,

মুনলাইট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ

ও অন্যান্য নবীগণের পরিচয়

[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]

উত্তর : মহানবী (সা.) ৪০ বছর বয়সে হেরা গুহায় ধ্যানমগ্ন অবস্থায় নবুয়ত লাভ করেন। নবুয়ত লাভের পর হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর নির্দেশে প্রথমে নিকট আত্মীয়-স্বজনের কাছে গোপনে ইসলাম প্রচার করেন। সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন হজরত খাদিজা (রা.)। এর পর হজরত আলী (রা.), হজরত যায়েদ (রা.) ও ইবন হারিসা ইসলাম গ্রহণ করেন।

প্রশ্ন : আনসার কারা?

উত্তর : মুহাজিরদের মদিনায় যারা আশ্রয় ও সাহায্য-সহযোগিতা দিলেন, তারা হলেন আনসার। আনসার মানে সাহায্যকারী।

প্রশ্ন : মুহাজির কাদের বলে?

উত্তর : মক্কা থেকে হিজরত করে যারা মদিনায় যান তাদের বলা হয় মুহাজির। মুহাজির মানে হিজরতকারী।

প্রশ্ন : বদর যুদ্ধের কারণ কী?

উত্তর : মক্কার কাফির-মুশরিকরা চেয়েছিল ইসলাম ও মুসলিমদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে। মদিনায় ইসলামের উত্তরোত্তর উন্নতিতে কাফির-মুশরিকরা হিংসায় জ্বলে উঠে এবং আবু সুফিয়ানের বাণিজ্য কাফেলা মুসলমানদের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার গুজব রটেছিল। এসব কারণে বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।

প্রশ্ন : মদিনার সনদ কী?

উত্তর : মহানবী (সা.) মদিনায় হিজরত করে প্রচেষ্টা চালালেন একটি আদর্শ সমাজ গড়ার। মদিনায় বসবাসকারী সব গোত্র ও সম্প্রদায়ের মাঝে শান্তি, সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য এবং সবাই যাতে নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করতে পারে, সঙ্গে সঙ্গে মদিনার নিরাপত্তা রক্ষার উদ্দেশ্যে তিনি সব সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তি করেন। এটিই মদিনার সনদ নামে খ্যাত। এটি পৃথিবীর সর্বপ্রথম লিখিত চুক্তি।

প্রশ্ন : হুদাইবিয়ার সন্ধি কী?

উত্তর : হিজরি ৬ সনে (৬২৮ খ্রিস্টাব্দে) মক্কার ৯ মাইল দূরে হুদাইবিয়া নামক স্থানে মুসলমান ও মক্কার কুরাইশদের মাঝে দশ বছরের জন্য একটি সন্ধি হয়। এটি হুদাইবিয়ার সন্ধি।

প্রশ্ন : বিদায় হজ কাকে বলে?

উত্তর : মহানবী (সা.) ১০ম হিজরি সনে হজ পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করলেন, এটা ছিল তাঁর জীবনের শেষ হজ। তিনি এরপর আর হজ পালন করার সুযোগ পাননি। তাই একে বিদায় হজ বলে। মহানবী (সা.) লক্ষাধিক সাহাবি নিয়ে এ হজ আদায় করেন।

প্রশ্ন : পৃথিবীর আদি মানব কে ছিলেন?

উত্তর : পৃথিবীর আদি মানব ছিলেন হজরত আদম (আ.)। তিনি মাটির তৈরি। আমরা সবাই তার বংশধর।

প্রশ্ন : হজরত নূহ (আ.)-এর সময় কী আজাব এসেছিল?

উত্তর : হজরত আদম (আ.)-এর মৃত্যুর পর মানবজাতিকে হেদায়েতের জন্য আল্লাহ তায়ালা নূহ (আ.)কে পাঠালেন। হজরত নূহ (আ.)-এর সময় এক মাহপ্লাবন হয়েছিল। আল্লাহ নূহ (আ.)কে একটি নৌকা তৈরি করতে বললেন এবং বলে দিলেন মহাপ্লাবনের আভাস দেখা দিলেই ইমানদার লোকদের নিয়ে নৌকায় উঠে যাবে।

প্রশ্ন : ইব্রাহীম (আ.) কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর : আজ থেকে প্রায় ৪ হাজার বছর আগে ইব্রাহীম (আ.) জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইরাক দেশের বাবেল শহরে এক পুরোহিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×