অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা

বিজ্ঞান

  মো. কামরুজ্জামান ১৩ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সিনিয়র শিক্ষক,

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা

উদ্ভিদে বংশবৃদ্ধি

[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]

১৯৪। কোনটির চোখ থেকে উদ্ভিদের জন্ম হয়?

ক) রাইজোম খ) কন্দ √গ) টিউবার ঘ) বুলবিল

১৯৫। ছোলাবীজের অঙ্কুর বের হয়ে আসে যে পথে তাকে কি বলে?

ক) ইপিকোটাইল খ) হাইপোকোটাইল

গ) টেস্টা √ঘ) মাইক্রোপাইল

১৯৬। স্পোর উৎপাদনের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে-

i) Mucor ii) Spyrogyra iii) Penicilium

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii √খ) i ও iii গ) ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii

১৯৭। বাঁশের ফুলে পরাগায়নের জন্য মধুগ্রন্থি প্রয়োজন হয় না। কারণ-

i) তীব্র সুগন্ধ আছে ii) পরাগরেণু খুব হালকা iii) গর্ভমুণ্ড আঠালো

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii খ) i ও iii √গ) ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii

নিচের তথ্য থেকে ১৯৮ ও ১৯৯ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :

আদর্শফুলের ৫টি অংশ। এই অংশসমূহের একটি বা দুটি না থাকলেও ফুল সৃষ্টি হতে পারে।

১৯৮। সাইকাসে স্ত্রী ফুলের কোন অংশটি নেই?

√ক) গর্ভাশয় খ) ডিম্বক গ) রেণুপত্র ঘ) পুষ্পাক্ষ

১৯৯। উক্ত ফুলের সর্ববাইরের স্তবকের কাজ-

i) ফুলের সব অংশকে রক্ষা করে

ii) অংশটি বিশেষ কারণে রঙিন হতে পারে

iii) জননে সরাসরি অংশগ্রহণ করে

নিচের কোনটি সঠিক?

√ক) i ও ii খ) i ও iii গ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii

২০০। কোনটি রসালো ফল?

ক) শিম √খ) জাম গ) ঢেঁড়স ঘ) মটর

সমন্বয় ও নিঃসরণ

২০১। কোনটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি সহায়ক ফাইটোহরমোন নয়?

ক) অক্সিন √খ) ইথিলিন গ) জিব্বেরেলিন ঘ) সাইটোকাইনিন

২০২। কোথায় জিব্বেরেলিন পাওয়া যায় না?

ক) চারাগাছ খ) বীজপত্র √গ) গাছের মূল ঘ) পত্রের বর্ধিষ্ণু অঞ্চল

২০৩। কোন ফাইটোহরমোনটি গ্যাসীয় পদার্থ?

ক) অক্সিন খ) ফ্লোরিজেন √গ) ইথিলিন ঘ) সাইটোকাইনিন

২০৪। কোনটি স্নায়ুতন্ত্রের ভাগ নয়?

ক) কেন্দ্রীয় খ) প্রান্তীয় গ) স্বয়ংক্রিয় √ঘ) প্রতিবর্ত

২০৫। নিঃশ্বাসের বায়ুতে শতকরা কতভাগ ঈঙ২ থাকে?

ক) ২ ভাগ খ) ৩ ভাগ √গ) ৪ ভাগ ঘ) ৫ ভাগ

২০৬। কোন ফাইটোহরমোনটি পত্রমূলে পাওয়া যায়?

ক) ইথিলিন √খ) ফ্লোরিজেন গ) অক্সিন ঘ) জিব্বেরেলিন

২০৭। জীবের সুপ্তকাল কাটাতে কার কার্যকারিতা আছে?

ক) অক্সিন √খ) জিব্বেরেলিন

গ) অ্যাবসাইসিক এসিড ঘ) ফ্লোরিজেন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

জেসমিন আক্তার

সহকারী শিক্ষক, ভিক্টোরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার

[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]

প্রশ্ন : কম্পিউটার হ্যাকিং কী? এটি একটি অনৈতিক কাজ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : কম্পিউটার হ্যাকিং- হ্যাকিং বলতে বুঝানো হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা।

হ্যাকিং একটি অনৈতিক কাজের ব্যাখ্যা- ইন্টারনেটে ঢুকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখা যায়। কিন্তু ওয়েবসাইটের নিজস্ব বা গোপন অংশগুলোতে ঢোকার প্রয়োজন নেই। যেখানে যেতে পারে ওয়েবসাইট সংশ্লিষ্ট নির্দিষ্ট মানুষজন যারা গোপন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সেখানে প্রবেশ করে। যাদের সেখানে যাওয়ার অনুমতি নেই তারাও কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে। পাসওয়ার্ড জানা না থাকলেও সেটিকে পাশ কাটিয়ে অনেক সময় কেউ ওয়েবসাইটের ভেতরে ঢুকে যায়, সেখানে ঢুকে সে কোনো কিছু স্পর্শ না করে বের হয়ে আসতে পারে, আবার কোনো কিছু পরিবর্তন করে বা নষ্ট করেও চলে আসতে পারে। যেহেতু এ কাজগুলো করা হয় নিজের ঘরে একটা কম্পিউটারের সামনে বসে এবং যেখান থেকে অনুপ্রবেশ হয় সেটি হয়তো লক্ষ মাইল দূরের কোনো জায়গা-অদৃশ্য একটি সাইবার জগৎ, লোকচক্ষুর আড়ালে, তাই সেটি ধরার উপায়ও থাকে না। এ প্রক্রিয়াটির নাম হচ্ছে হ্যাকিং এবং আজকাল নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইট হ্যাকিং হচ্ছে যেটা সম্পূর্ণরূপে অনৈতিক কাজ।

প্রশ্ন : কম্পিউটার ভাইরাস কী? তুমি কীভাবে বুঝবে তোমার কম্পিউটারটি ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে?

উত্তর : কম্পিউটার ভাইরাস- ভাইরাস হচ্ছে এক ধরনের বিপত্তি সৃষ্টিকারী প্রোগ্রাম। দুষ্ট বুদ্ধির কিছু মানুষ এক ধরনের প্রোগ্রাম তৈরি করে ফ্লপি ডিস্কে দিয়ে দেয় বা নেটওয়ার্কে ছেড়ে দেয়, যা কম্পিউটারের স্বাভাবিক প্রোগ্রামগুলোর কাজ বিঘ্নিত করে। এ ধরনের প্রোগ্রামকেই ভাইরাস বলা হয়।

কম্পিউটারটি ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া যেভাবে বোঝা যাবে : কম্পিউটারের মাধ্যমে সবসময় স্বাভাবিক কাজই পাওয়া যাবে। আর এটি অতিদ্রুত সব কাজ সম্পন্ন করবে। কিন্তু যদি এর স্বাভাবিকতা প্রদর্শিত না হয় তবে বুঝতে হবে যে, কম্পিউটারটি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। নিুে কম্পিউটারটি ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গগুলো আলোচনা করা হল-

১. কম্পিউটারটি স্বাভাবিকের চেয়ে ধীরগতি হলে।

২. প্রোগ্রাম লোড হতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি সময় লাগলে।

৩. ডিস্ক ও ফাইল নষ্ট হয়ে গেলে।

৪. ডিস্কের নাম পরিবর্তন হলে।

৫. অযৌক্তিক প্রমাদবার্তা প্রদর্শিত হলে।

এ ছাড়া আরও অনেক প্রকার অস্বাভাবিকতা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে বুঝতে হবে কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে।

 ভাইরাস আক্রান্ত ফাইল এবং ডিস্ক ভাইরাসমুক্ত করে ব্যবহার করা

 কম্পিউটার যাতে ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হতে না পারে সে জন্য ভাইরাস প্রতিরোধী ব্যবস্থা গ্রহণ করা

 ভাইরাস আক্রান্ত পাইল এবং ডিস্ক ভাইরাসমুক্ত করা

 ভাইরাস প্রতিরোধ করার জন্য প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×