প্রিয় ক্যাম্পাস : নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির প্রতিষ্ঠান

  সেলিম কামাল ২২ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ও অন্যতম বৃহৎ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি। প্রতিষ্ঠার পর ২৭ বছর ধরে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে।

বসুন্ধরায় মোট ২০ বিঘা জমির ওপর প্রায় ১৩ লাখ বর্গফুট আয়তনবিশিষ্ট, অত্যাধুনিক যাবতীয় সুবিধাসংবলিত, দৃষ্টিনন্দন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসটি প্রতিষ্ঠিত। তাদের লক্ষ্য আরও বৃহৎ পরিসরে সব আউটডোর সুবিধাদিসহ একটি দৃষ্টিনন্দন আবাসিক ক্যাম্পাসটি প্রতিষ্ঠা করা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর পূর্বাচল রাজউক মডেল টাউনের পাশে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ২৫০ বিঘা জমি ক্রয় করে সম্প্রসারিত আবাসিক সুবিধাসহ ক্যাম্পাসের কাজ এগিয়ে চলেছে।

এ ইউনিভার্সিটির বর্তমান ক্যাম্পাসে রয়েছে প্রায় ১ হাজার ২০০ আসনবিশিষ্ট অত্যাধুনিক ও মনোমুগ্ধকর একটি অডিটোরিয়াম। অন্যান্য বিভিন্ন সুবিধাদির মধ্যে রয়েছে ছাত্রছাত্রীদের জন্য আলাদা লাউঞ্জ, রিক্রিয়েশন সেন্টার, জিম, হেলথ ক্লাব, আউটডোর মাঠ ইত্যাদিসহ ইনডোর গেমসের সুযোগ-সুবিধা।

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে রয়েছে জঋওউ সিকিউরিটি সিস্টেম, যার মাধ্যমে ছাত্র-শিক্ষকসহ সব ব্যক্তির উপস্থিতি মনিটর করা হয়ে থাকে। ঈঈঞঠ ক্যামেরা সিসটেম ব্যবহারের ফলে ভর্তি পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে এবং ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতি বেড়েছে। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় তার ছাত্রছাত্রীদের জন্য নিয়মিত কেরিয়ার/জব ফেয়ারের আয়োজন করে থাকে, যেখানে দেশের প্রথম সারির প্রতিষ্ঠানগুলো, বহুজাতিক কোম্পানি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা সরাসরি চাকরির প্রস্তাব পেয়ে থাকে যা বাংলাদেশে বিরল।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃত ও স্বনামধন্য নর্থ আমেরিকান ইউনিভার্সিটিগুলোর একাডেমিক কারিকুলামের শিক্ষা কার্যক্রম অনুসরণ করে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির একাডেমিক কারিকুলাম পরিচালিত হচ্ছে। নর্থ আমেরিকাসহ অন্যান্য দেশের স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ ও স্কলারদের নিয়ে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি ৯ সদস্যবিশিষ্ট ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। প্রতি বছর ওই বোর্ডের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কারিকুলাম পর্যালোচনা এবং আপডেট করা হয়। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ১৫ বিদেশিসহ প্রায় ১১০০ শিক্ষক শিক্ষকতা করছেন। তন্মধ্যে সিনথিয়া ম্যাককিনি, যিনি একজন প্রাক্তন ইউএস কংগ্রেস ওম্যান। বিগত ২৭ বছরে নিয়মিত সমাবর্তনে ডিগ্রিপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ হাজার অ্যালামনাই বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় যেমন- হার্ভার্ড, স্ট্যানফোর্ড, অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজ ইত্যাদি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে। বহুজাতিক কোম্পানি যেমন নাসা, গুগল, মাইক্রোসফট, বিশ্বব্যাংক ইত্যাদি সংস্থায় উচ্চতর পদে চাকরিরত।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে যেমন মেধাবী ছাত্রের আধিক্য তেমনি এখানে শিক্ষিত, সচেতন ও সামর্থ্যবানদের সন্তানরাও পড়াশোনা করে। ফলে, নর্থ সাউথ যেমন একদিকে মেধা পাচার রোধে কাজ করে, তেমনি মেধাবী এবং সচেতন ও সামর্থ্যবানদের সন্তানদের দেশে রেখেই আন্তর্জাতিক মানের পড়াশোনায় আগ্রহী ও ব্যাপৃত করার মাধ্যমে দেশের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শিক্ষা শেষে এসব গ্রাজুয়েট দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে।

পাশাপাশি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির আয়ের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যয় করে থাকে মেধাবী ও গরিব ছাত্র এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের বৃত্তি প্রদান-টিউশন ফি মওকুফের জন্য। ইউনিভার্সিটির যাত্রা শুরু থেকে এ পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান ও টিউশন ফি মওকুফ খাতে ব্যয় হয়েছে সর্বমোট প্রায় ১০৩ কোটি টাকা। গত বছর ৪ হাজার ৩৭০ ছাত্রছাত্রী, ২৫ শতাংশ থেকে শুরু করে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ছাত্রবৃত্তি তথা টিউশন ফি মওকুফ সুবিধা পেয়েছে এবং বর্তমানে ১ হাজার ৪৫৯ জন এ সুবিধা পাচ্ছে যার মধ্যে রয়েছে ২২৮ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ২০১০ সাল থেকে অদ্যাবধি ১ হাজার ৬২ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ প্রদান করেছে যা বেসরকারি খাতে একটি দৃষ্টান্ত।

উল্লেখ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে এ পর্যন্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন ধরনের অনেক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ওয়ার্কশপ, ক্যারিয়ার ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে সদাশয় সরকারের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়গণ, সম্মানিত সংসদ সদস্যবৃন্দ ও বিভিন্ন প্রধান বৈদেশিক দূতাবাসপ্রধান ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান স্কলার, শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞসহ দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করে আসছেন।

‘প্রথম অবস্থানে থেকেও আমরা তৃপ্ত নই’

বেনজীর আহ্মেদ, চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়

* নতুন দায়িত্ব পেয়ে কী ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন?

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ২৮ বছরে অনেক এগিয়েছে। তাতে সার্থকতা ব্যর্থতা দুটোই রয়েছে। বাংলাদেশে এটি প্রথম অবস্থানে রয়েছে- তাতেই আমরা তৃপ্ত নই, আমরা চেষ্টা করছি এই প্রতিষ্ঠানটিকে এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় নিয়ে যেতে। আমরা শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিকমানের শিক্ষা দিয়ে বিশ্বনাগরিক তৈরিতে মডেল হয়ে থাকতে চাই- যারা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবে। আমাদের যুবসমাজকে কাজে লাগাতে হলে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা দেয়া জরুরি। আমরা শুধু পুঁথিগত বিদ্যায়ই শিক্ষিত করতে চাই না, আমরা চাই আমাদের যুবসমাজ অন্যান্য সহযোগী শিক্ষা কর্মসূচিগুলোর সঙ্গে গবেষণাকর্মের সমন্বয় ঘটিয়ে প্রকৃত শিক্ষিত জনগোষ্ঠী উপহার দিতে।

* দেশের বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে বিশেষ কোর্স চুক্তির বিষয়ে কিছু বলুন।

** আমরা ইতিমধ্যে বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যামব্রিজ, ম্যারিল্যান্ড, জন্স হপকিন্স-এর সঙ্গে গবেষণা কর্ম বিষয়ে চুক্তি সম্পাদন করে কাজ করছি। এমনকি নাসার মতো একটি আন্তর্জাতিকমানের উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও আমাদের গবেষণাকর্ম লেনদেন হচ্ছে। উচ্চমানের আন্তর্জাতিক শিক্ষা নিয়ে আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এগিয়ে যান, এটাই আমরা চাই। এ খাতে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের পক্ষ থেকে যে কোনো সহযোগিতার দরজা খোলা রেখেছি।

* আন্তর্জাতিকীকরণের ক্ষেত্রে শিক্ষা কারিকুলাম নির্ধারণ করা একটা বড় বিষয়। এ বিষয়ে...

** ১৯৯২ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয় শুরু করার সময় ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়স আরবানা শেমপেইন-এর কাছ থেকে আমরা কারিকুলাম তৈরি করেছিলাম। তারা আমাদের সেমিস্টার এবং ক্রেডিট বেইজড ৪ বছরের কারিকুলাম দিয়েছিলেন। প্রতি বছরই আমাদের কারিকুলাম আপডেইট করা হচ্ছে। আমাদের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি বোর্ড আছে- যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। এই বোর্ডের পরামর্শ নিয়েই কারিকুলাম আপডেইট করা হয়।

* এক্ষেত্রে তো নতুন নতুন বিষয় কোর্সে বা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করতে হয়।

** হ্যাঁ, যখনই কোন ইস্যু ইন্টারন্যাশনালি অ্যারাইজ করে সে সময়ই আমরা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে কারিকুলামে ইন্ট্রডিউস এবং ইনক্লুড করার চেষ্টা করি। শুধু নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্তই নয়, এ বিষয়গুলোর জন্য যোগ্যতম শিক্ষককে আমরা নিয়োগ দিয়ে থাকি।

* নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে তো বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।

** তাদের বিধিমালা অনুযায়ীই আমরা এগুচ্ছি।

* কারও কারও অভিযোগ থাকে এখানে কিছুটা সময়ক্ষেপণ হয়।

** এ ক্ষেত্রে আমার একটা পর্যবেক্ষণ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন তৈরি হয়েছিল ৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য। তখন তাদের যে লোকবল ছিল, সেই লোকবল দিয়ে আজকের ত্রিশোর্ধ্ব পাবলিক এবং ১০৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেখভাল হচ্ছে। এ কারণেই হয়তো এ সময়ক্ষেপণ হতে পারে। আমরা সরকারের কাছে প্রস্তাব রেখেছি ইউজিসির লোকবল বাড়ানোর জন্য।

* নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অবকাঠামোগত সুবিধা সম্পর্কে কিছু বলুন।

** আমাদের বর্তমান ক্যাম্পাস বিশ্বমানের। আমাদের এখানে নিজস্ব পাওয়ার প্ল্যান্ট রয়েছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞ শিক্ষকরা তো রয়েছেনই। তাদের পড়াশোনার পাশাপাশি কো-কারিকুলার এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাকটিভিটিজের জন্য ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, কালচারাল ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাবসহ নানা ক্লাব রয়েছে। সুবিশাল অটোমেটেড লাইব্রেরি রয়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য। তাদের জন্য অনেক বড় ক্যাফেটারিয়া রয়েছে। বর্তমানে আমাদের প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষার্থী আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আমরা এটিকে আরও আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ নিয়েছি। অ্যাকমোডেশন সমস্যা কিছুটি রয়েছে বলে আরও ৫৪ হাজার বর্গফুটের ফ্লোর করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পূর্বাচলে আমরা ২৫০ বিঘা জমি নিয়েছি। সেখানে আমরা রেসিডেনশিয়াল ক্যাম্পাস করব। বিদেশের ছেলেমেয়েরা সুশিক্ষার জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছে, আরও আসবে। বিশেষ করে এশিয়ান কান্ট্রির ছেলেমেয়েরা আমাদের এখানে আসতে উদ্বুদ্ধ হবে বেশি। সেই আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার জন্য সেভাবেই পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেখানে আবাসিক যত সুবিধা দেয়া যায়, আমরা তা দেয়ার চেষ্টা করব। আমরা আলাদা আলাদা বিষয়ভিত্তিক ও প্রশাসনিক ভবন করার পরিকল্পনা করছি। এ জন্য স্ট্যান্ডার্ডের ক্ষেত্রে আমরা হার্ভার্ড, অক্সফোর্ডের মতো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে মডেল হিসেবে সামনে রেখে কাজ করছি।

* বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা প্রসারের ক্ষেত্রে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির গুরুত্ব সম্পর্কে আপনার মতামত জানতে চাই।

** এ পর্যন্ত আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩০ হাজার শিক্ষার্থী কনভোকেশন করে বেরিয়ে গেছে। আপনি শুনলে অবাক হবেন, আমাদের কোনো কনভোকেশন বকেয়া নেই। এ বিষয়ে আমরাই শতভাগ আপডেইট আছি। আমরা যদি সময়মতো এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা না করতাম, তাহলে উচ্চ শিক্ষার জন্য অনেক টাকা বিদেশে চলে যেত। এ পর্যন্ত যারা বের হয়েছে, তারা প্রত্যেকেই ক্যারিয়ারে প্রতিষ্ঠিত। তারা দেশ-বিদেশে ভালো ভালো চাকরি করছে। আমরা আমাদের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমাদের গ্রাজুয়েটদের অগ্রাধিকার দিচ্ছি। পাশাপাশি প্রাইভেট সেক্টরের ব্যাংক, বীমা থেকে শুরু করে ফোন কোম্পানিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির গ্রাজুয়েটদের বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানের উচ্চ মানসম্পন্ন শিক্ষার কারণেই এ অগ্রাধিকার তারা পাচ্ছে।

* আপনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। আপনার জীবনদর্শনের কোন দিকটি শিক্ষার্থীরা অনুসরণ করবে?

** আসলে আমার জীবনের দর্শন শিক্ষার্থীরা অনুসরণ করুক, এটা বলার সাহস আমার নেই। কারণ আমি অত বড় ব্যক্তি নই। তবে একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি বলতে পারি, আমরা অনুন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত হয়েছি। সারা বিশ্বে এ দেশকে নিয়ে গর্ব করার মতো অবস্থান আমাদের তৈরি হয়েছে। আজকের এই অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীরা তাদের দায়িত্ব পালন করুক, এটাই আমি চাই। তাতেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে বলে আমি মনে করি।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×