নবম দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা

বাংলা দ্বিতীয়পত্র * হিসাববিজ্ঞান

বাংলা দ্বিতীয়পত্র

  উজ্জ্বল কুমার সাহা ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রভাষক, সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মোহাম্মদপুর, ঢাকা

১. কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দ?

ক. সূর্য খ. সুনাম গ. জবান √ঘ. জ্যোছনা

২. বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক কী?

√ক. শব্দ খ. বর্ণ গ. ধ্বনি ঘ. চিহ্ন

৩. নিচের কোন শব্দে ‘অ’ ধ্বনি সংবৃত উচ্চারণ হয়েছে?

ক. তৃণ খ. মৌন √গ. অতি ঘ. অমানিশা

৪. কোনটি মধ্যস্বরাগম বা বিপ্রকর্ষের উদাহরণ?

√ক. স্বপ্ন>স্বপন খ. সত্য>সইত্য

গ. বিলাত>বিলিতি ঘ. ধপধপ>ধপাধপ

৫. কোনটি স্বভাবতই ‘ণ’ এর উদাহরণ?

√ক. লাবণ্য খ. হরিণ গ. ঋণ ঘ. রামায়ণ

৬. কোন শব্দের বানানে স্বভাবতই ‘ষ’ হয়?

ক. তৃষ্ণা √খ. দ্বেষ গ. দৃষ্টি ঘ. বর্ষণ

৭. দিগন্ত শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?

ক. দিগ+অন্ত √খ. দিক্+অন্ত

গ. দিক+অন্ত ঘ. দিগ্+অন্ত

৮. শেষে পুরুষ বা স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করে লিঙ্গান্তর করা যায় কোনটিতে?

ক. অজ খ. খোকা গ. শিল্পী √ঘ. বোন

৯. আধিক্য অর্থে দ্বিরুক্ত হয়েছে কোনটিতে?

ক. জ্বর জ্বর খ. শীত শীত

√গ. ধামা ধামা ঘ. টক টক

১০. কোন বাক্যে ক্রিয়াবাচক শব্দের দ্বিরুক্তরূপে ব্যবহার হয়েছে?

ক. বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর

খ. শিশুটি ধীরে ধীরে যায়

√গ. ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি

ঘ. চিকমিক করে বালি

১১. কোন বহুবচনবোধক শব্দগুলো কেবল অপ্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত হয়?

ক. কুল, সমূহ, বৃন্দ খ. বর্গ, বৃন্দ, মালা

গ. কুল, নিচয়, সকল √ঘ. আবলি, পুঞ্জ, রাশি

১২. “এ এক বিরাট সত্য”- এখানে ‘সত্য’ কোন পদরূপে ব্যবহৃত হয়েছে?

√ক. বিশেষ্য খ. বিশেষণ গ. অব্যয় ঘ. বিশেষণের বিশেষণ

১৩. ‘নদী ও পর্বত’ কোন ধরনের বিশেষ্য পদ?

ক. সংজ্ঞাবাচক √খ. জাতিবাচক

গ. বস্তুবাচক ঘ. সমষ্টিবাচক

১৪. দার্শনিক সত্য প্রকাশে ‘ইলে’ বিভক্তিযুক্ত অসমাপিকা ক্রিয়ার ব্যবহার হয়েছে কোন বাক্যটিতে?

ক. বৃষ্টিতে ভিজলে সর্দি হবে খ. একবার মরলে কি কেউ করে

গ. দুইটা বাজলে স্কুল ছুটি হবে

√ঘ. জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে

১৫. যৌগিক ক্রিয়ার গঠনে ‘যা’ ধাতুর ব্যবহারে ‘চা জুড়িয়ে যাচ্ছে’ কোন অর্থের উদাহরণ?

√ক. ক্রমশ খ. সমাপ্তি গ. অবিরাম ঘ. সম্ভাবনা

১৬. কোন সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না?

√ক. অলুক খ. নিত্য গ. প্রাদি ঘ. উপপদ

১৭. ‘প্রতিনিধি’ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের সমস্যমাপদ কোনটি?

ক. প্রত্যুত্তর √খ. প্রতিচ্ছবি গ. প্রতিবাদ ঘ. প্রতিপক্ষ

১৮. মৌলিক ধাতুর অপর নাম কী?

√ক. সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতু খ. ণিজন্ত ধাতু

গ. নাম ধাতু ঘ. প্রযোজক ধাতু

১৯. মৌলিক ধাতুর সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে কোন ধাতু গঠিত হয়?

ক. সংযোগমূলক ধাতু খ. বিদেশি ধাতু

গ. তৎসম ধাতু ঘ. সাধিত ধাতু

২০. অর্থহীনভাবে প্রত্যয়যুক্ত শব্দ কোনটি?

ক. মিঠাই খ. লোনা √গ. লেজুড় ঘ. সাপুড়ে

২১. কোনটি পুরাঘটিত অতীত কালের উদাহরণ?

√ক. সেবার তাকে সুস্থই দেখেছিলাম

খ. কাল সন্ধ্যায় বৃষ্টি পড়ছিল

গ. এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি ঘ. কে জানতে আমার ভাগ্য এমন হবে

২২. “ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন”-কোন অর্থে অনুজ্ঞার ব্যবহার হয়েছে?

ক. আদেশ খ. উপদেশ

√গ. প্রার্থনা ঘ. অনুরোধ

২৩. ছিটা, শিখা, ঝিমা, চিরা ধাতুগুলো কোন আদিগণভুক্ত?

ক. ঘুরা খ. নি গ. লাফা √ঘ. ফিরা

২৪. “কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়”-‘কান্নায়’ কোন কারক?

ক. অপাদান কারক খ. কালাধিকরণ

√গ. ভাবাধিকরণ ঘ. আধারাধিকরণ

২৫. “বিনা স্বদেশি ভাষা মিটে কি আশা?”-এ বাক্যে ‘বিনা’ অনুসর্গটি কী অর্থ প্রকাশ করছে?

ক. সঙ্গে খ. প্রয়োজন

গ. নিমিত্তে √ঘ. ব্যতিরেকে

২৬. “এদেশের মাঝে একদিন সব ছিল”-এ বাক্যে ‘মাঝে’ অনুসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

ক. একদেশিক/ঐকদেশিক খ. মধ্যে অর্থে

গ. ব্যাপ্তি অর্থে ঘ. নিমিত্ত অর্থে

২৭. আকাঙ্ক্ষার ভাব কোনটি?

ক. স্বাস্থ্যের প্রতি লক্ষ রেখো খ. মানুষ হও

গ. তুমি আসবে

√ঘ. বাংলাদেশ চিরজীবী হউক

২৮. ‘শাপেবর’ বাগধারাটির দ্বারা কী অর্থ বোঝায়?

ক. উভয় সংকট খ. চির অশান্তি

√গ. অনিষ্টের ইষ্ট লাভ ঘ. দুঃসাধ্য বস্তু

হিসাববিজ্ঞান

এইচ. এম. মতিউর রহমান

সহকারী শিক্ষক, পটুয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পটুয়াখালী।

অধ্যায় - পঞ্চম

১. প্রতিটি খাতের ক্রমাগত পরিবর্তন ও নিট পরিমাণ জানার জন্য প্রস্তুত করা হয়- হিসাব।

২. হিসাব হচ্ছে- একটি ছক বা বিবরণী।

৩. হিসাবের ছক- দুই ধরনের।

৪. সম্পদ, দায়, আয় ও ব্যয় প্রভৃতি খাতের জন্য থাকে- পৃথক ছক।

৫. ডেবিট ও ক্রেডিট কলাম পাশাপাশি অবস্থিত- চলমান জের ছক।

৬. ডেবিট ও ক্রেডিট দুই অংশে বিভক্ত থাকে - হিসাবের T ছক।

৭. T ছকের মাধ্যমে উদ্বৃত্ত নির্ণয় করতে হয়- নির্দিষ্ট সময় পর।

৮. চলমান জের ছকে টাকার কলাম- ৪টি।

৯. T ছকে মোট ঘর থাকে- ৮টি।

১০. লেনদেনে লিপিবদ্ধের পরেই উদ্বৃত্ত নির্ণীত হয় - চলমান জের ছকে।

১১. হিসাবের শ্রেণি বিভাগ নির্ণয়ে প্রয়োজন-- হিসাব সমীকরণ বিশ্লেষণ।

১২. হিসাব সমীকরণের বর্ধিত রূপ অনুযায়ী হিসাব -- পাঁচ প্রকার।

১৩. ভূমি, দালানকোঠা, বিনিয়োগ, সুনাম ইত্যাদি -- ব্যবসায়ের সম্পদ।

১৪. মালিকানা স্বত্ব হিসাব হল-- মূলধন ও উত্তোলন হিসাব।

১৫. পাওনাদার, ঋণ, বকেয়া খরচ ইত্যাদি হল-- দায়বাচক হিসাব।

১৬. ক্রয়, বেতন, ভাড়া, মনিহারি, পরিবহন ইত্যাদি হল-- ব্যয় বাচক হিসাব।

১৭. কাগজ, কলম, পেন্সিল, পিন, ক্লিপ ইত্যাদি ক্রয় লিপিবদ্ধ হয়-- মনিহারি হিসাবে।

১৮. বিক্রয়, প্রাপ্তসুদ, প্রাপ্ত ভাড়া, প্রাপ্ত বাট্টা ইত্যাদি আয়বাচক হিসাব।

১৯. অগ্রিম প্রাপ্ত আয়কে গণ্য করা হয়- অনুপার্জিত আয় হিসাবে।

২০. ঘড়ি, স্টাপলার, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি- অফিস সাপ্লাইজ হিসাব।

২১. মালিকের দাবি বা পাওনা নির্দেশ করে- মূলধন হিসাব।

২২. বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কিছু ক্রয় করলে লিপিবদ্ধ করা হয়- ক্রয় হিসাবে।

২৩. নির্দিষ্ট হিসাবকাল শেষে ক্রয়কৃত পণ্যের অবিক্রিত অংশ- মজুদ পণ্য।

২৪. পোস্টার, প্রচারণা, বিনামূল্যে পণ্য বিতরণ প্রভৃতি- বিজ্ঞাপন হিসাব।

২৫. দেনাদার থেকে পাওনা টাকা দ্রুত আদায়ের জন্য অর্থ ছাড় দেয়াকে বলে- প্রদত্ত বাট্টা।

২৬. পাওনাদারকে দেনা পরিশোধের সময় অর্থ ছাড় পাওয়াকে বলে- প্রাপ্ত বাট্টা।

২৭. কম্পিউটার, এসি, ফটোকপি, মেশিন, প্রিন্টার ইত্যাদি- অফিস সরঞ্জাম।

২৮. ব্যবহারজনিত কারণে স্থায়ী সম্পদের মূল্য হ্রাস হচ্ছে- অবচয়।

২৯. সুবিধা পাওয়ার পূর্বেই মূল্য পরিশোধ করা হলে হয়- অগ্রিম খরচ হিসাব।

৩০. যে দ্রব্যের মূল্য অপেক্ষাকৃত কম কিন্তু ব্যবহার উপযোগিতা দীর্ঘ তা- অফিস সাপ্লাইজ হিসাব।

৩১. হিসাব প্রস্তুত করতে অপরিহার্য- ডেবিট-ক্রেডিট নির্ধারণ।

৩২. ডেবিট শব্দের অর্থ বাম এবং ক্রেডিট শব্দের অর্থ ডান।

৩৩. হিসাবের বামদিক ডেবিট এবং ডানদিক ক্রেডিট যা- হিসাব বিজ্ঞানের রীতি।

৩৪. প্রতিটি হিসাবের ডেবিট দিক প্রভাবিত হলে- আরেকটি ক্রেডিট দিক প্রভাবিত হয়।

৩৫. মূলধন আনয়ন ও আয় অর্জিত হলে বৃদ্ধি পায় - মালিকানা স্বত্ব।

৩৬. মালিকানা স্বত্ব হ্রাস পায়- মালিকের উত্তোলন ও ব্যয় সংঘটিত হলে।

৩৭. সম্পদ ও ব্যয় বৃদ্ধি পেলে- ডেবিট হয়।

৩৮. সম্পদ ও ব্যয় হ্রাস পেলে- ক্রেডিট হয়।

৩৯. দায়, মালিকানা স্বত্ব ও আয় হ্রাস পেলে হয়- ডেবিট।

৪০. দায়, মালিকানাস্বত্ব ও আয় বৃদ্ধি পেলে হয়- ক্রেডিট।

৪১. মুনাফা জাতীয় হলেও নির্দিষ্ট হিসাব বছরে সীমাবদ্ধ থাকে না- বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়।

৪২. মুনাফা জাতীয় হলেও একাধিক বছরে সুবিধা পাওয়া যায়- বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়।

৪৩. বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়- মূলধন ও মুনাফা জাতীয় ব্যয়ের সংমিশ্রণ।

৪৪. বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়ের চলতি অংশ- মুনাফা জাতীয়।

৪৫. বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়ের চলতি হিসাবকালের অংশ বাদে অবশিষ্ট অংশ- সাময়িক সময়ের জন্য মূলধন জাতীয় ব্যয়।

৪৬. বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয় একাধিক হিসাবকালে বিভক্ত করা হয়- একাধিক বছর সুবিধা দেয় বলে।

৪৭. নতুন পণ্য তৈরির গবেষণা ও পরীক্ষা ব্যয় হচ্ছে- বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়।

৪৮. বিজ্ঞাপন বাবদ বড় অঙ্কের ব্যয়- বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়।

৪৯. ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর ব্যয়- বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়।

৫০. প্রতিষ্ঠান গঠনের প্রাথমিক ব্যয়- বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়।

৫১. মূলধন জাতীয় আয় ব্যয় থেকে জানা যায়- প্রকৃত লাভ-ক্ষতি।

৫২. মূলধন জাতীয় ও ব্যয় থেকে জানা যায়- প্রকৃত সম্পদ, দায় ও মালিকানা স্বত্ব।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×