প্রিয় ক্যাম্পাস : গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

বিশ্বমানের শিক্ষার্থীবান্ধব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান

  সেলিম কামাল ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। শুরুটা ২০০৩ সালে হলেও অগ্রযাত্রা মূলত ২০১১ থেকে। একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়- যারা প্রত্যক্ষভাবে তাদের গ্রাজুয়েটদের কর্মক্ষেত্র নির্ধারণে সহায়তা করছে। ইউএস-বাংলা গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সিজিপিএ (৩.৫০) ও ইংরেজিতে দক্ষ হলে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসহ গ্রুপটির ১০টি প্রতিষ্ঠানে নিশ্চিতভিত্তিতে চাকরি পাচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির গ্রাজুয়েটরা। শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনের গ্রিনের আরও একটি বড় উদ্যোগ হল- প্রফেশনাল লাইফ স্কিল ডেভেলপমেন্ট (পিএলএসডি) কোর্স। যার মূল উদ্দেশ্যই শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনে সহায়তা করা। পাশাপাশি ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট’ ক্লাসের মাধ্যমে গ্রাজুয়েটদের চাকরি পাওয়ার হতাশাও দূর হয় এই কোর্সের মাধ্যমে। এর বাইরেও গ্রাজুয়েটদের চাকরি সুবিধা দিতে গড়ে তোলা হয়েছে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিসিডি)। যে সেন্টারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি কর্মক্ষেত্রে আবেদনের মাধ্যমে কাক্সিক্ষত চাকরি বেছে নিতে পারছেন গ্রিনের শিক্ষার্থীরা।

যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে সদা সচেষ্ট গ্রিন বিশ্ববিদ্যালয়। এ ক্ষেত্রে ফার্স্টক্লাসধারী লিখিত, প্রেজেন্টেশন ও ভাইভা পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হয়। শুধু তাই নয়, নিয়োগদানের পর তাদের (শিক্ষক) শিক্ষাদান দক্ষতা বৃদ্ধিতে সেমিস্টারজুড়ে (চার মাস) প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। যে ধারা গ্রিন ইউনিভার্সিটি ছাড়া মাত্র দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু রয়েছে। গ্রিন ইউনিভার্সিটির পাঠদান করা প্রবীণ শিক্ষকরাও তুলনামূলক অধিক যোগ্য ও অভিজ্ঞ। প্রশিক্ষণ জগতের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির বর্তমানে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করছেন। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সাবেক এই উপ-উপাচার্য দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের এসআইটি গ্রাজুয়েট ইন্সটিটিউটে ‘ভিজিটিং প্রফেসর’ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ঢাকার পূর্বাচল আমেরিকান সিটিতে নান্দনিক পরিবেশে স্থায়ী ক্যাম্পাস গড়ে তুলেছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। যার শিক্ষা কার্যক্রম ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। চলছে ভর্তি কার্যক্রম, নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা গ্রহণসহ অন্যান্য কর্মকাণ্ড। কর্তৃপক্ষ জানান, কোয়ালিটি এডুকেশনের সঙ্গে উন্নত ভৌত অবকাঠামো সুবিধা নিশ্চিত করতেই গড়ে তোলা হয়েছে গ্রিন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস। শুধু তাই নয়, জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধারদের অধিক যোগ্য করে তুলতে শিক্ষা সংক্রান্ত সব উপকরণই এখানে আছে।

জাপানি ভাষায় দক্ষতার আন্তর্জাতিক পরীক্ষা ‘নাট টেস্ট’ বাংলাদেশে একমাত্র গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়। আগে এই পরীক্ষা দিতে শিক্ষার্থীদের নেপাল যেতে হতো। এছাড়া তারা অর্জন করেছে বিশ্বের বিখ্যাত ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্ট ও অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটিজ ইন এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিকের সদস্য পদ।

সম্প্রতি নতুন অর্জন যোগ হয়েছে। অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী, মানসম্মত ল্যাব, লাইব্রেরি ও শ্রেণিকক্ষ পরিচালনার স্বীকৃতিস্বরূপ ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) কর্তৃক অ্যাক্রেডিটেশন পেল গ্রিন ইউনিভার্সিটির ‘কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই)’ ও ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগ। বাংলাদেশে যতগুলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে; এর মধ্যে মাত্র কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আইইবি স্বীকৃতির আওতাভুক্ত।

গ্রিন ইউনিভার্সিটির কার্যক্রম বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ছাত্র-শিক্ষক বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব রেজিনা, যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব হাডারস্ফিল্ড, চীনের বেইজিং ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কালচারাল ইউনিভার্সিটি (বিএলসিইউ), উহান টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটি ও মালয়েশিয়ার বাইনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্কলারশিপে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটিতে আইইএলটিএস, চাইনিজ এবং জাপানিজ ভাষার ওপর বিশেষ সার্টিফিকেট কোর্স রয়েছে; যেটা সম্পন্ন করে সহজেই এখানকার ছাত্রছাত্রীরা বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে চারটি অনুষদ ও ৮টি বিভাগ রয়েছে। পরিচালিত হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যবসায় শিক্ষা, আইন, ইংরেজি ও সমাজবিজ্ঞানসহ উচ্চতর শিক্ষাবিষয়ক ১৫টি কোর্স। প্রতিবেদনের তথ্যমতে, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ২৫০ জন শিক্ষক পাঠদান করছেন। যেখানে অধ্যাপক ১২ জন, সহযোগী অধ্যাপক ৯ জন, সহকারী অধ্যাপক ২৭ জন এবং ১১৩ জন লেকচারারসহ বেশ কিছু খণ্ডকালীন শিক্ষক রয়েছেন। সে হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে একজন শিক্ষকের বিপরীতে মাত্র ২৪ জন ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করছেন। যে সূচক দেশের অন্য অনেক বিশ্ববিদ্যায়ের চেয়ে এগিয়ে। রয়েছে সুবিশাল গ্রন্থাগার।

মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ১০০% পর্যন্ত স্কলারশীপের সুবিধা রেখেছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, উপজাতি, ছাত্রী, ভাইবোন এবং স্বামী-স্ত্রী ভর্তি হলে রয়েছে বিশেষ ওয়েভার।

গ্রাজুয়েটদের সামাজিক দায়িত্ববোধসম্পন্ন হতে হবে

অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির, উপাচার্য, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

* আপনার দৃষ্টিতে গ্রিন ইউনিভার্সিটির বিশেষত্ব কী?

** শুরুর দিকে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অনেক সমস্যাসঙ্কুল সময় অতিক্রম করেছে। ২০১১ সালে ইউএস বাংলা গ্রুপ যখন এটির দায়িত্ব গ্রহণ করে, তখন থেকে এটি আর পেছন ফিরে তাকায়নি। আমি এখানে যোগ দেই ২০১৩ সালের মে মাসে। আমি আসার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকল্পে, বিশেষত্ব আনতে বেশ কিছু বিষয়ের পরিবর্তন এনেছি। শুরুতেই আমরা টিচিং লার্নিংটাকে একটা ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় নিয়ে এসেছি। এখানে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের সত্যিকার অর্থে ভবিষ্যৎ উন্নত প্রজন্ম হিসেবে গড়ে তুলতে যাবতীয় কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা একাডেমিক্যালি কমপিট্যান্ট হোক। যে বিষয়েই তারা পড়ুক না কেন, ওই বিষয়ে তাদেরকে দক্ষতা অর্জনে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করি। আবার একইসময়ে আমরা বিশ্বাস করি তাদেরকে শুধু একাডেমিক্যালি কমপিট্যান্ট হলে চলবে না, তাদেরকে অবশ্যই নৈতিক মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন হতে হবে। তৃতীয়ত তাদেরকে অবশ্যই সামাজিক দায়িত্ববোধসম্পন্ন নাগরিক হতে হবে। দেশকে তথা বিশ্বকে যেন তারা কিছু দিতে পারে, সেই মান তাদেরকে অর্জন করতে হবে। তাহলেই তারা পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আমরা মনে করি।

* এই বিষয়গুলোকে সমন্বয় করার পদ্ধতিটা কেমন?

** প্রথমত একাডেমিক্যালি কমপিট্যান্ট হওয়ার জন্য আমরা প্রতিটি ডিপার্টমেন্টে শিক্ষার্থীদের জন্য একটা কমপিট্যান্সি প্রফাইল তৈরি করে দিয়েছি, যা তারা অর্জন করবে। প্রতি সেমিস্টারে শিক্ষার্থীদের ভালো পারফরমেন্সে উদ্বুদ্ধ করার জন্য আমরা ভিসি সার্টিফিকেট এবং ডিন সার্টিফিকেট ইন্ট্রডিউস করেছি। যারা সিজিপিএ ৩.৫ বা তার বেশি তাদেরকে এক বছরের ‘গিফ্ট’ (green university initiative for future transformer) প্রজেক্টের আওতায় নিয়ে আসি। এটা হচ্ছে সাতটি মডিউলের ওপর একটা ট্রেনিং প্রোগ্রাম। শেষে একটা সোশ্যাল প্রজেক্ট তাদের করতে হয়, এটিকে বলা হয় ড্রিম প্রজেক্ট। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট মেনটরশিপ প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। এই প্রোগ্রামের আওতায় মেনটাররা (সিনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বেছে নেয়া) জুনিয়রদের নানা একাডেমিক সমস্যার সমাধান করে থাকে। স্টুডেন্ট মেনটাররা এ জন্য সম্মানীও পেয়ে থাকে।

* শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বিষয়ে কোনো মনিটরিং আছে কি-না?

** হ্যাঁ, ক্লাসে কোয়ালিটি টিচিং হচ্ছে কি-না, এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা আমাদের ফ্যাকাল্টিদের ইভালুয়েট করে। তাদের ইভালুয়েশন রিপোর্ট সরাসরি ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যানের কাছে চলে যায়। এভাবে প্রতিটি কোর্সে ফ্যাকাল্টিদের ইভালুয়েশন হয়। এ থেকেও শিক্ষার্থীরা অনেক উপকৃত হয়ে থাকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল আমাদের এখানে ফ্যাকাল্টি যারা জয়েন করেন, তাদেরকে একটা সার্টিফিকেট কোর্স করতে হয়। এ সার্টিফিকেট না পেলে তার চাকরি স্থায়ী করা হয় না। প্রমোশন হয় না। এছাড়া আমাদের রয়েছে সেন্টার ফর এক্সিলেন্ট টিচিং অ্যান্ড লার্নিং। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চার দিনের একটা ইনসেনটিভ ট্রেইনিং কোর্স করান হয়। এরপর তারা ক্লাসে পাঠদান করেন ঠিকই কিন্তু প্রতি সপ্তাহে একদিন ৩ ঘণ্টার জন্য তাদের এ কোর্সে উপস্থিত থাকতে হয়। এতে করে কোয়ালিটি টিচিং লার্নিং নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

* কোর্স কারিকুলাম সম্পর্কে কিছু বলুন।

** অন্যান্য ইউনিভার্সিটির মতো আমাদেরও কোর্স কারিকুলাম কমিটি আছে। সিলেবাস তৈরি, কোর্স মড্যুলেশন ইত্যাদির নিশ্চিত করে এই কমিটি।

* নৈতিক দায়িত্ববোধ তৈরির জন্য আপনাদের কী কার্যক্রম রয়েছে?

** আমাদের একটা সোশ্যাল ক্যাপিটাল রয়েছে। শিক্ষার্থীদের আচার-আচরণের বাধ্যবাধকতা নিয়ে ২০টি আচরণবিধি তৈরি করেছি। আমরা যা বিশ্বাস করি, যা আমরা নিজে করব এবং যা অন্যকে করতে উদ্বুদ্ধ করব- এই তিন মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে এই আচরণবিধি তৈরি হয়েছে। প্রতিটি ক্লাসরুমেই এটা টানানো আছে। শিক্ষার্থীরা এই আচরণবিধি মানছে কি-না, এটা মনিটরিংয়ের দায়িত্বেও রয়েছেন শিক্ষকরা।

* সামাজিক দায়িত্ববোধ তৈরির প্রক্রিয়াটা কেমন?

** আমাদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ১৭টি ক্লাব রয়েছে। শিক্ষার্থীদের এগুলোর যে কোনো ক্লাবের সদস্য হতে আমরা উদ্বুদ্ধ করি। প্রতি বছরই ভোটের মাধ্যমে ক্লাবগুলোর নেতা নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিতদের আবার লিডারশিপ ট্রেনিংও দেয়া হয়। এই ক্লাবগুলো সামাজিক সমস্যগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো নিরসনে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়। কাজেই ছাত্রাবস্থাতেই তারা সামাজিক দায়বদ্ধতা সম্পর্কে অনেকটা জ্ঞান পেয়ে যায়। এভাবে আমাদের শিক্ষার্থীরা পূর্ণাঙ্গ মানুষ হয়ে ওঠে।

* আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হওয়া গ্রাজুয়েটদের চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে আপনাদের ভূমিকা কেমন?

** এ বিষয়ে কাজ করার জন্য আমাদের সেন্টার ফর ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট রয়েছে। এদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কোর্সের শেষ দিকে বাধ্যতামূলকভাবে প্রফেশনাল লাইফ স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম করান হয়। আর ইউএস বাংলা গ্রুপের নতুন রিক্রুটমেন্টের সময় হলেই ৩০ শতাংশ আসন রিজার্ভ থাকে গ্রিন ইউনিভার্সিটি থেকে পাস করা গ্রাজুয়েটদের জন্য। এভাবে আমাদের এখান থেকে পাস করে যাওয়া প্রায় ৯০ শতাংশ গ্রাজুয়েট পেশাগত জীবনে প্রবেশ করেছে।

* আন্তর্জাতিকীকরণে আপনাদের সাফল্য কেমন?

** কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমাদের ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশন আছে। এর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি নিয়ে পড়তে যায়। কেউ কেউ গবেষণা করতে যায়। চীনেই ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমাদের কোলাবোরেশন রয়েছে।

* শিক্ষার্থীরা ছাড় পায় কেমন?

** আমাদের এখানে গরিব শিক্ষার্থী ভর্তির হার বেশি। আর এ কারণে ছাড়ের পরিমাণও সবচেয়ে বেশি। প্রতি বছর প্রায় ১০ কোটি টাকা ছাড় এবং বৃত্তি দিতে হয়।

* শিক্ষার্থীদের জন্য আপনার বিশ্বাস সম্পর্কে বলুন।

** দেশ তথা বিশ্বের ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্ভরশীল। তাদের ভেতর যে সম্ভাবনা আছে, তা দিয়েই তারা পার্থক্যটা গড়ে তুলতে পারবে। নিজের ভেতরের সম্ভাবনাকে ফুটিয়ে তুলতে হলে ছাত্রকালীন সময়টাকে অপচয় না করে কাজে লাগাতে হবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×