পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা

ইংরেজি * বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

ইংরেজি

  মো. সিদ্দিকুর রহমান ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সিনিয়র শিক্ষক, প্রগতি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নন্দীপাড়া, ঢাকা

A Firefighter

2. Match the words in column A. With their meanings that is mentioned in the text in column B 1x5=5

Column A Column B

(a) Firefighter (i) A sudden anxiety

(b) panic (ii) To stop something

(c) Volunteer (iii) A person who puts out fire

(d) Train (iv) A person who does some acts willingly

(e) Prevent (v) To teach skills to somebody

Answer:

Firefighter(iii) A person who puts out fire

Panic(i) A sudden anxiety

Volunteer(iv) A person who does some acts willingly

Train(v) To teach skills to somebody

Prevent(ii) To stop something

3. Answer the following questions in sentence (S) 2x5= 10

1. What is Raju?

2. When did he join a volunteer fire department?

3. What is his main job?

4. Hwo long does he work?

5. What does he do in his free time?

Answer:

1. Raju is a firefighter.

2. He joined a volunteer fire department after college

3. His main job is to put out fires.

4. He works as a full time firefighter.

5. He likes to visit schools in his free time.

4. Write a short composition about a firefighter answering the following question. 10

a. What is the name of the firefighters? b. What is his job? c. What does he do in his free time? d. What are the requirements of being a firefighter? e. Hwo is the profession?

A firefighter

Mr. X is a firefighter. After completing College he joined in the Fire Department. His main job is to put our fires. He saves people and protects their houses and property from fire related accident. He also trains young people to become firefighters. During his free time, he visits different schools. He raises awareness about preventing fires. He suggests students about the things to do if there is a fire. He believes that a firefighter should be careful, brave and physically fit. It is a noble profession to saving people from fires.

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

আফরোজা বেগম

সিনিয়র শিক্ষক, উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ

উত্তরা, ঢাকা

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন

প্রশ্ন : অষ্টম শতকে কোন ধর্ম পালিত হতো?

উত্তর : অষ্টম শতক বলতে ৭০১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৮০০ খিস্টাব্দ পর্যন্ত ১০০ বছর সময়কালকে বুঝায়। অষ্টম শতকে বৌদ্ধ ধর্ম পালিত হতো। [সে সময়কালের প্রাচীন নিদর্শন কুমিল্লার ময়নামতি নামক স্থানের বিভিন্ন নিদর্শন ও বৌদ্ধ সভ্যতার নানা নিদর্শন থেকে বৌদ্ধ ধর্ম সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।] তবে এখানে হিন্দু ও জৈন ধর্মের নিদর্শন পাওয়া গেছে।

প্রশ্ন : প্রাচীন নিদর্শনগুলো কারা আবিষ্কার করেন?

উত্তর : প্রাচীন নিদর্শনগুলো নানা কারণে লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যায়। কালের করাল গ্রাসে ঐতিহ্যবাহী জনপদগুলো হয়ে পড়ে জনশূন্য। ব√কাল পর আবার লোকবসতি তথা লোকের আনাগোনা শুরু হয়। নতুনভাবে লোকজন তাদের বসতি স্থাপন করতে গিয়ে কখনও কখনও প্রাচীন মাটি সরে গিয়ে লোকচক্ষুর সামনে চলে আসে প্রাচীন নিদর্শনগুলোর ধ্বংসাবশেষ। আবার কখনও জনগণের আয়োজনে রাস্তা, রেলপথ ইত্যাদি নির্মাণকালে মাটি খুঁড়তে গিয়ে স্থানীয় জনগণের চোখেই সর্বপ্রথম প্রাচীন নিদর্শনগুলোর পরিচয় বা নমুনা ধরাপড়ে। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্ন বিভাগ বা স্থানীয় জনপ্রশাসক যেমন : পুলিশ বা জেলা প্রশাসককে খবর দেয়।

সর্বশেষে] স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বা সরকারের প্রত্নবিভাগের লোকজন প্রাচীন নিদর্শনগুলো আবিষ্কার করে।

প্রশ্ন : ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো কোথায় রাখা হয়?

উত্তর : বাংলাদেশ প্রাচীন সভ্যতার পীঠস্থান। যুগে যুগে কালে কালে অনেক সমৃদ্ধ সভ্যতায় জন্ম হয়েছে এ প্রাচীন জনপদে। কালক্রমে হারিয়ে যাওয়া এসব ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন সভ্যতা বা স্থান থেকে বহু নিদর্শন পাওয়া যায়। এসব নিদর্শন প্রাচীনকালে ঐতিহ্যের পরিচায়ক। তাই ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন এসব নিদর্শনগুলো স্থানীয় প্রত্ন জাদুঘরে বা ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত জাতীয় জাদুঘরে রাখা হয়। দেশ-বিদেশের সব দর্শনার্থীর জন্য এগুলো সেখানে যত্নের সঙ্গে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা হয়।

সুতরাং, ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো স্থানীয় প্রত্ন জাদুঘরে বা বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘরে রাখা হয়।

প্রশ্ন : ঐতিহাসিক স্থানগুলো পরিদর্শনের কারণগুলো লিখ।

উত্তর : প্রাচীনকাল থেকেই বাংলাদেশের বর্তমান ভূখণ্ডে উন্নত সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। তার কিছু কিছু ধ্বংসাবশেষ এখনও বিভিন্ন অঞ্চলে রয়ে গেছে। এগুলোর মধ্যে বগুড়ার মহাস্থানগড়, নওগাঁর পাহাড়পুর, কুমিল্লার ময়নামতিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে। তা ছাড়া নারায়ণগঞ্জের অদূরে সোনারগাঁ ও পানাম নগরী এবং ঢাকার লালবাগের কেল্লা, নরসিংদীর উয়ারী বটেশ্বর, বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ এ দেশে সুলতানি ও মোগল শাসনামলের বহু মূল্যবান নিদর্শন বহন করছে। বাংলাদেশের পুরোটাই যেন প্রত্নতাত্তিক নিদর্শনের এক উন্মুক্ত জাদুঘর। এ দেশের সর্বত্রই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ঐতিহাসিক গুরুত্ববহনকারী নানা নিদর্শন। এসব নিদর্শন আমাদের অতীত সভ্যতা ও সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। আমরা এসব ঐতিহ্যে গৌরববোধ করি। এসব নিদর্শন আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য, ইতিহাস কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে ধারণ, লালন করে। এগুলো আমাদের গর্ব। তাই আমরা পারিবারিকভাবে বা শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে এসব নিদর্শন সম্পর্কে জানব ও এগুলো পরিদর্শন করব। এগুলো পরিদর্শন করলে-

* আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জিত হবে

* জ্ঞান সমৃদ্ধ হবে।

* আমাদের জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বাড়বে।

* অতীতের সংস্কৃতি ও সভ্যতা সম্পর্কে জানা যাবে। সুতরাং, ওপরের কারণে আমরা প্রাচীন নিদর্শনগুলো পরিদর্শন করব ও সেগুলোকে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter