বরেণ্য: সৈয়দ মুজতবা আলী
jugantor
বরেণ্য: সৈয়দ মুজতবা আলী

   

০৬ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলাদেশের অন্যতম ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, অনুবাদক ও রম্যরচয়িতা। তার ভ্রমণকাহিনী বিশেষভাবে জনপ্রিয়। ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর আসামের করিমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সিকান্দার আলী। সৈয়দ মুজতবা আলীর পৈতৃক নিবাস মৌলভীবাজারে। তিনি সিলেট গভর্নমেন্ট হাইস্কুল ও শান্তি নিকেতনে পড়াশোনা করেন। পরে ১৯২৬ সালে বিশ্বভারতী থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। আফগানিস্তানে কাবুলের কৃষি বিজ্ঞান কলেজে অধ্যাপনা দিয়ে তার কর্মজীবন শুরু হয়। ১৯৪৯ সালে বগুড়ার আজিজুল হক কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন। সৈয়দ মুজতবা আলী নিজস্ব এক গদ্যশৈলীর নির্মাতা। বিভিন্ন ভাষায় ব্যুৎপত্তি ও অসাধারণ পাণ্ডিত্যের সংমিশ্রণে তিনি যে গদ্য রচনা করেছেন তা খুবই রসগ্রাহী হয়ে উঠেছে। তার উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো হল : দেশে-বিদেশে, পঞ্চতন্ত্র, চাচা কাহিনী, ময়ূরকণ্ঠী, শবনম ইত্যাদি। তিনি ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

বরেণ্য: সৈয়দ মুজতবা আলী

  
০৬ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলাদেশের অন্যতম ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, অনুবাদক ও রম্যরচয়িতা। তার ভ্রমণকাহিনী বিশেষভাবে জনপ্রিয়। ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর আসামের করিমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সিকান্দার আলী। সৈয়দ মুজতবা আলীর পৈতৃক নিবাস মৌলভীবাজারে। তিনি সিলেট গভর্নমেন্ট হাইস্কুল ও শান্তি নিকেতনে পড়াশোনা করেন। পরে ১৯২৬ সালে বিশ্বভারতী থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। আফগানিস্তানে কাবুলের কৃষি বিজ্ঞান কলেজে অধ্যাপনা দিয়ে তার কর্মজীবন শুরু হয়। ১৯৪৯ সালে বগুড়ার আজিজুল হক কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন। সৈয়দ মুজতবা আলী নিজস্ব এক গদ্যশৈলীর নির্মাতা। বিভিন্ন ভাষায় ব্যুৎপত্তি ও অসাধারণ পাণ্ডিত্যের সংমিশ্রণে তিনি যে গদ্য রচনা করেছেন তা খুবই রসগ্রাহী হয়ে উঠেছে। তার উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো হল : দেশে-বিদেশে, পঞ্চতন্ত্র, চাচা কাহিনী, ময়ূরকণ্ঠী, শবনম ইত্যাদি। তিনি ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।