জানো: ঘড়ির কাঁটা কেন ডানে ঘোরে
jugantor
জানো: ঘড়ির কাঁটা কেন ডানে ঘোরে

   

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একটা হিসাব মেলানো যাক। যে অঞ্চলে পুরনো ঘড়িগুলো তৈরি হয়েছিল, মিসর আর ব্যাবিলন- এগুলো কিন্তু একই অঞ্চলে। অন্যান্য সূর্যঘড়িও মোটামুটি সেই অঞ্চলের কাছাকাছিই তৈরি হয়েছিল। অর্থাৎ, এশিয়া আর ইউরোপের মাঝামাঝি যে অঞ্চল, পশ্চিমাদের পরিভাষা অনুযায়ী যাকে এখন বলা হয় মধ্যপ্রাচ্য। মিসর-ইরাক-ইরান-তুরস্ক ওই অঞ্চলে। মেসোপটেমীয় সভ্যতার আবার চারটি ভাগ আছে- সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাসিরীয় আর ক্যালডীয়। আর এ অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সূর্যঘড়ির ছায়া দিনের সঙ্গে ক্রমাগত পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে সরে যেত। অর্থাৎ, দিন যত গড়িয়ে রাতের দিকে যেত, ছায়াও তত পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে যেত। সেখান থেকেই ঘড়ির কাঁটার দিকের ব্যাপারটা এসেছে। সে অনুযায়ীই ঘড়ির কাঁটা পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে যায়, অর্থাৎ বাঁ থেকে ডান দিকে যায়।

জানো: ঘড়ির কাঁটা কেন ডানে ঘোরে

  
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একটা হিসাব মেলানো যাক। যে অঞ্চলে পুরনো ঘড়িগুলো তৈরি হয়েছিল, মিসর আর ব্যাবিলন- এগুলো কিন্তু একই অঞ্চলে। অন্যান্য সূর্যঘড়িও মোটামুটি সেই অঞ্চলের কাছাকাছিই তৈরি হয়েছিল। অর্থাৎ, এশিয়া আর ইউরোপের মাঝামাঝি যে অঞ্চল, পশ্চিমাদের পরিভাষা অনুযায়ী যাকে এখন বলা হয় মধ্যপ্রাচ্য। মিসর-ইরাক-ইরান-তুরস্ক ওই অঞ্চলে। মেসোপটেমীয় সভ্যতার আবার চারটি ভাগ আছে- সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাসিরীয় আর ক্যালডীয়। আর এ অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সূর্যঘড়ির ছায়া দিনের সঙ্গে ক্রমাগত পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে সরে যেত। অর্থাৎ, দিন যত গড়িয়ে রাতের দিকে যেত, ছায়াও তত পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে যেত। সেখান থেকেই ঘড়ির কাঁটার দিকের ব্যাপারটা এসেছে। সে অনুযায়ীই ঘড়ির কাঁটা পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে যায়, অর্থাৎ বাঁ থেকে ডান দিকে যায়।