বরেণ্য: পার্থ প্রতিম মজুমদার
jugantor
বরেণ্য: পার্থ প্রতিম মজুমদার

   

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পার্থ প্রতিম মজুমদার বাংলাদেশের মূকাভিনয় শিল্পের পথিকৃৎ। ফ্রান্স প্রবাসী এ শিল্পী মূকাভিনয়ের বিচারে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফ্রান্স সরকারের শেভালিয়র উপাধি পান তিনি। তিনিই প্রথম বাংলাদেশি- যিনি ফ্রান্স সরকারের দেয়া এ বিরল সম্মান অর্জন করেন। তার অভিনীত একটি ফরাসি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ২৬টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পায়। সঙ্গত, ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, নাইকি, আইবিএম ও ম্যাকডোনাল্ডের মতো বিশ্বখ্যাত কোম্পানির পণ্যের প্রচারে মডেল হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। তার মাধ্যমেই বাংলাদেশে মূকাভিনয় পরিচিতি লাভ করে। তিনি ১৯৫৪ সালের ১৮ জানুয়ারি পাবনা জেলার কালাচাঁদপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা মিউজিক কলেজ থেকে স্নাতক হন। বাংলাদেশে এইডসের বিরুদ্ধে বেশ কিছু সচেতনতামূলক আয়োজনেও অংশ নিয়েছেন তিনি। মূকাভিনয়শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে।

বরেণ্য: পার্থ প্রতিম মজুমদার

  
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পার্থ প্রতিম মজুমদার বাংলাদেশের মূকাভিনয় শিল্পের পথিকৃৎ। ফ্রান্স প্রবাসী এ শিল্পী মূকাভিনয়ের বিচারে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফ্রান্স সরকারের শেভালিয়র উপাধি পান তিনি। তিনিই প্রথম বাংলাদেশি- যিনি ফ্রান্স সরকারের দেয়া এ বিরল সম্মান অর্জন করেন। তার অভিনীত একটি ফরাসি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ২৬টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পায়। সঙ্গত, ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, নাইকি, আইবিএম ও ম্যাকডোনাল্ডের মতো বিশ্বখ্যাত কোম্পানির পণ্যের প্রচারে মডেল হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। তার মাধ্যমেই বাংলাদেশে মূকাভিনয় পরিচিতি লাভ করে। তিনি ১৯৫৪ সালের ১৮ জানুয়ারি পাবনা জেলার কালাচাঁদপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা মিউজিক কলেজ থেকে স্নাতক হন। বাংলাদেশে এইডসের বিরুদ্ধে বেশ কিছু সচেতনতামূলক আয়োজনেও অংশ নিয়েছেন তিনি। মূকাভিনয়শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে।