জমে উঠেছে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ক্লাব কার্নিভাল
jugantor
জমে উঠেছে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ক্লাব কার্নিভাল

  সাজেদ ফাতেমী  

০৫ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার এই মহামারির কালে বসে নেই ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। তাদের অংশগ্রহণে অনলাইনে জমে উঠেছে ক্লাব কার্নিভাল। ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও পাবলিক রিলেশন্স অফিসের আয়োজনে এ বছর ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে চলছে ক্লাব কার্নিভাল। করোনা মহামারির কারণে এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও অনলাইনে সব ধরনের কার্যক্রম চলমান। ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে শুরু হওয়া এই অনলাইন কার্নিভালে এ পর্যন্ত চারটি ক্লাব অংশ নিয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাব, রাইটার্স ফোরাম, ড্রামা অ্যান্ড থিয়েটার ফোরাম ও জার্নালিস্ট ফোরাম।

ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাবের পক্ষ থেকে কার্নিভালে অংশ নেন ক্লাবের কোঅর্ডিনেটর মেহেদি হাসান সুমন, প্রেসিডেন্ট অঙ্গন স্বর্ণকার ও জেনারেল সেক্রেটারি মো. হাসানুজ্জামান তুহিন। এ ক্লাবের বক্তারা ‘ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যারিয়ার গঠনে ক্লাবের ভূমিকা’ বিষয়ে কথা বলেন। তারা বলেন, বর্তমান বিশ্ব এগিয়ে চলছে ইঞ্জিনিয়ারদের হাত ধরে। সেটি হোক সিভিল, কেমিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল অথবা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। এসব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কল্যাণে আমাদের প্রযুক্তিগত ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আর সেই উন্নয়নও ঘটছে ইঞ্জিনিয়ারদের হাত ধরে। তারা বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়লেও সব দেশে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যারিয়ার গড়া মোটেই সহজ নয়। এ ক্যারিয়ার গড়ার উপায় খুঁজে বের করতেই কাজ করে যাচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাব।

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি রাইটার্স ফোরামের পক্ষ থেকে কার্নিভালে অংশ নেন ক্লাবের কোঅর্ডিনেটর কাজী তাহমিনা, প্রেসিডেন্ট নুরেম মাহপারা প্রাপ্তি, ভাইস প্রেসিডেন্ট গার্গী চ্যাটার্জি ও কার্যকরী কমিটির সদস্য সোলায়মান সাকিব। তাদের জন্য আলোচ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয় ‘লেখালেখিতে ক্যারিয়ার গঠন’।

রাইটার্স ফোরামের বক্তাদের কথায় লেখালেখির নানা প্রসঙ্গ উঠে আসে। সৃজনশীল লেখালেখি- অর্থাৎ গল্প-উপন্যাস-নাটক গান কবিতা কী করে লিখতে হয়, কীভাবে একটি গল্প অথবা উপন্যাসের কলকব্জা জোগাড় করে অথবা তৈরি করে জোড়া দিতে হয়, তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। ফলে এসব ‘শেখানো’ যায় না, হাতে-কলমে করে দেখানোও যায় না। যা করা যায়, তা হচ্ছে অভিজ্ঞতার আদান-প্রদান। একজন কবি অথবা কথাসাহিত্যিক কীভাবে লেখেন, কোন পথে উঠে আসে তার নির্মাণ-চিন্তা, আর কীভাবে কবিতা-গল্পের শৈলীর বিষয়গুলো তিনি নিষ্পত্তি করেন, সেসব নিয়ে তিনি আলোচনা করতে পারেন। বক্তারা বলেন, এ অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়াটা অনেক সময় তরুণ কবি-লেখকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে।

ড্রামা অ্যান্ড থিয়েটার ফোরামের পক্ষে অংশ নেন কোঅর্ডিনেটর নাজলা ফাতমী, ভাইস প্রেসিডেন্ট ইমাম হাসান ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মিরাজ রেজা। করোনাকালে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেও যেন নিজের চর্চা ও থিয়েটার-সম্পর্কিত পড়াশোনা চালিয়ে যেতে, সেই লক্ষ্যে কার্নিভালে ড্রামা অ্যান্ড থিয়েটার ক্লাবের জন্য বিষয় নির্ধারণ করা হয় ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে থিয়েটারের গুরুত্ব’।

মঞ্চনাটক চর্চায় সারা দেশের থিয়েটারগুলোর পাশাপাশি অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ও ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। তবে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে থিয়েটারের চর্চা সেভাবে হচ্ছে না। অথচ একজন শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা ও মননের বিকাশে থিয়েটারের যথেষ্ট প্রভাব ও ভূমিকা রয়েছে। প্রতিষ্ঠার তিন বছর পর থেকেই ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে থিয়েটার চর্চা শুরু হয়। গড়ে ওঠে ড্রামা অ্যান্ড থিয়েটার ক্লাব।

ক্লাব কার্নিভালে জার্নালিস্ট ফোরাম থেকে ছিলেন কোঅর্ডিনেটর রফিউশশান, ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মিফতাউল জান্নাতি সিনথিয়া ও ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মো. মঈন উদ্দিন সাব্বির। কার্নিভালে জার্নালিস্ট ফোরামের জন্য বিষয় ছিল ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সাংবাদিকতা’। এ দেশের বহু প্রথিতযশা সাংবাদিক আছেন, যারা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাংবাদিকতা শুরু করেছেন। পরে তাদের অনেকেই খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছেছেন। তাদের চড়াই-উতরাইয়ের গল্পগুলো শিক্ষার্থীদের জানা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে নিজেরা পড়াশোনার পাশাপাশি সাংবাদিকতা করে পেশাগত অবস্থান কিভাবে তৈরি করা যায়, সেসব নিয়ে আলোচনা করেন এই ফোরামের সদস্যরা।

ক্লাব কার্নিভাল প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সহিদ আকতার হুসাইন বলেন, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে ১৮টি ক্লাব আছে। এখানে ভর্তি ফরমে ‘কে কোন ক্লাব করতে চাও’ নামে একটি বিশেষ ঘর পূরণ করতে হয় ভর্তিচ্ছু সব শিক্ষার্থীকে। একজন শিক্ষার্থী শুধু পাঠ্যপুস্তক নিয়েই ব্যস্ত থাকবে না। তাকে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রমেও এগিয়ে যেতে হবে। এর মধ্য দিয়ে তারা নিজেদের সৎ, দক্ষ, মানবিক ও আলোকিত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলবে। তাই এখানকার বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে তাদের ক্যারিয়ার গঠনে বিভিন্ন ক্লাব কার্যক্রমে জড়িত থাকার ব্যাপারে নানাভাবে উৎসাহিত করা হয়ে থাকে। আর সেই উৎসাহ দিতেই এই ক্লাব কার্নিভাল চলছে।

সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে অনেক আগেই। সেই সুনাম সঙ্গী করে পুষ্পে-পত্রে-পল্লবে প্রতিনিয়ত বিকশিত হচ্ছে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি। গুণগত মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা ও বৈচিত্র্যময় ক্লাব কার্যক্রমের কারণে এই ইউনিভার্সিটি এখন বহু শিক্ষার্থীর কাক্সিক্ষত পীঠস্থান।

জমে উঠেছে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ক্লাব কার্নিভাল

 সাজেদ ফাতেমী 
০৫ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার এই মহামারির কালে বসে নেই ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। তাদের অংশগ্রহণে অনলাইনে জমে উঠেছে ক্লাব কার্নিভাল। ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও পাবলিক রিলেশন্স অফিসের আয়োজনে এ বছর ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে চলছে ক্লাব কার্নিভাল। করোনা মহামারির কারণে এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও অনলাইনে সব ধরনের কার্যক্রম চলমান। ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে শুরু হওয়া এই অনলাইন কার্নিভালে এ পর্যন্ত চারটি ক্লাব অংশ নিয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাব, রাইটার্স ফোরাম, ড্রামা অ্যান্ড থিয়েটার ফোরাম ও জার্নালিস্ট ফোরাম।

ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাবের পক্ষ থেকে কার্নিভালে অংশ নেন ক্লাবের কোঅর্ডিনেটর মেহেদি হাসান সুমন, প্রেসিডেন্ট অঙ্গন স্বর্ণকার ও জেনারেল সেক্রেটারি মো. হাসানুজ্জামান তুহিন। এ ক্লাবের বক্তারা ‘ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যারিয়ার গঠনে ক্লাবের ভূমিকা’ বিষয়ে কথা বলেন। তারা বলেন, বর্তমান বিশ্ব এগিয়ে চলছে ইঞ্জিনিয়ারদের হাত ধরে। সেটি হোক সিভিল, কেমিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল অথবা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। এসব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কল্যাণে আমাদের প্রযুক্তিগত ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আর সেই উন্নয়নও ঘটছে ইঞ্জিনিয়ারদের হাত ধরে। তারা বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়লেও সব দেশে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যারিয়ার গড়া মোটেই সহজ নয়। এ ক্যারিয়ার গড়ার উপায় খুঁজে বের করতেই কাজ করে যাচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাব।

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি রাইটার্স ফোরামের পক্ষ থেকে কার্নিভালে অংশ নেন ক্লাবের কোঅর্ডিনেটর কাজী তাহমিনা, প্রেসিডেন্ট নুরেম মাহপারা প্রাপ্তি, ভাইস প্রেসিডেন্ট গার্গী চ্যাটার্জি ও কার্যকরী কমিটির সদস্য সোলায়মান সাকিব। তাদের জন্য আলোচ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয় ‘লেখালেখিতে ক্যারিয়ার গঠন’।

রাইটার্স ফোরামের বক্তাদের কথায় লেখালেখির নানা প্রসঙ্গ উঠে আসে। সৃজনশীল লেখালেখি- অর্থাৎ গল্প-উপন্যাস-নাটক গান কবিতা কী করে লিখতে হয়, কীভাবে একটি গল্প অথবা উপন্যাসের কলকব্জা জোগাড় করে অথবা তৈরি করে জোড়া দিতে হয়, তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। ফলে এসব ‘শেখানো’ যায় না, হাতে-কলমে করে দেখানোও যায় না। যা করা যায়, তা হচ্ছে অভিজ্ঞতার আদান-প্রদান। একজন কবি অথবা কথাসাহিত্যিক কীভাবে লেখেন, কোন পথে উঠে আসে তার নির্মাণ-চিন্তা, আর কীভাবে কবিতা-গল্পের শৈলীর বিষয়গুলো তিনি নিষ্পত্তি করেন, সেসব নিয়ে তিনি আলোচনা করতে পারেন। বক্তারা বলেন, এ অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়াটা অনেক সময় তরুণ কবি-লেখকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে।

ড্রামা অ্যান্ড থিয়েটার ফোরামের পক্ষে অংশ নেন কোঅর্ডিনেটর নাজলা ফাতমী, ভাইস প্রেসিডেন্ট ইমাম হাসান ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মিরাজ রেজা। করোনাকালে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেও যেন নিজের চর্চা ও থিয়েটার-সম্পর্কিত পড়াশোনা চালিয়ে যেতে, সেই লক্ষ্যে কার্নিভালে ড্রামা অ্যান্ড থিয়েটার ক্লাবের জন্য বিষয় নির্ধারণ করা হয় ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে থিয়েটারের গুরুত্ব’।

মঞ্চনাটক চর্চায় সারা দেশের থিয়েটারগুলোর পাশাপাশি অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ও ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। তবে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে থিয়েটারের চর্চা সেভাবে হচ্ছে না। অথচ একজন শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা ও মননের বিকাশে থিয়েটারের যথেষ্ট প্রভাব ও ভূমিকা রয়েছে। প্রতিষ্ঠার তিন বছর পর থেকেই ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে থিয়েটার চর্চা শুরু হয়। গড়ে ওঠে ড্রামা অ্যান্ড থিয়েটার ক্লাব।

ক্লাব কার্নিভালে জার্নালিস্ট ফোরাম থেকে ছিলেন কোঅর্ডিনেটর রফিউশশান, ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মিফতাউল জান্নাতি সিনথিয়া ও ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মো. মঈন উদ্দিন সাব্বির। কার্নিভালে জার্নালিস্ট ফোরামের জন্য বিষয় ছিল ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সাংবাদিকতা’। এ দেশের বহু প্রথিতযশা সাংবাদিক আছেন, যারা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সাংবাদিকতা শুরু করেছেন। পরে তাদের অনেকেই খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছেছেন। তাদের চড়াই-উতরাইয়ের গল্পগুলো শিক্ষার্থীদের জানা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে নিজেরা পড়াশোনার পাশাপাশি সাংবাদিকতা করে পেশাগত অবস্থান কিভাবে তৈরি করা যায়, সেসব নিয়ে আলোচনা করেন এই ফোরামের সদস্যরা।

ক্লাব কার্নিভাল প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সহিদ আকতার হুসাইন বলেন, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে ১৮টি ক্লাব আছে। এখানে ভর্তি ফরমে ‘কে কোন ক্লাব করতে চাও’ নামে একটি বিশেষ ঘর পূরণ করতে হয় ভর্তিচ্ছু সব শিক্ষার্থীকে। একজন শিক্ষার্থী শুধু পাঠ্যপুস্তক নিয়েই ব্যস্ত থাকবে না। তাকে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রমেও এগিয়ে যেতে হবে। এর মধ্য দিয়ে তারা নিজেদের সৎ, দক্ষ, মানবিক ও আলোকিত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলবে। তাই এখানকার বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে তাদের ক্যারিয়ার গঠনে বিভিন্ন ক্লাব কার্যক্রমে জড়িত থাকার ব্যাপারে নানাভাবে উৎসাহিত করা হয়ে থাকে। আর সেই উৎসাহ দিতেই এই ক্লাব কার্নিভাল চলছে।

সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে অনেক আগেই। সেই সুনাম সঙ্গী করে পুষ্পে-পত্রে-পল্লবে প্রতিনিয়ত বিকশিত হচ্ছে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি। গুণগত মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা ও বৈচিত্র্যময় ক্লাব কার্যক্রমের কারণে এই ইউনিভার্সিটি এখন বহু শিক্ষার্থীর কাক্সিক্ষত পীঠস্থান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন