এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বাংলা প্রথমপত্র
jugantor
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বাংলা প্রথমপত্র

  ড. সনজিত পাল  

১২ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিনিয়র শিক্ষক, সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা

আমার পরিচয়

- সৈয়দ শামসুল হক

সৈয়দ শামসুল হক (১৯৩৫-২০১৬) রচিত ‘আমার পরিচয়’ কবিতাটি কিশোর কবিতা সমগ্র গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। এ কবিতায় কবি বাঙালি জাতিসত্তার সৃষ্টি ও নানাবিধ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আজকের অবস্থানে আসার পথ-পরিক্রমা বর্ণনা করেছেন। আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র ও বাঙালি জাতিসত্তা প্রতিষ্ঠার পশ্চাতে আছে সমৃদ্ধ এক ইতিহাস। কবি গভীর মমত্বের সঙ্গে কবিতার আঙ্গিকে চিত্রিত করেছেন সমৃদ্ধ সেই ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পটভূমি। সহজিয়াপন্থি বৌদ্ধ কবিদের সৃষ্ট চর্যাপদের মধ্যে বাঙালি জাতিসত্তার যে অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধের পরিচয় মুদ্রিত হয়ে আছে- যুগে যুগে নানা আন্দোলন, বিপ্লব-বিদ্রোহ, আর মতাদর্শের বিকাশ হতে হতে আমরা এসে পৌঁছেছি আজকের বাংলায়। সৈয়দ শামসুল হক এ বিবর্তনের বিচিত্র বাঁক ও মোড় তাৎপর্যময় করে তুলেছেন। চাঁদ-সওদাগরের বাণিজ্য যাত্রা, কৈবর্তবিদ্রোহ, পালযুগের চিত্রকলা আন্দোলন, বৌদ্ধবিহারের জ্ঞানচর্চা, মুসলিম ধর্ম ও সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশ, বারোভূঁইয়াদের উত্থান, ময়মনসিংহ গীতিকার জীবন, তিতুমীর আর হাজী শরীয়তের বিদ্রোহ, রবীন্দ্র-নজরুলের কালজয়ী সৃষ্টি, ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন এবং পরিশেষে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলাদেশ- ‘আমার পরিচয়’ কবিতার মধ্যে এই বিপুল বাংলাদেশ অনবদ্যরূপ লাভ করেছে।

‘আমার পরিচয়’ কবিতার যে দিকগুলো ভালো করে পড়তে হবে-

১. বাঙালি জাতিসত্তার উদ্ভব ও ক্রমবিকাশের এক অনবদ্যরূপ ‘আমার পরিচয়’ কবিতা।

২. এ কবিতায় কবি বাঙালি জাতিসত্তার পথ-পরিক্রমার নানা ঘটনা, আন্দোলন-সংগ্রাম, সংস্কৃতির প্রসার, নানা স্থাপত্যশিল্প, ধর্মীয় মতাদর্শ ও আচরণ, মাতৃভাষাসহ রাজনৈতিক অধিকার আদায় ও স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ধারাবাহিক ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।

৩. এ কবিতায় যেমন রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক দিকের অবস্থা বর্ণিত হয়েছে; তেমনি বাঙালি জাতি, বাংলাভাষা ও বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নানা সংগ্রামের ছবিও প্রকাশ পেয়েছে।

৪. এ কবিতাটি পড়ার সময় যে দিকগুলো গভীরভাবে দেখতে হবে তা বর্ণনা করা হলো।

৫. কবি আলপথের প্রসঙ্গ কেন এনেছেন?

৬. কবিতায় বর্ণিত পলিমাটি ও তেরোশত নদী বাঙালি জাতিসত্তায় কোন দিক নির্দেশ করে?

৭. চর্যাপদ, সওদাগরের ডিঙার বহর, কৈবর্তের বিদ্রোহ, পালযুগের চিত্রকলা, পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার, মন্দির-বেদি, আউল-বাউল মাটির দেউল, বারোভূঁইয়া, কমলার দীঘি, তিতুমীর ও হাজী শরিয়ত, গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা, ক্ষুদিরাম ও সূর্য সেন, জয়নুল ও অবন ঠাকুর, রাষ্ট্রভাষার লাল রাজপথ, বঙ্গবন্ধু, জয়বাংলা বজ্রকণ্ঠ, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ- এ কবিতায় কোন কোন তাৎপর্যে বর্ণিত হয়েছে?

৮. বাঙালির পথচলায় হাজার চরণচিহ্ন কোন বিষয়কে নির্দেশ করে?

৯. বাঙালি জাতিসত্তার পথচলার প্রেরণা কী?

১০. বাঙালি জাতির বীজমন্ত্র বলতে কোন বিষয়কে নির্দেশ করা হয়েছে?

১১. বাঙালি জাতির মধ্যে বিভেদের রেখা রয়েছে কি? থাকলেও তা কোন কোন ক্ষেত্রে?

১২. সাম্যের ছবি বলতে কবি কোন বিষয়কে নির্দেশ করেছে?

১৩. কবিতায় বাঙালি জাতির মূল বিশ্বাস ও অনুপ্রেরণার শক্তি কী?

১৪. বাঙালি জাতির অতীত ইতিহাস ও সংগ্রামে অসাম্প্রদায়িক চেতনাবোধের পরিচয় কীভাবে প্রকাশ পেয়েছে?

অনুধাবন প্রশ্ন :

১. ‘আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি’- বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

২. ‘আমি বাংলার আলপথ দিয়ে হাজার বছর চলি’- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৩. বাংলার আলপথ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

৪. ‘চলি পলিমাটি কোমলে আমার চলার চিহ্ন ফেলে’- ব্যাখ্যা কর।

৫. তেরোশত নদী কবিকে কী শুধায় এবং কেন?

৬. ‘আমার পরিচয়’ কবিতায় চর্যাপদের অক্ষর বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৭. সওদাগরের ডিঙ্গার বহর বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৮. কৈবর্তের বিদ্রোহী গ্রাম বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৯. পালযুগ নামের চিত্রকলা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

১০. পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

১১. কবি জোড়বাংলার মন্দির বেদির প্রসঙ্গ এনেছেন কেন?

১২. কবি সার্বভৌম বারোভূঁইয়ার প্রসঙ্গ এনেছেন কেন?

১৩. কবি তিতুমীর ও হাজী শরিয়তের প্রসঙ্গ এনেছেন কেন?

১৪. কবি ক্ষুদিরাম আর সূর্য সেন প্রসঙ্গে কী বোঝাতে চেয়েছেন?

১৫. রাষ্ট্রভাষার লাল রাজপথ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

১৬. জয়বাংলার বজ্রকণ্ঠ বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

১৭. ‘আমার পরিচয়’ কবিতায় হাজার চরণচিহ্ন বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

১৮. ‘আমার পরিচয়’ কবিতায় বাঙালি জাতির বীজমন্ত্র বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

১৯. ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’- ব্যাখ্যা কর।

২০. ‘সব বিভেদের রেখা মুছে দিয়ে সাম্যের ছবি আঁকবই’- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

২১. ‘আমার পরিচয়’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

সৃজনশীল প্রশ্নের দিকগুলো :

১. বাঙালি জাতিসত্তার উদ্ভব ও পথচলার ইতিহাস।

২. বাঙালি জাতিসত্তার ক্রমবিবর্তন ও পথ-পরিক্রমার বর্ণনা।

৩. নদীমাতৃক বাংলার পরিচয়।

৪. বাঙালি জাতিসত্তার জীবনবোধের পরিচয়ে আন্দোলন, বিপ্লব, বিদ্রোহ আর মতাদর্শের বিকাশ।

৫. বাঙালি জাতিসত্তার ক্রমবিকাশে অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ইতিহাস, শিল্প-সাহিত্য, ধর্ম ও রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের প্রভাব।

৬. বাঙালি জাতিসত্তা গঠনে সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল সাহিত্য, সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব, রাষ্ট্রভাষা বা মাতৃভাষার প্রভাব।

৭. হাজার বছরের পথচলায় বাঙালি জাতির অনুপ্রেরণার শক্তি।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বাংলা প্রথমপত্র

 ড. সনজিত পাল 
১২ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিনিয়র শিক্ষক, সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা

আমার পরিচয়

- সৈয়দ শামসুল হক

সৈয়দ শামসুল হক (১৯৩৫-২০১৬) রচিত ‘আমার পরিচয়’ কবিতাটি কিশোর কবিতা সমগ্র গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। এ কবিতায় কবি বাঙালি জাতিসত্তার সৃষ্টি ও নানাবিধ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আজকের অবস্থানে আসার পথ-পরিক্রমা বর্ণনা করেছেন। আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র ও বাঙালি জাতিসত্তা প্রতিষ্ঠার পশ্চাতে আছে সমৃদ্ধ এক ইতিহাস। কবি গভীর মমত্বের সঙ্গে কবিতার আঙ্গিকে চিত্রিত করেছেন সমৃদ্ধ সেই ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পটভূমি। সহজিয়াপন্থি বৌদ্ধ কবিদের সৃষ্ট চর্যাপদের মধ্যে বাঙালি জাতিসত্তার যে অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধের পরিচয় মুদ্রিত হয়ে আছে- যুগে যুগে নানা আন্দোলন, বিপ্লব-বিদ্রোহ, আর মতাদর্শের বিকাশ হতে হতে আমরা এসে পৌঁছেছি আজকের বাংলায়। সৈয়দ শামসুল হক এ বিবর্তনের বিচিত্র বাঁক ও মোড় তাৎপর্যময় করে তুলেছেন। চাঁদ-সওদাগরের বাণিজ্য যাত্রা, কৈবর্তবিদ্রোহ, পালযুগের চিত্রকলা আন্দোলন, বৌদ্ধবিহারের জ্ঞানচর্চা, মুসলিম ধর্ম ও সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশ, বারোভূঁইয়াদের উত্থান, ময়মনসিংহ গীতিকার জীবন, তিতুমীর আর হাজী শরীয়তের বিদ্রোহ, রবীন্দ্র-নজরুলের কালজয়ী সৃষ্টি, ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন এবং পরিশেষে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলাদেশ- ‘আমার পরিচয়’ কবিতার মধ্যে এই বিপুল বাংলাদেশ অনবদ্যরূপ লাভ করেছে।

‘আমার পরিচয়’ কবিতার যে দিকগুলো ভালো করে পড়তে হবে-

১. বাঙালি জাতিসত্তার উদ্ভব ও ক্রমবিকাশের এক অনবদ্যরূপ ‘আমার পরিচয়’ কবিতা।

২. এ কবিতায় কবি বাঙালি জাতিসত্তার পথ-পরিক্রমার নানা ঘটনা, আন্দোলন-সংগ্রাম, সংস্কৃতির প্রসার, নানা স্থাপত্যশিল্প, ধর্মীয় মতাদর্শ ও আচরণ, মাতৃভাষাসহ রাজনৈতিক অধিকার আদায় ও স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ধারাবাহিক ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।

৩. এ কবিতায় যেমন রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক দিকের অবস্থা বর্ণিত হয়েছে; তেমনি বাঙালি জাতি, বাংলাভাষা ও বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নানা সংগ্রামের ছবিও প্রকাশ পেয়েছে।

৪. এ কবিতাটি পড়ার সময় যে দিকগুলো গভীরভাবে দেখতে হবে তা বর্ণনা করা হলো।

৫. কবি আলপথের প্রসঙ্গ কেন এনেছেন?

৬. কবিতায় বর্ণিত পলিমাটি ও তেরোশত নদী বাঙালি জাতিসত্তায় কোন দিক নির্দেশ করে?

৭. চর্যাপদ, সওদাগরের ডিঙার বহর, কৈবর্তের বিদ্রোহ, পালযুগের চিত্রকলা, পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার, মন্দির-বেদি, আউল-বাউল মাটির দেউল, বারোভূঁইয়া, কমলার দীঘি, তিতুমীর ও হাজী শরিয়ত, গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা, ক্ষুদিরাম ও সূর্য সেন, জয়নুল ও অবন ঠাকুর, রাষ্ট্রভাষার লাল রাজপথ, বঙ্গবন্ধু, জয়বাংলা বজ্রকণ্ঠ, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ- এ কবিতায় কোন কোন তাৎপর্যে বর্ণিত হয়েছে?

৮. বাঙালির পথচলায় হাজার চরণচিহ্ন কোন বিষয়কে নির্দেশ করে?

৯. বাঙালি জাতিসত্তার পথচলার প্রেরণা কী?

১০. বাঙালি জাতির বীজমন্ত্র বলতে কোন বিষয়কে নির্দেশ করা হয়েছে?

১১. বাঙালি জাতির মধ্যে বিভেদের রেখা রয়েছে কি? থাকলেও তা কোন কোন ক্ষেত্রে?

১২. সাম্যের ছবি বলতে কবি কোন বিষয়কে নির্দেশ করেছে?

১৩. কবিতায় বাঙালি জাতির মূল বিশ্বাস ও অনুপ্রেরণার শক্তি কী?

১৪. বাঙালি জাতির অতীত ইতিহাস ও সংগ্রামে অসাম্প্রদায়িক চেতনাবোধের পরিচয় কীভাবে প্রকাশ পেয়েছে?

অনুধাবন প্রশ্ন :

১. ‘আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি’- বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

২. ‘আমি বাংলার আলপথ দিয়ে হাজার বছর চলি’- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৩. বাংলার আলপথ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

৪. ‘চলি পলিমাটি কোমলে আমার চলার চিহ্ন ফেলে’- ব্যাখ্যা কর।

৫. তেরোশত নদী কবিকে কী শুধায় এবং কেন?

৬. ‘আমার পরিচয়’ কবিতায় চর্যাপদের অক্ষর বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৭. সওদাগরের ডিঙ্গার বহর বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৮. কৈবর্তের বিদ্রোহী গ্রাম বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

৯. পালযুগ নামের চিত্রকলা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

১০. পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

১১. কবি জোড়বাংলার মন্দির বেদির প্রসঙ্গ এনেছেন কেন?

১২. কবি সার্বভৌম বারোভূঁইয়ার প্রসঙ্গ এনেছেন কেন?

১৩. কবি তিতুমীর ও হাজী শরিয়তের প্রসঙ্গ এনেছেন কেন?

১৪. কবি ক্ষুদিরাম আর সূর্য সেন প্রসঙ্গে কী বোঝাতে চেয়েছেন?

১৫. রাষ্ট্রভাষার লাল রাজপথ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

১৬. জয়বাংলার বজ্রকণ্ঠ বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

১৭. ‘আমার পরিচয়’ কবিতায় হাজার চরণচিহ্ন বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

১৮. ‘আমার পরিচয়’ কবিতায় বাঙালি জাতির বীজমন্ত্র বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

১৯. ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’- ব্যাখ্যা কর।

২০. ‘সব বিভেদের রেখা মুছে দিয়ে সাম্যের ছবি আঁকবই’- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

২১. ‘আমার পরিচয়’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

সৃজনশীল প্রশ্নের দিকগুলো :

১. বাঙালি জাতিসত্তার উদ্ভব ও পথচলার ইতিহাস।

২. বাঙালি জাতিসত্তার ক্রমবিবর্তন ও পথ-পরিক্রমার বর্ণনা।

৩. নদীমাতৃক বাংলার পরিচয়।

৪. বাঙালি জাতিসত্তার জীবনবোধের পরিচয়ে আন্দোলন, বিপ্লব, বিদ্রোহ আর মতাদর্শের বিকাশ।

৫. বাঙালি জাতিসত্তার ক্রমবিকাশে অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ইতিহাস, শিল্প-সাহিত্য, ধর্ম ও রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের প্রভাব।

৬. বাঙালি জাতিসত্তা গঠনে সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল সাহিত্য, সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব, রাষ্ট্রভাষা বা মাতৃভাষার প্রভাব।

৭. হাজার বছরের পথচলায় বাঙালি জাতির অনুপ্রেরণার শক্তি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন