পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা
jugantor
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

  আফরোজা বেগম  

২১ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিনিয়র শিক্ষক, উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ

উত্তরা, ঢাকা

আমাদের অর্থনীতি : কৃষি ও শিল্প

প্রশ্ন : আমাদের দেশের পাঁচটি শস্যের নাম লিখ।

উত্তর : বাংলাদেশ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি। আমাদের দেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের দেশের পাঁচটি শস্যের নাম দেওয়া হলো : * ধান * ডাল * গম * আলু * তৈলবীজ

তবে আমাদের প্রধান শস্য হলো ধান।

প্রশ্ন : বাংলাদেশের তিনটি বৃহৎ শিল্পের নাম লিখ।

উত্তর : বাংলাদেশ শিল্পে তত উন্নত নয়। বাংলাদেশের তিনটি শিল্পের নাম নিচে দেওয়া হলো-

* সারশিল্প * সিমেন্টশিল্প * কাগজশিল্প

প্রশ্ন : বাংলাদেশের তিনটি কুটিরশিল্পের নাম লিখ।

উত্তর : বাংলাদেশ সুপ্রাচীনকাল থেকে কুটিরশিল্পে সমৃদ্ধ। বাংলাদেশের তিনটি কুটিরশিল্পের নাম নিচে দেওয়া হলো-

* কাঠ, বাঁশ, বেতের শিল্প * কাঁসার শিল্প * মৃৎশিল্প

প্রশ্ন : বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের কীভাবে সহায়তা করে?

উত্তর : বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। সুজলা-সুফলা বাংলার উর্বর ভূমিতে নানা ফসল ফলে। যেসব কৃষি পণ্য বিদেশে রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে। বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল হলো পাট, চা, তামাক। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের নিুলিখিতভাবে সহায়তা করে।

পাট : পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরি কৃষি দ্রব্য। পৃথিবীতে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণ পাট উৎপন্ন হয়। পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এ জন্য বাংলাদেশে পাটকে ‘সোনালি আঁশ’ বলা হয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৪৫ লাখ মেট্রিক টন পাট উৎপন্ন হয়। এ দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ পাট চাষ ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ফলে বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক জীবনের বড় অংশ পাটের ওপর নির্ভরশীল।

চা : পাটের মতো চা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের জলবায়ু চা চাষের জন্য উপযোগী। বাংলাদেশে অনেক চা বাগান রয়েছে। প্রতি বছর বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ চা উৎপন্ন হয়। এ দেশের চাহিদা পূরণ করে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চা বিদেশে রফতানি করা হয়। বিদেশে বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম রয়েছে। চা রফতানি করে বাংলাদেশ প্রতি বছর অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

তামাক : বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলে তামাক চাষ হয়। এসব অঞ্চলে দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন জাতের তামাক চাষ হয়। বাংলাদেশ তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য রফতানি করে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। তবে তামাক মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ফলে এর চাষ নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। এগুলো ছাড়া বাংলাদেশে তুলা, সুপারি, রেশম, রাবার ইত্যাদি অর্থকরি কৃষি দ্রব্য উৎপন্ন হয়। তা ছাড়া বাংলাদেশের কৃষকরা কিছু ভিন্ন ধরনের উৎপাদনমুখী কাজও করে থাকেন। যেমন : আপেল, বরই চাষ, স্ট্রবেরি চাষ, মাছ চাষ এবং হাঁস-মুরগি পালন।

সুতরাং; বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা

মো. ফোরকান আহমেদ

সহকারী শিক্ষক, মুনলাইট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

ভোলা

আকাইদ বিশ্বাস

বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর

[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]

৭৬। “আল্লাহ সর্বজ্ঞানী, অতি সহনশীল।” বাণীটি কার?

ক. আল্লাহতায়ালার খ. মহানবী (সা.)-এর

গ. হজরত আলী (রা.)-এর ঘ. হজরত দাউদ (আ.)-এর

৭৭। মহান আল্লাহতায়ালা আমাদের প্রতি সহনশীল। সুতারাং আমাদের দায়িত্ব হলো-

ক. খুশি জীবনযাপন করা খ. ঝগড়াবিবাদ করা

গ. নিজেরা সহনশীল হওয়ার চেষ্টা করা

ঘ. সবার খোঁজখবর নেওয়া

৭৮। আমরা প্রতিনিয়ত কুরিপুর তাড়নায় এবং শয়তানের প্ররোচনায় বিভিন্ন পাপকার্য করার পরও আল্লাহতায়ালা আমাদের শাস্তি দেন না। এটি কিসের উদাহরণ?

ক. সর্বশ্রোতার খ. অতি সহনশীলতার

গ. সর্বদ্রষ্টার ঘ. সর্বশক্তিমানের

৭৯। তোমার এক আত্মীয় তোমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে। এ অবস্থায় তোমার করণীয় কী?

ক. তার প্রতি সহনশীল হব

খ. তার প্রতি বিরূপ ধারণা পোষণ করব

গ. তার শাস্তির ব্যবস্থা করব

ঘ. তার সঙ্গ ত্যাগ করব

৮০। আল্লাহু সামিউন অর্থ কী?

ক. আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল খ. আল্লাহ সর্বশক্তিমান

গ. আল্লাহ সর্বদ্রষ্টা ঘ. অল্লাহ সর্বশ্রোতা

৮১। সর্বশ্রোতা কে?

ক. আল্লাহ খ. মহানবী (সা.)

গ. মুমিন বান্দারা ঘ. শয়তান

৮২। আমাদের মনের সব পরিকল্পনার খবর-

ক. আমরাই কেবল জানি

খ. অন্য কেউ জানতে পারে না।

গ. আল্লাহতায়ালা জানেন ঘ. সবাই জানতে পারে

৮৩। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব শোনেন, সব জানেন। -আয়াতটি কোন সূরার?

ক. সূরা লোকমান খ. সূরা নিসা

গ. সূরা বাকারা ঘ. সূরা যুমার

৮৪। আল্লাহ বাসিরুন অর্থ কী?

ক. আল্লাহ পরাক্রমশালী খ. আল্লাহ সর্বশক্তিমান

গ. আল্লাহ সর্বদ্রষ্টা ঘ. আল্লাহ সর্বশ্রোতা

৮৫। কার কাছে অদৃশ্য কিছুই নেই?

ক. হজরত আদম (আ.)-এর খ. নবী-রাসূলগণে

গ. আল্লাহ তায়ালার ঘ. মহানবী (সা.)-এর

৮৬। ‘নিশ্চয় আল্লাহ সব জানেন, সব শোনেন।’-উক্তিটি কে করেছেন?

ক. আল্লাহতায়ালা খ. মহানবী (সা.)

গ. হজরত আদম (আ.) ঘ. মুমিনরা

উত্তর : ৭৬। ক ৭৭। গ ৭৮। খ ৭৯। ক ৮০। ঘ ৮১। ক ৮২। গ ৮৩। গ। ৮৪। গ ৮৫। গ ৮৬। ক।

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
 আফরোজা বেগম 
২১ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিনিয়র শিক্ষক, উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ

উত্তরা, ঢাকা

আমাদের অর্থনীতি : কৃষি ও শিল্প

প্রশ্ন : আমাদের দেশের পাঁচটি শস্যের নাম লিখ।

উত্তর : বাংলাদেশ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি। আমাদের দেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের দেশের পাঁচটি শস্যের নাম দেওয়া হলো : * ধান * ডাল * গম * আলু * তৈলবীজ

তবে আমাদের প্রধান শস্য হলো ধান।

প্রশ্ন : বাংলাদেশের তিনটি বৃহৎ শিল্পের নাম লিখ।

উত্তর : বাংলাদেশ শিল্পে তত উন্নত নয়। বাংলাদেশের তিনটি শিল্পের নাম নিচে দেওয়া হলো-

* সারশিল্প * সিমেন্টশিল্প * কাগজশিল্প

প্রশ্ন : বাংলাদেশের তিনটি কুটিরশিল্পের নাম লিখ।

উত্তর : বাংলাদেশ সুপ্রাচীনকাল থেকে কুটিরশিল্পে সমৃদ্ধ। বাংলাদেশের তিনটি কুটিরশিল্পের নাম নিচে দেওয়া হলো-

* কাঠ, বাঁশ, বেতের শিল্প * কাঁসার শিল্প * মৃৎশিল্প

প্রশ্ন : বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের কীভাবে সহায়তা করে?

উত্তর : বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। সুজলা-সুফলা বাংলার উর্বর ভূমিতে নানা ফসল ফলে। যেসব কৃষি পণ্য বিদেশে রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে। বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল হলো পাট, চা, তামাক। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের নিুলিখিতভাবে সহায়তা করে।

পাট : পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরি কৃষি দ্রব্য। পৃথিবীতে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণ পাট উৎপন্ন হয়। পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এ জন্য বাংলাদেশে পাটকে ‘সোনালি আঁশ’ বলা হয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৪৫ লাখ মেট্রিক টন পাট উৎপন্ন হয়। এ দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ পাট চাষ ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ফলে বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক জীবনের বড় অংশ পাটের ওপর নির্ভরশীল।

চা : পাটের মতো চা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের জলবায়ু চা চাষের জন্য উপযোগী। বাংলাদেশে অনেক চা বাগান রয়েছে। প্রতি বছর বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ চা উৎপন্ন হয়। এ দেশের চাহিদা পূরণ করে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চা বিদেশে রফতানি করা হয়। বিদেশে বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম রয়েছে। চা রফতানি করে বাংলাদেশ প্রতি বছর অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

তামাক : বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলে তামাক চাষ হয়। এসব অঞ্চলে দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন জাতের তামাক চাষ হয়। বাংলাদেশ তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য রফতানি করে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। তবে তামাক মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ফলে এর চাষ নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। এগুলো ছাড়া বাংলাদেশে তুলা, সুপারি, রেশম, রাবার ইত্যাদি অর্থকরি কৃষি দ্রব্য উৎপন্ন হয়। তা ছাড়া বাংলাদেশের কৃষকরা কিছু ভিন্ন ধরনের উৎপাদনমুখী কাজও করে থাকেন। যেমন : আপেল, বরই চাষ, স্ট্রবেরি চাষ, মাছ চাষ এবং হাঁস-মুরগি পালন।

সুতরাং; বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা

মো. ফোরকান আহমেদ

সহকারী শিক্ষক, মুনলাইট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

ভোলা

আকাইদ বিশ্বাস

বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর

[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]

৭৬। “আল্লাহ সর্বজ্ঞানী, অতি সহনশীল।” বাণীটি কার?

ক. আল্লাহতায়ালার খ. মহানবী (সা.)-এর

গ. হজরত আলী (রা.)-এর ঘ. হজরত দাউদ (আ.)-এর

৭৭। মহান আল্লাহতায়ালা আমাদের প্রতি সহনশীল। সুতারাং আমাদের দায়িত্ব হলো-

ক. খুশি জীবনযাপন করা খ. ঝগড়াবিবাদ করা

গ. নিজেরা সহনশীল হওয়ার চেষ্টা করা

ঘ. সবার খোঁজখবর নেওয়া

৭৮। আমরা প্রতিনিয়ত কুরিপুর তাড়নায় এবং শয়তানের প্ররোচনায় বিভিন্ন পাপকার্য করার পরও আল্লাহতায়ালা আমাদের শাস্তি দেন না। এটি কিসের উদাহরণ?

ক. সর্বশ্রোতার খ. অতি সহনশীলতার

গ. সর্বদ্রষ্টার ঘ. সর্বশক্তিমানের

৭৯। তোমার এক আত্মীয় তোমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে। এ অবস্থায় তোমার করণীয় কী?

ক. তার প্রতি সহনশীল হব

খ. তার প্রতি বিরূপ ধারণা পোষণ করব

গ. তার শাস্তির ব্যবস্থা করব

ঘ. তার সঙ্গ ত্যাগ করব

৮০। আল্লাহু সামিউন অর্থ কী?

ক. আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল খ. আল্লাহ সর্বশক্তিমান

গ. আল্লাহ সর্বদ্রষ্টা ঘ. অল্লাহ সর্বশ্রোতা

৮১। সর্বশ্রোতা কে?

ক. আল্লাহ খ. মহানবী (সা.)

গ. মুমিন বান্দারা ঘ. শয়তান

৮২। আমাদের মনের সব পরিকল্পনার খবর-

ক. আমরাই কেবল জানি

খ. অন্য কেউ জানতে পারে না।

গ. আল্লাহতায়ালা জানেন ঘ. সবাই জানতে পারে

৮৩। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব শোনেন, সব জানেন। -আয়াতটি কোন সূরার?

ক. সূরা লোকমান খ. সূরা নিসা

গ. সূরা বাকারা ঘ. সূরা যুমার

৮৪। আল্লাহ বাসিরুন অর্থ কী?

ক. আল্লাহ পরাক্রমশালী খ. আল্লাহ সর্বশক্তিমান

গ. আল্লাহ সর্বদ্রষ্টা ঘ. আল্লাহ সর্বশ্রোতা

৮৫। কার কাছে অদৃশ্য কিছুই নেই?

ক. হজরত আদম (আ.)-এর খ. নবী-রাসূলগণে

গ. আল্লাহ তায়ালার ঘ. মহানবী (সা.)-এর

৮৬। ‘নিশ্চয় আল্লাহ সব জানেন, সব শোনেন।’-উক্তিটি কে করেছেন?

ক. আল্লাহতায়ালা খ. মহানবী (সা.)

গ. হজরত আদম (আ.) ঘ. মুমিনরা

উত্তর : ৭৬। ক ৭৭। গ ৭৮। খ ৭৯। ক ৮০। ঘ ৮১। ক ৮২। গ ৮৩। গ। ৮৪। গ ৮৫। গ ৮৬। ক।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন