নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা
jugantor
নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা
বাংলা দ্বিতীয়পত্র

  উজ্জ্বল কুমার সাহা  

১১ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা

প্রভাষক, সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা

নৈর্ব্যক্তিক প্রস্তুতি

১. মধ্যম পুরুষের উদাহরণ কোনটি?

ক. তারা খ. আমরা

গ. আমি √ঘ. তোমরা

২. প্রভাতে সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়- উঠলে ক্রিয়াটি কোন ক্রিয়া?

ক. সমাপিকা √খ. অসমাপিকা

গ. প্রযোজক ক্রিয়া ঘ. যৌগিক ক্রিয়া

৩. সাইরেন বেজে উঠল- এখানে কী বুঝাতে যৌগিক ক্রিয়াটির ব্যবহার হয়েছে?

√ক. আকস্মিকতা খ. ব্যাপ্তি

গ. সমাপ্তি ঘ. ক্রমশ

৪. কর্মধারয় সমাসের কোন পদ প্রধান?

ক. অন্যপদ খ. উভয় পদ

গ. পূর্বপদ √ঘ. পরপদ

৫. কোনটি ‘নিপাতনে সিদ্ধ’ বহুব্রীহি সমাসের সমাপদ?

ক. দ্বিপ খ. দীপ

√গ. দ্বীপ ঘ. দিপ

৬. ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কী বলা হয়?

ক. যতি √খ. ধাতু

গ. উক্তি ঘ. প্রকৃতি

৭. বিশেষ্য, বিশেষণ বা অনুকার অব্যয়ের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে কী বলে?

ক. সাধিত ধাতু খ. বিদেশি ধাতু

গ. মৌলিক ধাতু √ঘ. নাম ধাতু

৮. ‘শৈশব-এর প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?

√ক. শিশু+ষ্ণ খ. শিশু + ষ্ণ্য

গ. শিশু + শব ঘ. শৈ + শব

৯. আক্ষেপ প্রকাশে অতীতের স্থলে কোন কাল ব্যবহৃত হয়?

ক. বর্তমান কাল √খ. ভবিষ্যৎ কাল

গ. নিত্যবৃত্ত অতীত কাল ঘ. পুরাঘটিত বর্তমান

১০. ধাতুর পরে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাদেরকে বলে-

ক. অনুসর্গ খ. প্রত্যয়

√গ. ক্রিয়া-বিভক্তি ঘ. কৃৎ প্রত্যয়

১১. ধাতুর ‘গণ’ বলতে কী বোঝায়?

√ক. ধাতুর বানানের ধরন

খ. ধাতুর গঠন অনুসারে

গ. ক্রিয়া বিভক্তি যোগের নিয়ম

ঘ. ক্রিয়াপদ গঠনের নিয়ম

১২. ‘আকাশে চাঁদ উঠেছে’- ‘আকাশে’ কোন অধিকরণ?

ক. অভিব্যাপক খ. বৈষয়িক

গ. ঐকদেশিক ঘ. কালাধিকরণ

গ. তাকে ডেকে আন

√ঘ. ‘বেলা যে পড়ে এল, জলকে চল’

১৩. অনুজ্ঞা কোন কালে ব্যবহৃত হয়?

√ক. বর্তমান ও ভবিষ্যৎ

খ. ভবিষ্যৎ ও অতীত

গ. বর্তমান ও অতীত

ঘ. নিত্যবৃত্ত ও ঘটমান অতীত

১৪. আছ প্রভু তুমি জগৎ মাঝারে।- এখানে ‘মাঝারে’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

ক. বাইরে √খ. ব্যাপ্তি

গ. মধ্যে ঘ. সঙ্গে

১৫. ‘যার দু’হাত সমানে চলে’- তাকে এক কথায় কী বলে?

ক. দোহাতী খ. দ্বিজ

√গ. সব্যসাচী ঘ. দ্বিত

১৬. ‘রাবণের চিতা’- বাগধারার অর্থ কী?

ক. ভীষণ চক্রান্ত খ. ভীষণ শত্রুতা

√গ. চির অশান্তি ঘ. ছোটখাটো ঝগড়া

১৭. ‘হালাকু খাঁ বাগদাদ নগরী ধ্বংস করেন।’- এটা কোন বাচ্যের উদাহরণ?

ক. কর্মবাচ্য √খ. কর্তৃবাচ্য

গ. ভাববাচ্য ঘ. কর্মকর্তৃবাচ্য

১৮. বিরামচিহ্ন কেন ব্যবহৃত হয়?

ক. বাক্য সংকোচনের জন্য

√খ. বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্য

গ. বাক্যের সৌন্দর্যের জন্য

ঘ. বাক্যকে অলংকৃত করার জন্য

১৯. কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দ?

ক. সূর্য খ. সুনাম

গ. জবান √ঘ. জ্যোছনা

২০. বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক কী?

√ক. শব্দ খ. বর্ণ

গ. ধ্বনি ঘ. চিহ্ন

পদার্থবিজ্ঞান

মো. বদরুল ইসলাম

সহকারী শিক্ষক, গভর্নমেন্ট সায়েন্স হাইস্কুল তেজগাঁও, ঢাকা

গতি

[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]

৩২। রৈখিক গতিশীল বস্তু কোন পথে চলে?

উত্তর : সরল পথে।

৩৩। ঘূর্ণন গতির ক্ষেত্রে নির্দিষ্টি বিন্দু থেকে গতিশীল বস্তুর দূরত্ব কিরূপ হবে?

উত্তর : বর্গের সমানুপাতিক হারে বাড়বে।

৩৪। কোন গতির ক্ষেত্রে বস্তুর সব কণা একই সময়ে সমান দূরত্ব অতিক্রম করে? উত্তর : চলন গতি।

৩৫। কোন গতির ক্ষেত্রে বস্তুটি নির্দিষ্ট সময় পর পর কোন বস্তুকে অতিক্রম করে? উত্তর : পর‌্যাবৃত্ত গতি।

৩৬। সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতিকে কি গতি বলে?

উত্তর : পর‌্যাবৃত্ত গতি।

৩৭। সরল দোলনের গতি কিরূপ গতি?

উত্তর : স্পন্দন গতি।

৩৮। যা পরিমাপ করা যায় তাকে কী বলে? উত্তর : রাশি।

৩৯। ভেক্টর রাশির অপর নাম কী? উত্তর : দিক রাশি।

৪০। চৌম্বক তীব্রতা কোন রাশি? উত্তর : ভেক্টর রাশি।

৪১। নির্দিষ্ট দিকে দূরত্ব বা অবস্থানের পরিবর্তনকে কী বলে?

উত্তর : সরণ।

৪২। 40J কী ধরনের রাশি? উত্তর : স্কেলার রাশি।

৪৩। দুটি ভেক্টর রাশির মান যদি 4 সে.মি. ও 3 সে.মি. হয় তবে তাদের মধ্যবর্তী কোনের ওপর নির্ভর করে যোগফলের মান কত হবে?

উত্তর : 1 থেকে 7 সে.মি. পর্যন্ত যে কোনো সংখ্যা।

৪৪। একটি বস্তুর্র্ A থেকে B অবস্থানে 7s এ স্থানান্তরিত হয়। এ সময় বস্তুটির বেগ 3ms¯¹ থেকে 31ms¯¹ এ উন্নীত হয়। বস্তুটির ত্বরণ কত? উত্তর : 4.0 ms¯²

৪৫। বল কোন রাশি? উত্তর : ভেক্টর রাশি।

৪৬। অদিক রাশির অপর নাম কী? উত্তর : স্কেলার রাশি।

৪৭। গিটারের গতি কী ধরনের গতি? উত্তর : স্পন্দন গতি।

৪৮। পেট্রোল ইঞ্জিনের সিলিন্ডারের মধ্যে পিস্টনের গতি কিরূপ? উত্তর : পর‌্যাবৃত্ত গতি।

৪৯। স্কেলার রাশির যোগ কোন নিয়মে করতে হয়?

উত্তর : বীজগাণিতিক নিয়মে।

৫০। ভেক্টর রাশির যোগ বিয়োগ কোন নিয়মে করতে হয়?

উত্তর : জ্যামিতিক নিয়মে।

৫১। কোন বস্তু কত দ্রুত চলছে তা কিসের ওপর নির্ভর করে? উত্তর : বস্তুর দ্রুতির ওপর।

৫২। গতিকালে কোনো বস্তুর দ্রুতি অপরিবর্তিত থাকলে তাকে কী বলে?

উত্তর : সুষম দ্রুতি।

৫৩। প্রকৃত দ্রুতির অপর নাম কী?

উত্তর : তাৎক্ষণিক দ্রুতি।

৫৪। কোনো বস্তুর সরণের হারকে কী বলে? উত্তর : বেগ।

৫৫। নির্দিষ্ট দিকের দ্রুতিকে কী বলে? উত্তর : বেগ।

৫৬। গতিশীল বস্তুর বেগের মান ও দিক অপরিবর্তিত থাকলে তাকে কী বলে? উত্তর : সুষম বেগ।

৫৭। 0° তাপমাত্রায় বায়ুতে শব্দের বেগ কত?

উত্তর : 332 মি/সে²

৫৮। গাড়ির বেগ সাধারণত কী ধরনের বেগ?

উত্তর : অসম বেগ।

৫৯। সময়ের সঙ্গে বস্তুর অসম বেগের বৃদ্ধির হারকে কী বলে? উত্তর : ত্বরণ।

৬০। স্থির অবস্থান থেকে সুষম ত্বরণে চলমান বস্তুর ক্ষেত্রে কোন সম্পর্কটি সঠিক? উত্তর : S œ t2

৬১। 72 kmh¯² বেগে চলন্ত একটি গাড়িতে ৪ সেকেন্ড যাবৎ 1.5 ms¯² ত্বরণ প্রয়োগ করা হলো। গাড়িটির শেষ বেগ কত? উত্তর : 26 ms¯²

৬২। গড় দ্রুতি কাকে বলে?

উত্তর : বস্তু যদি সুষম দ্রুতিতে না চলে তাহলে তার অতিক্রান্ত মোট দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করলে গড়ে প্রতি একক সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্ব পাওয়া যায়। একে গড় দ্রুতি বলে।

৬৩। সরণ কোন রাশি? উত্তর : সরন একটি স্কেলার রাশি।

৬৪। দূরত্ব কাকে বলে?

উত্তর : বস্তুর অবস্থান পরিবর্তনের জন্য যে রাশি ব্যবহার করা হয় তাকে দূরত্ব বলে।

৬৫। প্রসঙ্গ বস্তু কাকে বলে?

উত্তর : এ মহাবিশ্বের কোনো কিছুর অবস্থান নির্দেশ করার জন্য একটি বিন্দুকে স্থির করে নিতে হয়। এই বন্দুকে প্রসঙ্গ বিন্দু বা মূল বিন্দু বলা হয়।

৬৬। স্থিতি কাকে বলে?

উত্তর : সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে পারিপার্শ্বের সাপেক্ষে যখন কোনো বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তন না ঘটে তখন তাকে স্থিতিশীল বস্তু বলে। স্থিতিশীল বস্তুর এ অবস্থার পরিবর্তন না ঘটাকে স্থিতি বলে।

হিসাববিজ্ঞান

এইচ. এম. মতিউর রহমান

সহকারী শিক্ষক (ব্যবসায় শিক্ষা)

পটুয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, পটুয়াখালী।

দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি

১. দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি - নির্ভরযোগ্য, বিজ্ঞানসম্মত, পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ হিসাব সংরক্ষণ পদ্ধতি।

২. যে পদ্ধতিতে প্রতিটি লেনদেনের ডেবিট ও ক্রেডিট এ উভয় দিক লিপিবদ্ধ করা হয় দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি।

৩. লেনদেনগুলো দ্বৈত সত্তায় প্রকাশ করে- দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতির মাধ্যমে।

৪. দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি বর্ণনা করেন-লুকা প্যাসিওলি।

৫. হিসাবখাতগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়- দ্বৈত সত্তায়।

৬. ব্যবসায়ের প্রকৃত আর্থিক অবস্থা জানায়- দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি।

৭. মোট ডেবিট টাকা সর্বদা ক্রেডিট টাকার সমান হবে- মোট ক্রেডিট টাকার।

৮. দ্বৈত সত্তা বলতে বোঝায়- দুটি পক্ষ বা হিসাব।

৯. লেনদেনের দুটি পক্ষ হলো- ডেবিট ও ক্রেডিট।

১০. দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতির মূলনীতি

- মোট ডেবিট সর্বদাই মোট ক্রেডিট টাকার সমান।

১১. দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতির মূলনীতি বা বৈশিষ্ট্য- ৫টি।

১২. প্রতিটি লেনদেন- হিসাব সমীকরণকে প্রভাবিত করে।

১৩. ডেবিট ও ক্রেডিট টাকার পরিমাণ

- সর্বদাই সমান হবে।

১৪. প্রতিটি হিসাব খাতগুলোর শ্রেণি নির্ণীত হয়- ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয়ের পূর্বে।

১৫. দু-তরফা দাখিলার মূল বৈশিষ্ট্য

- দ্বৈত সত্তা বা দুটি হিসাব খাত।

১৬. দু-তরফা দাখিলা সর্বাধিক জনপ্রিয়

- বড় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে।

১৭. হিসাবের গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাইয়ে আবশ্যক

- রেওয়ামিল প্রস্তুত।

১৮. আর্থিক অবস্থার বিবরণী প্রস্তুত করা হয়

- একটি নির্দিষ্ট তারিখে।

১৯. ‘ব্যয় নিয়ন্ত্রণ’ দু-তরফা দাখিলার একটি - সুবিধা।

২০. হিসাবের সর্বজন স্বীকৃত পদ্ধতি

- দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি।

২১. ব্যবসায়ের হিসাবসমূহকে ভাগ করা যায় - ৫ ভাগে।

২২. হিসাব সমীকরণের মূল ভিত্তি - মোট ডেবিট

= মোট ক্রেডিট।

২৩. হিসাব সমীকরণের মূল উপাদান

- সম্পদ, দায় ও মালিকানা স্বত্ব।

২৪. সম্পদের সঙ্গে দায়ের সম্পর্ক - বিপরীত।

২৫. মালিকানা স্বত্ব প্রতিষ্ঠানের জন্য এক ধরনের - দায়।

২৬. মালিক ও ব্যবসায় আলাদা স্বত্তা - ব্যবসায়িক সত্তা নীতির কারণে।

২৭. ব্যবসায়ের মূল উদ্দেশ্য - মুনাফা অর্জন।

২৮. মালিকানা স্বত্ব বৃদ্ধি পায়

- আয় বৃদ্ধি ও ব্যয় হ্রাস পেলে।

২৯. মালিকানা স্বত্ব হ্রাস পায়

- ব্যয় বৃদ্ধি ও আয় হ্রাস পেলে।

৩০. আয়ের সঙ্গে বিপরীত সম্পর্ক - ব্যয়ের।

৩১. দু-তরফা দাখিলায় রক্ষিত হিসাবের বই হলো

- জাবেদা ও খতিয়ান।

৩২. লেনদেনসমূহ সর্বপ্রথম লিপিবদ্ধ করা হয়

- জাবেদায়।

৩৩. হিসাবের প্রাথমিক বই বা সহকারী বই হলো

- জাবেদা।

৩৪. শুধু ধারে ক্রয় সংক্রান্ত লেনদেন অন্তর্ভুক্ত হয়

- ক্রয় জাবেদায়।

৩৫. সকল প্রকার ধারে বিক্রয় লিপিবদ্ধ করা হয়

- বিক্রয় জাবেদায়।

৩৬. ধারে ক্রয়কৃত পণ্য ফেরত দিলে লেখা হয়

- ক্রয় ফেরত জাবেদায়।

৩৭. ধারে বিক্রয়ক্রিত পণ্য ফেরত আসলে লেখা হয়

- বিক্রয় ফেরত জাবেদায়।

৩৮. সকল প্রকার নগদ লেনদেন লিপিবদ্ধ হয়

- নগদ প্রাপ্তি ও নগদ প্রদান জাবেদায়।

৩৯. বিশেষ জাবেদা বহির্ভূত লেনদেন লিপিবদ্ধ হয়

- প্রকৃত জাবেদায়।

৪০. হিসাবের পাকা বই বলা হয় - খতিয়ানকে।

৪১. ব্যবসায়ের কার্যক্রম অনন্তকাল ধরে চলবে

- চলমান প্রতিষ্ঠান ধারণা।

৪২. হিসাব সংরক্ষণের ধারাবাহিক আবর্তনই হলো

- হিসাব চক্র।

৪৩. লেনদেন শনাক্ত করা হয় হিসাব চক্রের- প্রথম ধাপে।

৪৪. লেনদেনসমূহ আলাদা আলাদা শিরোনামে বসে

- খতিয়ানে।

৪৫. প্রকৃত আর্থিক অবস্থা নির্ণয়ের জন্য আবশ্যক

- সমন্বয় দাখিলা।

৪৬. আর্থিক বিবরণী সহজ করার জন্য প্রস্তুত করা হয়

- কার্যপত্র।

নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা

বাংলা দ্বিতীয়পত্র
 উজ্জ্বল কুমার সাহা 
১১ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা
ছবি: সংগৃহীত

প্রভাষক, সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা

নৈর্ব্যক্তিক প্রস্তুতি

১. মধ্যম পুরুষের উদাহরণ কোনটি?

ক. তারা খ. আমরা

গ. আমি √ঘ. তোমরা

২. প্রভাতে সূর্য উঠলে অন্ধকার দূর হয়- উঠলে ক্রিয়াটি কোন ক্রিয়া?

ক. সমাপিকা √খ. অসমাপিকা

গ. প্রযোজক ক্রিয়া ঘ. যৌগিক ক্রিয়া

৩. সাইরেন বেজে উঠল- এখানে কী বুঝাতে যৌগিক ক্রিয়াটির ব্যবহার হয়েছে?

√ক. আকস্মিকতা খ. ব্যাপ্তি

গ. সমাপ্তি ঘ. ক্রমশ

৪. কর্মধারয় সমাসের কোন পদ প্রধান?

ক. অন্যপদ খ. উভয় পদ

গ. পূর্বপদ √ঘ. পরপদ

৫. কোনটি ‘নিপাতনে সিদ্ধ’ বহুব্রীহি সমাসের সমাপদ?

ক. দ্বিপ খ. দীপ

√গ. দ্বীপ ঘ. দিপ

৬. ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কী বলা হয়?

ক. যতি √খ. ধাতু

গ. উক্তি ঘ. প্রকৃতি

৭. বিশেষ্য, বিশেষণ বা অনুকার অব্যয়ের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে কী বলে?

ক. সাধিত ধাতু খ. বিদেশি ধাতু

গ. মৌলিক ধাতু √ঘ. নাম ধাতু

৮. ‘শৈশব-এর প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?

√ক. শিশু+ষ্ণ খ. শিশু + ষ্ণ্য

গ. শিশু + শব ঘ. শৈ + শব

৯. আক্ষেপ প্রকাশে অতীতের স্থলে কোন কাল ব্যবহৃত হয়?

ক. বর্তমান কাল √খ. ভবিষ্যৎ কাল

গ. নিত্যবৃত্ত অতীত কাল ঘ. পুরাঘটিত বর্তমান

১০. ধাতুর পরে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাদেরকে বলে-

ক. অনুসর্গ খ. প্রত্যয়

√গ. ক্রিয়া-বিভক্তি ঘ. কৃৎ প্রত্যয়

১১. ধাতুর ‘গণ’ বলতে কী বোঝায়?

√ক. ধাতুর বানানের ধরন

খ. ধাতুর গঠন অনুসারে

গ. ক্রিয়া বিভক্তি যোগের নিয়ম

ঘ. ক্রিয়াপদ গঠনের নিয়ম

১২. ‘আকাশে চাঁদ উঠেছে’- ‘আকাশে’ কোন অধিকরণ?

ক. অভিব্যাপক খ. বৈষয়িক

গ. ঐকদেশিক ঘ. কালাধিকরণ

গ. তাকে ডেকে আন

√ঘ. ‘বেলা যে পড়ে এল, জলকে চল’

১৩. অনুজ্ঞা কোন কালে ব্যবহৃত হয়?

√ক. বর্তমান ও ভবিষ্যৎ

খ. ভবিষ্যৎ ও অতীত

গ. বর্তমান ও অতীত

ঘ. নিত্যবৃত্ত ও ঘটমান অতীত

১৪. আছ প্রভু তুমি জগৎ মাঝারে।- এখানে ‘মাঝারে’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

ক. বাইরে √খ. ব্যাপ্তি

গ. মধ্যে ঘ. সঙ্গে

১৫. ‘যার দু’হাত সমানে চলে’- তাকে এক কথায় কী বলে?

ক. দোহাতী খ. দ্বিজ

√গ. সব্যসাচী ঘ. দ্বিত

১৬. ‘রাবণের চিতা’- বাগধারার অর্থ কী?

ক. ভীষণ চক্রান্ত খ. ভীষণ শত্রুতা

√গ. চির অশান্তি ঘ. ছোটখাটো ঝগড়া

১৭. ‘হালাকু খাঁ বাগদাদ নগরী ধ্বংস করেন।’- এটা কোন বাচ্যের উদাহরণ?

ক. কর্মবাচ্য √খ. কর্তৃবাচ্য

গ. ভাববাচ্য ঘ. কর্মকর্তৃবাচ্য

১৮. বিরামচিহ্ন কেন ব্যবহৃত হয়?

ক. বাক্য সংকোচনের জন্য

√খ. বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্য

গ. বাক্যের সৌন্দর্যের জন্য

ঘ. বাক্যকে অলংকৃত করার জন্য

১৯. কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দ?

ক. সূর্য খ. সুনাম

গ. জবান √ঘ. জ্যোছনা

২০. বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক কী?

√ক. শব্দ খ. বর্ণ

গ. ধ্বনি ঘ. চিহ্ন

পদার্থবিজ্ঞান

মো. বদরুল ইসলাম

সহকারী শিক্ষক, গভর্নমেন্ট সায়েন্স হাইস্কুল তেজগাঁও, ঢাকা

গতি

[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]

৩২। রৈখিক গতিশীল বস্তু কোন পথে চলে?

উত্তর : সরল পথে।

৩৩। ঘূর্ণন গতির ক্ষেত্রে নির্দিষ্টি বিন্দু থেকে গতিশীল বস্তুর দূরত্ব কিরূপ হবে?

উত্তর : বর্গের সমানুপাতিক হারে বাড়বে।

৩৪। কোন গতির ক্ষেত্রে বস্তুর সব কণা একই সময়ে সমান দূরত্ব অতিক্রম করে? উত্তর : চলন গতি।

৩৫। কোন গতির ক্ষেত্রে বস্তুটি নির্দিষ্ট সময় পর পর কোন বস্তুকে অতিক্রম করে? উত্তর : পর‌্যাবৃত্ত গতি।

৩৬। সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গতিকে কি গতি বলে?

উত্তর : পর‌্যাবৃত্ত গতি।

৩৭। সরল দোলনের গতি কিরূপ গতি?

উত্তর : স্পন্দন গতি।

৩৮। যা পরিমাপ করা যায় তাকে কী বলে? উত্তর : রাশি।

৩৯। ভেক্টর রাশির অপর নাম কী? উত্তর : দিক রাশি।

৪০। চৌম্বক তীব্রতা কোন রাশি? উত্তর : ভেক্টর রাশি।

৪১। নির্দিষ্ট দিকে দূরত্ব বা অবস্থানের পরিবর্তনকে কী বলে?

উত্তর : সরণ।

৪২। 40J কী ধরনের রাশি? উত্তর : স্কেলার রাশি।

৪৩। দুটি ভেক্টর রাশির মান যদি 4 সে.মি. ও 3 সে.মি. হয় তবে তাদের মধ্যবর্তী কোনের ওপর নির্ভর করে যোগফলের মান কত হবে?

উত্তর : 1 থেকে 7 সে.মি. পর্যন্ত যে কোনো সংখ্যা।

৪৪। একটি বস্তুর্র্ A থেকে B অবস্থানে 7s এ স্থানান্তরিত হয়। এ সময় বস্তুটির বেগ 3ms¯¹ থেকে 31ms¯¹ এ উন্নীত হয়। বস্তুটির ত্বরণ কত? উত্তর : 4.0 ms¯²

৪৫। বল কোন রাশি? উত্তর : ভেক্টর রাশি।

৪৬। অদিক রাশির অপর নাম কী? উত্তর : স্কেলার রাশি।

৪৭। গিটারের গতি কী ধরনের গতি? উত্তর : স্পন্দন গতি।

৪৮। পেট্রোল ইঞ্জিনের সিলিন্ডারের মধ্যে পিস্টনের গতি কিরূপ? উত্তর : পর‌্যাবৃত্ত গতি।

৪৯। স্কেলার রাশির যোগ কোন নিয়মে করতে হয়?

উত্তর : বীজগাণিতিক নিয়মে।

৫০। ভেক্টর রাশির যোগ বিয়োগ কোন নিয়মে করতে হয়?

উত্তর : জ্যামিতিক নিয়মে।

৫১। কোন বস্তু কত দ্রুত চলছে তা কিসের ওপর নির্ভর করে? উত্তর : বস্তুর দ্রুতির ওপর।

৫২। গতিকালে কোনো বস্তুর দ্রুতি অপরিবর্তিত থাকলে তাকে কী বলে?

উত্তর : সুষম দ্রুতি।

৫৩। প্রকৃত দ্রুতির অপর নাম কী?

উত্তর : তাৎক্ষণিক দ্রুতি।

৫৪। কোনো বস্তুর সরণের হারকে কী বলে? উত্তর : বেগ।

৫৫। নির্দিষ্ট দিকের দ্রুতিকে কী বলে? উত্তর : বেগ।

৫৬। গতিশীল বস্তুর বেগের মান ও দিক অপরিবর্তিত থাকলে তাকে কী বলে? উত্তর : সুষম বেগ।

৫৭। 0° তাপমাত্রায় বায়ুতে শব্দের বেগ কত?

উত্তর : 332 মি/সে²

৫৮। গাড়ির বেগ সাধারণত কী ধরনের বেগ?

উত্তর : অসম বেগ।

৫৯। সময়ের সঙ্গে বস্তুর অসম বেগের বৃদ্ধির হারকে কী বলে? উত্তর : ত্বরণ।

৬০। স্থির অবস্থান থেকে সুষম ত্বরণে চলমান বস্তুর ক্ষেত্রে কোন সম্পর্কটি সঠিক? উত্তর : S œ t2

৬১। 72 kmh¯² বেগে চলন্ত একটি গাড়িতে ৪ সেকেন্ড যাবৎ 1.5 ms¯² ত্বরণ প্রয়োগ করা হলো। গাড়িটির শেষ বেগ কত? উত্তর : 26 ms¯²

৬২। গড় দ্রুতি কাকে বলে?

উত্তর : বস্তু যদি সুষম দ্রুতিতে না চলে তাহলে তার অতিক্রান্ত মোট দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করলে গড়ে প্রতি একক সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্ব পাওয়া যায়। একে গড় দ্রুতি বলে।

৬৩। সরণ কোন রাশি? উত্তর : সরন একটি স্কেলার রাশি।

৬৪। দূরত্ব কাকে বলে?

উত্তর : বস্তুর অবস্থান পরিবর্তনের জন্য যে রাশি ব্যবহার করা হয় তাকে দূরত্ব বলে।

৬৫। প্রসঙ্গ বস্তু কাকে বলে?

উত্তর : এ মহাবিশ্বের কোনো কিছুর অবস্থান নির্দেশ করার জন্য একটি বিন্দুকে স্থির করে নিতে হয়। এই বন্দুকে প্রসঙ্গ বিন্দু বা মূল বিন্দু বলা হয়।

৬৬। স্থিতি কাকে বলে?

উত্তর : সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে পারিপার্শ্বের সাপেক্ষে যখন কোনো বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তন না ঘটে তখন তাকে স্থিতিশীল বস্তু বলে। স্থিতিশীল বস্তুর এ অবস্থার পরিবর্তন না ঘটাকে স্থিতি বলে।

হিসাববিজ্ঞান

এইচ. এম. মতিউর রহমান

সহকারী শিক্ষক (ব্যবসায় শিক্ষা)

পটুয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, পটুয়াখালী।

দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি

১. দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি - নির্ভরযোগ্য, বিজ্ঞানসম্মত, পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ হিসাব সংরক্ষণ পদ্ধতি।

২. যে পদ্ধতিতে প্রতিটি লেনদেনের ডেবিট ও ক্রেডিট এ উভয় দিক লিপিবদ্ধ করা হয় দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি।

৩. লেনদেনগুলো দ্বৈত সত্তায় প্রকাশ করে- দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতির মাধ্যমে।

৪. দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি বর্ণনা করেন-লুকা প্যাসিওলি।

৫. হিসাবখাতগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়- দ্বৈত সত্তায়।

৬. ব্যবসায়ের প্রকৃত আর্থিক অবস্থা জানায়- দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি।

৭. মোট ডেবিট টাকা সর্বদা ক্রেডিট টাকার সমান হবে- মোট ক্রেডিট টাকার।

৮. দ্বৈত সত্তা বলতে বোঝায়- দুটি পক্ষ বা হিসাব।

৯. লেনদেনের দুটি পক্ষ হলো- ডেবিট ও ক্রেডিট।

১০. দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতির মূলনীতি

- মোট ডেবিট সর্বদাই মোট ক্রেডিট টাকার সমান।

১১. দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতির মূলনীতি বা বৈশিষ্ট্য- ৫টি।

১২. প্রতিটি লেনদেন- হিসাব সমীকরণকে প্রভাবিত করে।

১৩. ডেবিট ও ক্রেডিট টাকার পরিমাণ

- সর্বদাই সমান হবে।

১৪. প্রতিটি হিসাব খাতগুলোর শ্রেণি নির্ণীত হয়- ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয়ের পূর্বে।

১৫. দু-তরফা দাখিলার মূল বৈশিষ্ট্য

- দ্বৈত সত্তা বা দুটি হিসাব খাত।

১৬. দু-তরফা দাখিলা সর্বাধিক জনপ্রিয়

- বড় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে।

১৭. হিসাবের গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাইয়ে আবশ্যক

- রেওয়ামিল প্রস্তুত।

১৮. আর্থিক অবস্থার বিবরণী প্রস্তুত করা হয়

- একটি নির্দিষ্ট তারিখে।

১৯. ‘ব্যয় নিয়ন্ত্রণ’ দু-তরফা দাখিলার একটি - সুবিধা।

২০. হিসাবের সর্বজন স্বীকৃত পদ্ধতি

- দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি।

২১. ব্যবসায়ের হিসাবসমূহকে ভাগ করা যায় - ৫ ভাগে।

২২. হিসাব সমীকরণের মূল ভিত্তি - মোট ডেবিট

= মোট ক্রেডিট।

২৩. হিসাব সমীকরণের মূল উপাদান

- সম্পদ, দায় ও মালিকানা স্বত্ব।

২৪. সম্পদের সঙ্গে দায়ের সম্পর্ক - বিপরীত।

২৫. মালিকানা স্বত্ব প্রতিষ্ঠানের জন্য এক ধরনের - দায়।

২৬. মালিক ও ব্যবসায় আলাদা স্বত্তা - ব্যবসায়িক সত্তা নীতির কারণে।

২৭. ব্যবসায়ের মূল উদ্দেশ্য - মুনাফা অর্জন।

২৮. মালিকানা স্বত্ব বৃদ্ধি পায়

- আয় বৃদ্ধি ও ব্যয় হ্রাস পেলে।

২৯. মালিকানা স্বত্ব হ্রাস পায়

- ব্যয় বৃদ্ধি ও আয় হ্রাস পেলে।

৩০. আয়ের সঙ্গে বিপরীত সম্পর্ক - ব্যয়ের।

৩১. দু-তরফা দাখিলায় রক্ষিত হিসাবের বই হলো

- জাবেদা ও খতিয়ান।

৩২. লেনদেনসমূহ সর্বপ্রথম লিপিবদ্ধ করা হয়

- জাবেদায়।

৩৩. হিসাবের প্রাথমিক বই বা সহকারী বই হলো

- জাবেদা।

৩৪. শুধু ধারে ক্রয় সংক্রান্ত লেনদেন অন্তর্ভুক্ত হয়

- ক্রয় জাবেদায়।

৩৫. সকল প্রকার ধারে বিক্রয় লিপিবদ্ধ করা হয়

- বিক্রয় জাবেদায়।

৩৬. ধারে ক্রয়কৃত পণ্য ফেরত দিলে লেখা হয়

- ক্রয় ফেরত জাবেদায়।

৩৭. ধারে বিক্রয়ক্রিত পণ্য ফেরত আসলে লেখা হয়

- বিক্রয় ফেরত জাবেদায়।

৩৮. সকল প্রকার নগদ লেনদেন লিপিবদ্ধ হয়

- নগদ প্রাপ্তি ও নগদ প্রদান জাবেদায়।

৩৯. বিশেষ জাবেদা বহির্ভূত লেনদেন লিপিবদ্ধ হয়

- প্রকৃত জাবেদায়।

৪০. হিসাবের পাকা বই বলা হয় - খতিয়ানকে।

৪১. ব্যবসায়ের কার্যক্রম অনন্তকাল ধরে চলবে

- চলমান প্রতিষ্ঠান ধারণা।

৪২. হিসাব সংরক্ষণের ধারাবাহিক আবর্তনই হলো

- হিসাব চক্র।

৪৩. লেনদেন শনাক্ত করা হয় হিসাব চক্রের- প্রথম ধাপে।

৪৪. লেনদেনসমূহ আলাদা আলাদা শিরোনামে বসে

- খতিয়ানে।

৪৫. প্রকৃত আর্থিক অবস্থা নির্ণয়ের জন্য আবশ্যক

- সমন্বয় দাখিলা।

৪৬. আর্থিক বিবরণী সহজ করার জন্য প্রস্তুত করা হয়

- কার্যপত্র।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন