পরীক্ষায় সৃজনশীল প্রশ্ন সাতটি কেন?

  ইস্রাফিল আকন্দ ০৬ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রায় এক দশক হল, সৃজনশীল পদ্ধতি চালু করেছে সরকার। এটা অবশ্যই ভালো দিক, তা মানতেই হবে। জানা গেছে, দেশের ৫৭ ভাগ শিক্ষক সৃজনশীল প্রশ্ন তৈরিতে দক্ষ। পূর্বে এ সংখ্যা আরও কম ছিল।

তবে আমার জিজ্ঞাসা এ বিষয় নিয়ে নয়ং; আমার প্রশ্ন পরীক্ষায় সৃজনশীল প্রশ্ন সাতটি কেন? প্রতিটি পরীক্ষার সময় তিন ঘণ্টা। এই তিন ঘণ্টার মধ্যে বহু নির্বাচনী আধাঘণ্টা আর আড়াই ঘণ্টার মধ্যে সাতটি সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখা শেষ করতে হবে।

উত্তরের গুণগতমান রক্ষার পাশাপাশি নির্ভুল না হলে সৃজনশীলে বেশি নম্বর পাওয়া যায় না। কোনো একটা টপিকস শিক্ষার্থী হয়তো খুব ভালো বোঝে কিন্তু উত্তরপত্রে উপস্থাপন করতে পারে না সময়ের অভাবে। তাই পরীক্ষা শুরুর আগে থেকেই পরীক্ষার্থীদের কাছে আতঙ্ক হয়ে দাঁড়ায়- সৃজনশীল সাতটা! ফলে তাদের মানসিক চাপ বাড়তে থাকে, যা পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের অন্তরায় বলা চলে।

উল্লেখ্য, সৃজনশীল পদ্ধতি শুরুর পর থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ছয়টি সৃজনশীল প্রশ্ন এবং চল্লিশটি বহু নির্বাচনী প্রশ্ন ছিল। বলার অপেক্ষা রাখে না, ছয়টি সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখতে এত বেগ পেতে হতো না; এর ফলে পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপও বাড়ত না।

সৃজনশীল অর্থ নতুন কিছু সৃষ্টি করা। কার কতটুকু যোগ্যতা- এটা অল্পতেই বোঝা যায়। একটা কথা প্রচলিত রয়েছে- হাঁড়ির একটা মাত্র ভাত টিপেই সব ভাতের খবর জানা সম্ভব। এ আপ্তবাক্যের মতোই নির্ধারিত বিষয়ে কে কতটা সৃজনশীলে ও দক্ষ, তা অল্পতেই বোঝা যায়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ- শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা ভেবে দয়া করে বিকল্প পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

শ্রীপুর, গাজীপুর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত