স্বাস্থ্য খাতে আস্থার সংকট একদিনে তৈরি হয়নি
jugantor
স্বাস্থ্য খাতে আস্থার সংকট একদিনে তৈরি হয়নি

  আনোয়ার বারী পিন্টু  

১২ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসের দেখা মেলে দেশে। এরপর কোভিডের হানায় মানুষ জীবন ও জীবিকা নিয়ে নিদারুণ এক কষ্টের মধ্যে দিন অতিবাহিত করে। বিপর্যস্ত জীবিকার মধ্যেও এ সময় মানুষ নিজের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ে।

তাই সারা দেশের মানুষ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দিকেই বিশেষ নজর রাখছিল। এমন পরিস্থিতিতেও স্বাস্থ্য খাতের কোনো টনক নড়েনি; উল্টো কোভিড সময়কেই মোক্ষম সুযোগ মনে করে স্বার্থান্বেষী মহল আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। বেরিয়ে আসে একের পর এক দুর্নীতির চিত্র।

এর ফলে স্বাস্থ্য খাত নিয়ে মানুষের মধ্যে এক ধরনের আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে নমুনা পরীক্ষায় মানুষের আগ্রহে ভাটা লক্ষ করা যাচ্ছে। নমুনা সংগ্রহ কম হচ্ছে বলে স্বীকার করে নিয়েছে খোদ স্বাস্থ্য অধিদফতর। তবে

স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান সংকট একদিনে তৈরি হয়নি। স্বাস্থ্য খাত সম্পর্কে টিআইবির ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘গভীরে গিয়ে যারা এর সার্বিক প্রক্রিয়ার মধ্যে মূল ভূমিকাগুলো পালন করে থাকে, তাদের সবাইকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা বা একটা প্রতিরোধমূলক জায়গায় নিয়ে আসা- এটা খুবই কঠিন কাজ এবং অনেক সময় অসম্ভবও মনে হয়। কিন্তু যদি আইনের প্রয়োগটা হতো বা নীতিমালার প্রয়োগ হতো, তাহলে কিন্তু এটা খুবই সম্ভব।’

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ভূত ও চক্রান্তকারীদের প্রবেশ ঘটেছে। বিশ্লেষকদের মতে, করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির চিত্র প্রকাশ পাওয়ায় চুনোপুঁটি কয়েকজনকে ধরা হয়েছে। কিন্তু সংকটের গভীরে গিয়ে প্রভাবশালী মহল বা রাঘববোয়ালদের বিরুদ্ধে এখনও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। তাই রাঘববোয়ালদের আইনের আওতায় এনে স্বাস্থ্য খাতে দেশবাসীর আস্থা ফেরানো জরুরি হয়ে পড়েছে।

সংবাদকর্মী

স্বাস্থ্য খাতে আস্থার সংকট একদিনে তৈরি হয়নি

 আনোয়ার বারী পিন্টু 
১২ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসের দেখা মেলে দেশে। এরপর কোভিডের হানায় মানুষ জীবন ও জীবিকা নিয়ে নিদারুণ এক কষ্টের মধ্যে দিন অতিবাহিত করে। বিপর্যস্ত জীবিকার মধ্যেও এ সময় মানুষ নিজের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ে।

তাই সারা দেশের মানুষ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দিকেই বিশেষ নজর রাখছিল। এমন পরিস্থিতিতেও স্বাস্থ্য খাতের কোনো টনক নড়েনি; উল্টো কোভিড সময়কেই মোক্ষম সুযোগ মনে করে স্বার্থান্বেষী মহল আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। বেরিয়ে আসে একের পর এক দুর্নীতির চিত্র।

এর ফলে স্বাস্থ্য খাত নিয়ে মানুষের মধ্যে এক ধরনের আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে নমুনা পরীক্ষায় মানুষের আগ্রহে ভাটা লক্ষ করা যাচ্ছে। নমুনা সংগ্রহ কম হচ্ছে বলে স্বীকার করে নিয়েছে খোদ স্বাস্থ্য অধিদফতর। তবে

স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান সংকট একদিনে তৈরি হয়নি। স্বাস্থ্য খাত সম্পর্কে টিআইবির ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘গভীরে গিয়ে যারা এর সার্বিক প্রক্রিয়ার মধ্যে মূল ভূমিকাগুলো পালন করে থাকে, তাদের সবাইকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা বা একটা প্রতিরোধমূলক জায়গায় নিয়ে আসা- এটা খুবই কঠিন কাজ এবং অনেক সময় অসম্ভবও মনে হয়। কিন্তু যদি আইনের প্রয়োগটা হতো বা নীতিমালার প্রয়োগ হতো, তাহলে কিন্তু এটা খুবই সম্ভব।’

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ভূত ও চক্রান্তকারীদের প্রবেশ ঘটেছে। বিশ্লেষকদের মতে, করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির চিত্র প্রকাশ পাওয়ায় চুনোপুঁটি কয়েকজনকে ধরা হয়েছে। কিন্তু সংকটের গভীরে গিয়ে প্রভাবশালী মহল বা রাঘববোয়ালদের বিরুদ্ধে এখনও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। তাই রাঘববোয়ালদের আইনের আওতায় এনে স্বাস্থ্য খাতে দেশবাসীর আস্থা ফেরানো জরুরি হয়ে পড়েছে।

সংবাদকর্মী