ভেজাল থেকে মুক্তি মিলবে কবে?
jugantor
ভেজাল থেকে মুক্তি মিলবে কবে?

  মোহম্মদ শাহিন  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জীবন ধারণের জন্য খাদ্যের কোনো বিকল্প নেই। সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য দরকার নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার।

কিন্তু আমরা কতটা নিরাপদ খাদ্য খাচ্ছি, তা প্রশ্নবিদ্ধ। করোনায় আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার পরও সাধারণ মানুষ জীবিকার তাগিদে চড়াদামে পণ্য ক্রয় করলেও খাদ্যে ভেজাল নিয়ে দুশ্চিন্তা কমছে না তাদের।

প্রতিদিন হোটেল-রেস্তোরাঁ, বাসাবাড়ি কিংবা দোকানে যা খাচ্ছে মানুষ, সেগুলোর অধিকাংশই ভেজাল। একশ্রেণির মুনাফালোভী ব্যবসায়ী যোগসাজশ করে ভেজাল পণ্য বাজারজাত করছে। ফলে হুমকিতে পড়ছে জনস্বাস্থ্য।

চাল-ডাল, লবণ, তেল, মরিচ ও শিশুখাদ্যসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যে মেশানো হচ্ছে টেক্সটাইল রং ও কেমিক্যাল, হাইড্রোজ, কার্বাইড এবং ফরমালিনসহ বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান। বিষাক্ত রাসায়নিক মিশ্রিত এসব খাবার খেয়ে কিডনি, হার্ট ও লিভারসহ বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হচ্ছে মানুষের।

বিশেষ করে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। তাই, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে জনসচেতনতার পাশাপাশি টিসিবি, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বাজার মনিটরিং ও মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের অসাধু প্রবণতা রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।

শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

ভেজাল থেকে মুক্তি মিলবে কবে?

 মোহম্মদ শাহিন 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জীবন ধারণের জন্য খাদ্যের কোনো বিকল্প নেই। সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য দরকার নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার।

কিন্তু আমরা কতটা নিরাপদ খাদ্য খাচ্ছি, তা প্রশ্নবিদ্ধ। করোনায় আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার পরও সাধারণ মানুষ জীবিকার তাগিদে চড়াদামে পণ্য ক্রয় করলেও খাদ্যে ভেজাল নিয়ে দুশ্চিন্তা কমছে না তাদের।

প্রতিদিন হোটেল-রেস্তোরাঁ, বাসাবাড়ি কিংবা দোকানে যা খাচ্ছে মানুষ, সেগুলোর অধিকাংশই ভেজাল। একশ্রেণির মুনাফালোভী ব্যবসায়ী যোগসাজশ করে ভেজাল পণ্য বাজারজাত করছে। ফলে হুমকিতে পড়ছে জনস্বাস্থ্য।

চাল-ডাল, লবণ, তেল, মরিচ ও শিশুখাদ্যসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যে মেশানো হচ্ছে টেক্সটাইল রং ও কেমিক্যাল, হাইড্রোজ, কার্বাইড এবং ফরমালিনসহ বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান। বিষাক্ত রাসায়নিক মিশ্রিত এসব খাবার খেয়ে কিডনি, হার্ট ও লিভারসহ বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হচ্ছে মানুষের।

বিশেষ করে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। তাই, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে জনসচেতনতার পাশাপাশি টিসিবি, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বাজার মনিটরিং ও মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের অসাধু প্রবণতা রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।

শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]