চন্দনাইশের কাজি পেয়ারা
jugantor
চন্দনাইশের কাজি পেয়ারা

  মুহাম্মদ আবু হানিফ  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের আপেল হিসেবে খ্যাত ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সুস্বাদু পেয়ারার একটি উন্নত জাত কাজি পেয়ারা। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, খেতে সুস্বাদু ও দেখতে সুন্দর বলে এ পেয়ারার কদরও বেশি, যা চট্টগ্রামের চন্দনাইশের পাহাড়ি উর্বর জমিতে প্রচুর উৎপাদন হয়।

পেয়ারার মৌসুমে পেয়ারার বাজারগুলোতে থাকে লাল কাপড়ে মোড়ানো বিক্রেতাদের কাঁধে সারি সারি পেয়ারার ভার। এই লাল কাপড়ের থলেতে করেই পেয়ারা বিক্রি করেন বিক্রেতারা, যা একটানা চলে অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত।

চারা রোপণ থেকে শুরু করে ফল আহরণ পর্যন্ত তেমন একটা রাসায়নিক সার কিংবা কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না বলে ফলটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ নিরাপদ। পেয়ারার মৌসুমে চন্দনাইশের রৌশনহাট, কাঞ্চননগর ও বাগিচাহাট থেকে প্রতিদিন চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এ সময় বিশাল এলাকাজুড়ে হাজারও মানুষের পদভারে মুখরিত হয় পেয়ারার বাজারগুলো।

সম্ভাবনাময় সুমিষ্ট পাহাড়ি পেয়ারা একদিকে মানুষের রসনা তৃপ্ত করছে, অন্যদিকে হাজারও কৃষকের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। এ ফল চাষ করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান হয়েছে হাজারও মানুষের।

পেয়ারা মৌসুমে চন্দনাইশে অনেক বেকার মানুষের ভাগ্য পাল্টে যায়। পেয়ারা বিক্রি করে অনেক দুস্থ পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। বলা চলে, কাজি পেয়ারা চন্দনাইশের অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল থেকে প্রতিদিন পেয়ারা সংগ্রহ করে বাজারজাতকরণে দুর্ভোগের শেষ থাকে না।

পেয়ারা সংরক্ষণের জন্য এ অঞ্চলে কোনো হিমাগার নেই। হিমাগার থাকলে হয়তো লাখ লাখ টাকার পেয়ারা নষ্ট হওয়ার হাত থেকে

রক্ষা পেত।

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম কলেজ

চন্দনাইশের কাজি পেয়ারা

 মুহাম্মদ আবু হানিফ 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের আপেল হিসেবে খ্যাত ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সুস্বাদু পেয়ারার একটি উন্নত জাত কাজি পেয়ারা। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, খেতে সুস্বাদু ও দেখতে সুন্দর বলে এ পেয়ারার কদরও বেশি, যা চট্টগ্রামের চন্দনাইশের পাহাড়ি উর্বর জমিতে প্রচুর উৎপাদন হয়।

পেয়ারার মৌসুমে পেয়ারার বাজারগুলোতে থাকে লাল কাপড়ে মোড়ানো বিক্রেতাদের কাঁধে সারি সারি পেয়ারার ভার। এই লাল কাপড়ের থলেতে করেই পেয়ারা বিক্রি করেন বিক্রেতারা, যা একটানা চলে অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত।

চারা রোপণ থেকে শুরু করে ফল আহরণ পর্যন্ত তেমন একটা রাসায়নিক সার কিংবা কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না বলে ফলটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ নিরাপদ। পেয়ারার মৌসুমে চন্দনাইশের রৌশনহাট, কাঞ্চননগর ও বাগিচাহাট থেকে প্রতিদিন চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এ সময় বিশাল এলাকাজুড়ে হাজারও মানুষের পদভারে মুখরিত হয় পেয়ারার বাজারগুলো।

সম্ভাবনাময় সুমিষ্ট পাহাড়ি পেয়ারা একদিকে মানুষের রসনা তৃপ্ত করছে, অন্যদিকে হাজারও কৃষকের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। এ ফল চাষ করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান হয়েছে হাজারও মানুষের।

পেয়ারা মৌসুমে চন্দনাইশে অনেক বেকার মানুষের ভাগ্য পাল্টে যায়। পেয়ারা বিক্রি করে অনেক দুস্থ পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। বলা চলে, কাজি পেয়ারা চন্দনাইশের অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল থেকে প্রতিদিন পেয়ারা সংগ্রহ করে বাজারজাতকরণে দুর্ভোগের শেষ থাকে না।

পেয়ারা সংরক্ষণের জন্য এ অঞ্চলে কোনো হিমাগার নেই। হিমাগার থাকলে হয়তো লাখ লাখ টাকার পেয়ারা নষ্ট হওয়ার হাত থেকে

রক্ষা পেত।

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম কলেজ