ল্যান্ড সার্ভে মোকদ্দমায় দীর্ঘসূত্রতার অবসান চাই
jugantor
ল্যান্ড সার্ভে মোকদ্দমায় দীর্ঘসূত্রতার অবসান চাই

  ইসমত আরা রহমান  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আমি ১৯৮২ সালের ১৯ এপ্রিল আলমাছ আলী, পিতা-জব্বর আলী, সাং-হলান, দক্ষিণখান, ঢাকা-এর ওয়ারিশ সূত্র প্রাপ্ত (উল্লেখ্য, আলমাছ আলীর পিতা জব্বর আলী ৬৬৭৯-৬৩-১৩২/১৯২৫ নং দলিল মূলে ১৪-১১-১৯২৫ সনে উক্ত জমি ক্রয় করে আমৃত্যু ভোগদখলরত ছিলেন) এবং ক্রয় সূত্রে এক বোনের মালিকানাধীন ২১২৬ দাগের মোট ০.৭৫ শতাংশ জমি থেকে যথাক্রমে ২৫৪৭ ও ২৮৯৩ নং দলিল মূলে মোট ০.৮+০.৮ = ০.১৬ শতাংশ জমি সাব কবলা দলিল মূলে ক্রয় করে ভোগদখল করে আসছি (আমার জমি কর্নার প্লট, যার উত্তরে উঁচু পাকা দেয়াল, দক্ষিণে ২৫ ফুট সরকারি রাস্তা, পূর্বে পাকা দেয়াল এবং পশ্চিমে ১৬ ফুট কাঁচা রাস্তা দ্বারা বেষ্টিত)।

২০০১ সালের ২৮ জুন ২১২৬ নং দাগের বিপরীতে ০.১৬ শতাংশ জমি আমার নামে নামজারি করা হয়েছে এবং ২০০৯ সালের আবার ২ নভেম্বর ৭৭৩০ নং দাগের বিপরীতে ০.১৬ শতাংশ জমি আমার নামে আরএস নামজারি করা হয়েছে। আমার জমির সঠিক দাগ নং ৭৭৩০ হওয়র কথা থাকলেও ভুলবশত ৭৭৩৫ লিপিবদ্ধ হওয়ায় ২০০৯ সালের ১৬ অক্টোবর মিস কেইস নং- ১৬৪/২০০৮ খ্রিঃ-এর মাধ্যমে সংশোধন করে সঠিক দাগ নম্বর ৭৭৩০ করেছি।

তবে ঢাকা সিটি জরিপের সময় আমার অনুপস্থিতির সুযোগে উল্লেখিত জমি আগের মলিক অর্থাৎ আলমাছ আলী গং-এর নামে রেকর্ড করা হয়েছে। বিষয়টি জানার পর আমি এটি সংশোধনের জন্য ২০১০ সালের ৭ এপ্রিল লান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, ঢাকা মহানগরে মোকদ্দমা নং ৮৭১/২০১০ দায়ের করি, ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল যার একতরফা সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে।

সমস্যা হল, ২০১৯ সালের ঈদুলফিতরের আগে থেকেই ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের মহামান্য বিচারক মো. ইসমাইল হোসেন অসুস্থতাজনিত ছুটিতে ছিলেন। দীর্ঘদিন ছুটি কাটিয়ে তিনি ফিরে এলেও চাকরিতে যোগদান বিরত ছিলেন এবং ২০২০ সালের মার্চ মাসে অন্যত্র বদলি হয়ে যান। এরপর থেকে উক্ত বিচারকের পদটি শূন্য থকায় আমার মতো হাজার হাজার মানুষের মামলা দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। এ অবস্থায় একজন ভুক্তভোগী হিসাবে উক্ত ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে অবিলম্বে একজন বিচারক নিয়োগ দেয়ার বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি।

দক্ষিণ কল্যাণপুর, ঢাকা

[email protected]

ল্যান্ড সার্ভে মোকদ্দমায় দীর্ঘসূত্রতার অবসান চাই

 ইসমত আরা রহমান 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আমি ১৯৮২ সালের ১৯ এপ্রিল আলমাছ আলী, পিতা-জব্বর আলী, সাং-হলান, দক্ষিণখান, ঢাকা-এর ওয়ারিশ সূত্র প্রাপ্ত (উল্লেখ্য, আলমাছ আলীর পিতা জব্বর আলী ৬৬৭৯-৬৩-১৩২/১৯২৫ নং দলিল মূলে ১৪-১১-১৯২৫ সনে উক্ত জমি ক্রয় করে আমৃত্যু ভোগদখলরত ছিলেন) এবং ক্রয় সূত্রে এক বোনের মালিকানাধীন ২১২৬ দাগের মোট ০.৭৫ শতাংশ জমি থেকে যথাক্রমে ২৫৪৭ ও ২৮৯৩ নং দলিল মূলে মোট ০.৮+০.৮ = ০.১৬ শতাংশ জমি সাব কবলা দলিল মূলে ক্রয় করে ভোগদখল করে আসছি (আমার জমি কর্নার প্লট, যার উত্তরে উঁচু পাকা দেয়াল, দক্ষিণে ২৫ ফুট সরকারি রাস্তা, পূর্বে পাকা দেয়াল এবং পশ্চিমে ১৬ ফুট কাঁচা রাস্তা দ্বারা বেষ্টিত)।

২০০১ সালের ২৮ জুন ২১২৬ নং দাগের বিপরীতে ০.১৬ শতাংশ জমি আমার নামে নামজারি করা হয়েছে এবং ২০০৯ সালের আবার ২ নভেম্বর ৭৭৩০ নং দাগের বিপরীতে ০.১৬ শতাংশ জমি আমার নামে আরএস নামজারি করা হয়েছে। আমার জমির সঠিক দাগ নং ৭৭৩০ হওয়র কথা থাকলেও ভুলবশত ৭৭৩৫ লিপিবদ্ধ হওয়ায় ২০০৯ সালের ১৬ অক্টোবর মিস কেইস নং- ১৬৪/২০০৮ খ্রিঃ-এর মাধ্যমে সংশোধন করে সঠিক দাগ নম্বর ৭৭৩০ করেছি।

তবে ঢাকা সিটি জরিপের সময় আমার অনুপস্থিতির সুযোগে উল্লেখিত জমি আগের মলিক অর্থাৎ আলমাছ আলী গং-এর নামে রেকর্ড করা হয়েছে। বিষয়টি জানার পর আমি এটি সংশোধনের জন্য ২০১০ সালের ৭ এপ্রিল লান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, ঢাকা মহানগরে মোকদ্দমা নং ৮৭১/২০১০ দায়ের করি, ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল যার একতরফা সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে।

সমস্যা হল, ২০১৯ সালের ঈদুলফিতরের আগে থেকেই ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের মহামান্য বিচারক মো. ইসমাইল হোসেন অসুস্থতাজনিত ছুটিতে ছিলেন। দীর্ঘদিন ছুটি কাটিয়ে তিনি ফিরে এলেও চাকরিতে যোগদান বিরত ছিলেন এবং ২০২০ সালের মার্চ মাসে অন্যত্র বদলি হয়ে যান। এরপর থেকে উক্ত বিচারকের পদটি শূন্য থকায় আমার মতো হাজার হাজার মানুষের মামলা দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। এ অবস্থায় একজন ভুক্তভোগী হিসাবে উক্ত ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে অবিলম্বে একজন বিচারক নিয়োগ দেয়ার বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি।

দক্ষিণ কল্যাণপুর, ঢাকা

[email protected]