অবৈধ গ্যাসলাইন সংযোগ অপসারণ করুন
jugantor
অবৈধ গ্যাসলাইন সংযোগ অপসারণ করুন

  মো. আউয়াল হোসেন  

০৭ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ২৯নং ওয়ার্ডের চা-বাগান গ্রামে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাস। এ এলাকায় জেলার সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বাসভবন ও অফিসার্স কোয়ার্টারও রয়েছে।

এ ছাড়া এখানে একটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ছাড়াও কিন্ডারগার্টেন স্কুল, যুব উন্নয়ন অধিদফতর ও নার্সিং কলেজ রয়েছে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকায় তিতাস গ্যাসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর তত্ত্বাবধানে এলাকার কিছু অসৎ লোক অর্থ দিয়ে তাদের বাড়িতে অবৈধ, অপরিকল্পিত এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে ব্যবহার করছে। এর ফলে একদিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে; অন্যদিকে এলাকার মানুষ অবৈধ গ্যাসলাইন থেকে সৃষ্ট দুর্ঘটনার আতঙ্কে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে।

গত মাসের ৪ তারিখে নারায়ণগঞ্জের তল্লায় মসজিদে ভয়াবহ গ্যাস দুর্ঘটনায় অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যা দেশবাসী অবগত রয়েছে। এরকম কোনো ঘটনা আমরা দ্বিতীয়বার দেখতে চাই না।

আশঙ্কার বিষয় হল, এ এলাকার বিস্তৃত অংশজুড়ে অবৈধ গ্যাসলাইন সংযোগের কারণে মাঝেমধ্যেই আগুন ধরে যায়। এমন ঘটনার পর অবৈধ গ্যাস সংযোগ গ্রহণকারীরা অদক্ষ লোক দ্বারা মেরামত করেন এবং কিছুদিন যেতে-না-যেতেই পুনরায় সেখানে আগুন ধরে যায়। শুধু তাই নয়, গ্যাস লিকেজের ফলে বিভিন্ন সড়কে জমে থাকা পানিতে বদ্বুদ উঠতে দেখা যায়।

এসব দেখে দুশ্চিন্তা হয়-কখন না-জানি এ এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিদুর্ঘটনার সূত্রপাত ঘটে! এলাকার সাধারণ মানুষের মঙ্গলচিন্তা করে অবিলম্বে সব অবৈধ গ্যাসলাইন সংযোগ অপসারণ করা উচিত। নারায়ণগঞ্জের ট্র্যাজেডির পুনরাবৃত্তি আমাদের এলাকায়ও ঘটুক-সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা তা চাই না।

চা-বাগান, গাজীপুর

অবৈধ গ্যাসলাইন সংযোগ অপসারণ করুন

 মো. আউয়াল হোসেন 
০৭ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ২৯নং ওয়ার্ডের চা-বাগান গ্রামে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাস। এ এলাকায় জেলার সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বাসভবন ও অফিসার্স কোয়ার্টারও রয়েছে।

এ ছাড়া এখানে একটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ছাড়াও কিন্ডারগার্টেন স্কুল, যুব উন্নয়ন অধিদফতর ও নার্সিং কলেজ রয়েছে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকায় তিতাস গ্যাসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর তত্ত্বাবধানে এলাকার কিছু অসৎ লোক অর্থ দিয়ে তাদের বাড়িতে অবৈধ, অপরিকল্পিত এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে ব্যবহার করছে। এর ফলে একদিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে; অন্যদিকে এলাকার মানুষ অবৈধ গ্যাসলাইন থেকে সৃষ্ট দুর্ঘটনার আতঙ্কে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে।

গত মাসের ৪ তারিখে নারায়ণগঞ্জের তল্লায় মসজিদে ভয়াবহ গ্যাস দুর্ঘটনায় অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যা দেশবাসী অবগত রয়েছে। এরকম কোনো ঘটনা আমরা দ্বিতীয়বার দেখতে চাই না।

আশঙ্কার বিষয় হল, এ এলাকার বিস্তৃত অংশজুড়ে অবৈধ গ্যাসলাইন সংযোগের কারণে মাঝেমধ্যেই আগুন ধরে যায়। এমন ঘটনার পর অবৈধ গ্যাস সংযোগ গ্রহণকারীরা অদক্ষ লোক দ্বারা মেরামত করেন এবং কিছুদিন যেতে-না-যেতেই পুনরায় সেখানে আগুন ধরে যায়। শুধু তাই নয়, গ্যাস লিকেজের ফলে বিভিন্ন সড়কে জমে থাকা পানিতে বদ্বুদ উঠতে দেখা যায়।

এসব দেখে দুশ্চিন্তা হয়-কখন না-জানি এ এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিদুর্ঘটনার সূত্রপাত ঘটে! এলাকার সাধারণ মানুষের মঙ্গলচিন্তা করে অবিলম্বে সব অবৈধ গ্যাসলাইন সংযোগ অপসারণ করা উচিত। নারায়ণগঞ্জের ট্র্যাজেডির পুনরাবৃত্তি আমাদের এলাকায়ও ঘটুক-সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা তা চাই না।

চা-বাগান, গাজীপুর