ভর্তি পরীক্ষা অনলাইনে নেয়ার সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক?
jugantor
ভর্তি পরীক্ষা অনলাইনে নেয়ার সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক?

  মাহমুদুল হাসান ইজাজ  

২১ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গত ৭ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ-ঝুঁকি এড়াতে এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফল মূল্যায়ন করে এইচএসসির ফলাফল নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য কতটা যুগোপযোগী, এ প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, অনেকে এ দুটি স্তরে খারাপ করলেও এইচএসসি পরীক্ষার ফলে সেটি পুষিয়ে নেয়। কিন্তু এবার সে সুযোগ আর থাকছে না। তবে এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা জরুরি।

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটার পর এবার এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রসঙ্গ। পাবলিক ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা অনলাইনে নেয়ার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত ও সম্মতি দিয়েছেন উপাচার্যরা। এ মুহূর্তে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হলেও আমাদের ভাবতে হবে, এ সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য কতখানি মঙ্গলজনক। বাংলাদেশের প্রায় সব কটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করার সুযোগ পাওয়া বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা গরিব মেধাবী শ্রেণির। দেশের বহু প্রত্যন্ত অঞ্চল রয়েছে, যেখানে এখনও দ্রুতগতির ইন্টারনেটসেবা পৌঁছেনি। এ অবস্থায় এ পদ্ধতিতে মেধা যাচাই হলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনে নেমে আসবে ভয়াবহ পরিণতি।

সবচেয়ে বড় কথা, বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এখনও এতটা যুগোপযোগী নয় যে, অনলাইনভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। তাই দেরি হলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা সরাসরি কেন্দ্রে নিলে শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করি।

শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা কলেজ

ভর্তি পরীক্ষা অনলাইনে নেয়ার সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক?

 মাহমুদুল হাসান ইজাজ 
২১ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গত ৭ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ-ঝুঁকি এড়াতে এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফল মূল্যায়ন করে এইচএসসির ফলাফল নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য কতটা যুগোপযোগী, এ প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, অনেকে এ দুটি স্তরে খারাপ করলেও এইচএসসি পরীক্ষার ফলে সেটি পুষিয়ে নেয়। কিন্তু এবার সে সুযোগ আর থাকছে না। তবে এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা জরুরি।

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটার পর এবার এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রসঙ্গ। পাবলিক ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা অনলাইনে নেয়ার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত ও সম্মতি দিয়েছেন উপাচার্যরা। এ মুহূর্তে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হলেও আমাদের ভাবতে হবে, এ সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য কতখানি মঙ্গলজনক। বাংলাদেশের প্রায় সব কটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করার সুযোগ পাওয়া বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা গরিব মেধাবী শ্রেণির। দেশের বহু প্রত্যন্ত অঞ্চল রয়েছে, যেখানে এখনও দ্রুতগতির ইন্টারনেটসেবা পৌঁছেনি। এ অবস্থায় এ পদ্ধতিতে মেধা যাচাই হলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনে নেমে আসবে ভয়াবহ পরিণতি।

সবচেয়ে বড় কথা, বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এখনও এতটা যুগোপযোগী নয় যে, অনলাইনভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। তাই দেরি হলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা সরাসরি কেন্দ্রে নিলে শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করি।

শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা কলেজ