ভালো নেই অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা
jugantor
ভালো নেই অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা

  মো. তোফায়েল আহমেদ  

২১ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি মানোন্নয়নের জন্য ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়।

তখন সাত কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার। ঢাবি অধিভুক্তের প্রথমদিকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ঠিকমতো পরীক্ষা হয়নি, রেজাল্ট প্রণয়নে দেরি হয়েছে এবং আশানুরূপ রেজাল্ট পায়নি শিক্ষার্থীরা। এতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তুলনায় অনেকটা পিছিয়ে পড়ে।

বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা, সংগ্রাম ও আন্দোলনের ফলে গত বছর থেকে কিছুটা উন্নতির দিকে হাঁটলেও এ বছর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সাত কলেজ আবার আগের অবস্থায় ফিরেছে। এক থেকে দেড় বছর পার হলেও এখনও কিছু ডিপার্টমেন্টের তৃতীয়-চতুর্থ বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা রেজাল্ট পায়নি; আর যা পেয়েছে তা অনেকেরই আশানুরূপ হয়নি।

একদিকে করোনা মহামারী, অন্যদিকে সেশন জট এবং আশানুরূপ রেজাল্টের অভাব-সব মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের অনার্স শেষ করতে ৬-৭ বছর সময় লেগে যাচ্ছে। অন্যদিকে, প্রথম-দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রায় এক বছর হতে চলল অধিকাংশ ডিপার্টমেন্টের রেজাল্ট বাকি রয়েছে। করোনাভাইরাসকালীন এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের নামমাত্র ক্লাস হচ্ছে এবং ইন্টারনেট সুবিধার অভাবে ঠিকমতো ক্লাস করতে পারছে না সাত কলেজের লাখো শিক্ষার্থী।

এতে পড়াশোনা থেকে অনেকটা দূরে সরে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আদৌ পরীক্ষা হবে কি না, কিংবা অটো প্রমোশনের কোনো সুযোগ পাবে কি না-এ ব্যাপারে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি। এ অবস্থায় সাত কলেজের লাখ লাখ শিক্ষার্থী এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে সময় কাটাচ্ছে।

শিক্ষার্থী, ঢাকা

ভালো নেই অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা

 মো. তোফায়েল আহমেদ 
২১ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি মানোন্নয়নের জন্য ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়।

তখন সাত কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার। ঢাবি অধিভুক্তের প্রথমদিকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ঠিকমতো পরীক্ষা হয়নি, রেজাল্ট প্রণয়নে দেরি হয়েছে এবং আশানুরূপ রেজাল্ট পায়নি শিক্ষার্থীরা। এতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তুলনায় অনেকটা পিছিয়ে পড়ে।

বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা, সংগ্রাম ও আন্দোলনের ফলে গত বছর থেকে কিছুটা উন্নতির দিকে হাঁটলেও এ বছর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সাত কলেজ আবার আগের অবস্থায় ফিরেছে। এক থেকে দেড় বছর পার হলেও এখনও কিছু ডিপার্টমেন্টের তৃতীয়-চতুর্থ বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা রেজাল্ট পায়নি; আর যা পেয়েছে তা অনেকেরই আশানুরূপ হয়নি।

একদিকে করোনা মহামারী, অন্যদিকে সেশন জট এবং আশানুরূপ রেজাল্টের অভাব-সব মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের অনার্স শেষ করতে ৬-৭ বছর সময় লেগে যাচ্ছে। অন্যদিকে, প্রথম-দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রায় এক বছর হতে চলল অধিকাংশ ডিপার্টমেন্টের রেজাল্ট বাকি রয়েছে। করোনাভাইরাসকালীন এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের নামমাত্র ক্লাস হচ্ছে এবং ইন্টারনেট সুবিধার অভাবে ঠিকমতো ক্লাস করতে পারছে না সাত কলেজের লাখো শিক্ষার্থী।

এতে পড়াশোনা থেকে অনেকটা দূরে সরে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আদৌ পরীক্ষা হবে কি না, কিংবা অটো প্রমোশনের কোনো সুযোগ পাবে কি না-এ ব্যাপারে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি। এ অবস্থায় সাত কলেজের লাখ লাখ শিক্ষার্থী এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে সময় কাটাচ্ছে।

শিক্ষার্থী, ঢাকা