এমফিল ও পিএইচডিধারী এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দাবি মেনে নিন
jugantor
এমফিল ও পিএইচডিধারী এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দাবি মেনে নিন

  মো. মঈনুদ্দিন চৌধুরী  

২১ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের সার্বিক শিক্ষা খাতে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবদান ৯৭ শতাংশ হওয়া সত্ত্বেও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা তাদের পেশাগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে এখনও ১০০ বছর পিছিয়ে রয়েছেন।

অন্যভাবে বলা যায়, তারা পেশাগতভাবে বিরাট বৈষম্যের শিকার যেমন: তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনুপাতের মতো বৈষম্যমূলক প্রথা বিদ্যমান থাকায় (যেটি পৃথিবীর অন্যান্য দেশে, এমন কী এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যতীত বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠানে নেই) তারা তাদের ন্যায্য পদোন্নতি পাচ্ছেন না। অথচ সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেই পদোন্নতিসহ পেশাগত উন্নয়নের সব পদ্ধতি বিদ্যমান।

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ, এমনকি আমাদের পার্শ^বর্তী দেশ ভারতেও সব পর্যায়ের শিক্ষকের জন্য পৃথক বেতন কাঠামো বা স্কেল বিদ্যমান রয়েছে, যা শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নের জন্য অত্যাবশ্যক।

বাংলাদেশে উচ্চতর ডিগ্রিধারী (এমফিল/পিএইচডিধারী) শিক্ষকসহ এমপিও শিক্ষকরা তাদের বিভিন্ন সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত (এসব অধিকার ইউনেস্কো ও আইএলও কনভেনশন দ্বারা স্বীকৃত)। যেমন: বিশেষ ইনক্রিমেন্ট না-থাকা, পদোন্নতি না-পাওয়া, ১০ শতাংশ সরাসরি কোটায় সরকারি কলেজে প্রবেশের পথে বাধা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে ১০ শতাংশ সরাসরি কোটায় বেসরকারি উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের সরকারি কলেজে প্রবেশের পদ্ধতি চালু করে তাদের সম্মানিত করার ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হল, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির বাধার মুখে মহান নেতা বঙ্গবন্ধু প্রবর্তিত বেসরকারি উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের শেষ পেশাগত আশ্রয়স্থল এ সম্মানিত বিধান বা পদ্ধতিটি বিগত ১১ বছর ধরে বন্ধ আছে। এর ফলে এমপিওভুক্ত উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকরা একদিকে যেমন সরকারি কলেজে গিয়ে পেশাগত উন্নয়ন করতে পারেননি; অন্যদিকে সরকারিভাবে পদোন্নতিসহ পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ না থাকায় নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও তারা যথাযথ মূল্যায়ন পাচ্ছেন না। উল্লিখিত পরিস্থিতি বিবেচনায় এমপিওভুক্ত উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকসহ সব এমপিওভুক্ত শিক্ষকের পেশাগত উন্নয়ন তথা দেশের সার্বিক শিক্ষার মানোন্নয়নে এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের পক্ষ থেকে নিুোক্ত দাবিগুলো প্রস্তাব আকারে পেশ করছি:

১. অভিশপ্ত অনুপাত প্রথা বাতিল করে সব প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিতে হবে;

২. এমপিওভুক্ত কলেজে সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদ সৃষ্টি করে জাতীয় শিক্ষানীতির বিধান মোতাবেক অনুপাত প্রথা ব্যতীত বিভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে শিক্ষকদের পদোন্নতি দিতে হবে;

৩. এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সরকারি শিক্ষকদের মতো চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষা ভাতা, মূল বেতনের সমান উৎসব ভাতা ও শতকরা হারে বাড়িভাড়া ইত্যাদি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে;

৪. এনটিআরসিএ-র মাধ্যমে বা পৃথক কমিশন গঠন করে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্যপদে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও উপ-প্রধান নিয়োগ দিতে হবে;

৫. অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগে এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দিতে হবে;

৬. এমফিল ও পিএইচডিধারী শিক্ষকদের সরকারি শিক্ষকদের মতো বিশেষ ইনক্রিমেন্ট দিতে হবে;

৭. বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর করতে হবে;

৮. জাতীয় শিক্ষানীতির বিধান মোতাবেক এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মেধা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পদে ডেপুটেশনে নিয়োগ দান করতে হবে;

৯. এমপিওভুক্ত শিক্ষকসহ সব স্তরের শিক্ষকদের জন্য জাতীয় শিক্ষানীতির বিধান মোতাবেক পৃথক বা স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তন করতে হবে;

১০. জাতীয় শিক্ষানীতির বিধান মোতাবেক এমপিও শিক্ষকদের এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে বদলির নিয়ম চালু করতে হবে;

১১. সরকারি শিক্ষকদের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সত্যায়নের ক্ষমতা দিতে হবে;

১২. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো ইত্যাদি বিধানের পারস্পরিক সাংঘর্ষিক অবস্থা রোধ বা দূর করে জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো এবং শিক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে;

১৩. যেহেতু বিগত ১১ বছর ধরে ১০ শতাংশ সরাসরি কোটায় নিয়োগ বন্ধ থাকায় এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা সরকারি কলেজে যেতে না পারায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাই সেই ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার জন্য ১০ শতাংশ সরাসরি কোটা পুনরায় চালু করে এমপিও শিক্ষকদের ভূতাপেক্ষভাবে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে সরকারি কলেজে নিয়োগ দান করে (যেহেতু অনেকের নির্ধারিত বয়স অতিক্রম হয়েছে, তাই বয়সের বিষয়টি প্রমার্জন করে) তাদের উচ্চতর ডিগ্রির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হোক। কেননা, এর মাধ্যমে মূলত বঙ্গবন্ধুপ্রবর্তিত নীতিমালাকেই সম্মান প্রদর্শন করা হবে।

পরিশেষে, প্রস্তাব আকারে পেশকৃত এসব দাবি বিশেষভাবে বিবেচনার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ব্যবস্থাপনা বিভাগ

শংকুচাইল ডিগ্রি কলেজ, বুড়িচং, কুমিল্লা

[email protected]

এমফিল ও পিএইচডিধারী এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দাবি মেনে নিন

 মো. মঈনুদ্দিন চৌধুরী 
২১ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের সার্বিক শিক্ষা খাতে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবদান ৯৭ শতাংশ হওয়া সত্ত্বেও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা তাদের পেশাগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে এখনও ১০০ বছর পিছিয়ে রয়েছেন।

অন্যভাবে বলা যায়, তারা পেশাগতভাবে বিরাট বৈষম্যের শিকার যেমন: তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনুপাতের মতো বৈষম্যমূলক প্রথা বিদ্যমান থাকায় (যেটি পৃথিবীর অন্যান্য দেশে, এমন কী এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যতীত বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠানে নেই) তারা তাদের ন্যায্য পদোন্নতি পাচ্ছেন না। অথচ সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেই পদোন্নতিসহ পেশাগত উন্নয়নের সব পদ্ধতি বিদ্যমান।

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ, এমনকি আমাদের পার্শ^বর্তী দেশ ভারতেও সব পর্যায়ের শিক্ষকের জন্য পৃথক বেতন কাঠামো বা স্কেল বিদ্যমান রয়েছে, যা শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নের জন্য অত্যাবশ্যক।

বাংলাদেশে উচ্চতর ডিগ্রিধারী (এমফিল/পিএইচডিধারী) শিক্ষকসহ এমপিও শিক্ষকরা তাদের বিভিন্ন সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত (এসব অধিকার ইউনেস্কো ও আইএলও কনভেনশন দ্বারা স্বীকৃত)। যেমন: বিশেষ ইনক্রিমেন্ট না-থাকা, পদোন্নতি না-পাওয়া, ১০ শতাংশ সরাসরি কোটায় সরকারি কলেজে প্রবেশের পথে বাধা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে ১০ শতাংশ সরাসরি কোটায় বেসরকারি উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের সরকারি কলেজে প্রবেশের পদ্ধতি চালু করে তাদের সম্মানিত করার ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হল, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির বাধার মুখে মহান নেতা বঙ্গবন্ধু প্রবর্তিত বেসরকারি উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের শেষ পেশাগত আশ্রয়স্থল এ সম্মানিত বিধান বা পদ্ধতিটি বিগত ১১ বছর ধরে বন্ধ আছে। এর ফলে এমপিওভুক্ত উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকরা একদিকে যেমন সরকারি কলেজে গিয়ে পেশাগত উন্নয়ন করতে পারেননি; অন্যদিকে সরকারিভাবে পদোন্নতিসহ পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ না থাকায় নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও তারা যথাযথ মূল্যায়ন পাচ্ছেন না। উল্লিখিত পরিস্থিতি বিবেচনায় এমপিওভুক্ত উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষকসহ সব এমপিওভুক্ত শিক্ষকের পেশাগত উন্নয়ন তথা দেশের সার্বিক শিক্ষার মানোন্নয়নে এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের পক্ষ থেকে নিুোক্ত দাবিগুলো প্রস্তাব আকারে পেশ করছি:

১. অভিশপ্ত অনুপাত প্রথা বাতিল করে সব প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিতে হবে;

২. এমপিওভুক্ত কলেজে সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদ সৃষ্টি করে জাতীয় শিক্ষানীতির বিধান মোতাবেক অনুপাত প্রথা ব্যতীত বিভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে শিক্ষকদের পদোন্নতি দিতে হবে;

৩. এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সরকারি শিক্ষকদের মতো চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষা ভাতা, মূল বেতনের সমান উৎসব ভাতা ও শতকরা হারে বাড়িভাড়া ইত্যাদি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে;

৪. এনটিআরসিএ-র মাধ্যমে বা পৃথক কমিশন গঠন করে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্যপদে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও উপ-প্রধান নিয়োগ দিতে হবে;

৫. অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগে এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দিতে হবে;

৬. এমফিল ও পিএইচডিধারী শিক্ষকদের সরকারি শিক্ষকদের মতো বিশেষ ইনক্রিমেন্ট দিতে হবে;

৭. বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর করতে হবে;

৮. জাতীয় শিক্ষানীতির বিধান মোতাবেক এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মেধা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পদে ডেপুটেশনে নিয়োগ দান করতে হবে;

৯. এমপিওভুক্ত শিক্ষকসহ সব স্তরের শিক্ষকদের জন্য জাতীয় শিক্ষানীতির বিধান মোতাবেক পৃথক বা স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তন করতে হবে;

১০. জাতীয় শিক্ষানীতির বিধান মোতাবেক এমপিও শিক্ষকদের এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে বদলির নিয়ম চালু করতে হবে;

১১. সরকারি শিক্ষকদের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সত্যায়নের ক্ষমতা দিতে হবে;

১২. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো ইত্যাদি বিধানের পারস্পরিক সাংঘর্ষিক অবস্থা রোধ বা দূর করে জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো এবং শিক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে;

১৩. যেহেতু বিগত ১১ বছর ধরে ১০ শতাংশ সরাসরি কোটায় নিয়োগ বন্ধ থাকায় এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা সরকারি কলেজে যেতে না পারায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাই সেই ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার জন্য ১০ শতাংশ সরাসরি কোটা পুনরায় চালু করে এমপিও শিক্ষকদের ভূতাপেক্ষভাবে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে সরকারি কলেজে নিয়োগ দান করে (যেহেতু অনেকের নির্ধারিত বয়স অতিক্রম হয়েছে, তাই বয়সের বিষয়টি প্রমার্জন করে) তাদের উচ্চতর ডিগ্রির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হোক। কেননা, এর মাধ্যমে মূলত বঙ্গবন্ধুপ্রবর্তিত নীতিমালাকেই সম্মান প্রদর্শন করা হবে।

পরিশেষে, প্রস্তাব আকারে পেশকৃত এসব দাবি বিশেষভাবে বিবেচনার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ব্যবস্থাপনা বিভাগ

শংকুচাইল ডিগ্রি কলেজ, বুড়িচং, কুমিল্লা

[email protected]