খেলাধুলায় জুয়া বন্ধে পদক্ষেপ নিন
jugantor
খেলাধুলায় জুয়া বন্ধে পদক্ষেপ নিন

  জুবায়ের আহমেদ  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে ক্যাসিনো কারবারিদের দমন করা গেলেও ক্রিকেট-ফুটবলসহ আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সব খেলাকে কেন্দ্র করে জুয়া দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আইপিএল, বিপিএল, বিগব্যাশ, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, আন্তর্জাতিক ফুটবল, ক্লাব ফুটবলসহ প্রতিটি আন্তর্জাতিক খেলাধুলার ইভেন্ট ঘিরে দেশের আনাচে-কানাচে জুয়ার আসর বসে।

অবৈধভাবে সম্পদশালী হওয়ার সহজ মাধ্যম জুয়া। জুয়ায় সব হারিয়ে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই পৈতৃক ভিটেমাটি পর্যন্ত বিক্রি করে নিঃস্ব হওয়ার বহু ঘটনা আমাদের সমাজে বিদ্যমান।

তেমনি জুয়ায় আর্থিকভাবে লাভবান হয়ে অল্প সময়েই কোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার ঘটনাও কম নয়। জুয়া ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ হলেও দ্রুত সম্পদশালী হওয়ার নেশায় মানুষ জুয়ায় মত্ত হয়।

দেশের প্রধান দুই খেলা ক্রিকেট ও ফুটবল। এক সময় দেশে ক্রিকেটের চেয়ে ফুটবল অনেক বেশি জনপ্রিয় থাকলেও বর্তমানে ক্রিকেট সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলায় পরিণত হয়েছে। বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থান যত মজবুত হচ্ছে, ততই ক্রিকেটপ্রেমীর সংখ্যা বাড়ছে। ক্রিকেটে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও তরুণদের ক্রিকেটে আগ্রহী হওয়া ইতিবাচক বিষয় হলেও ক্রিকেটপ্রেমীদের একটা অংশ ক্রিকেট জুয়ায় মত্ত হচ্ছে এবং এর ফলে সব হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে বহু পরিবার।

ক্রিকেট বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হলেও ক্রিকেটের পাশাপাশি অনলাইনে স্কোর পাওয়া যায় কিংবা সরাসরি দেখানো হয়-এ ধরনের খেলার মাধ্যমেই জুয়ায় লিপ্ত হচ্ছে বহু মানুষ। ম্যাচের ফলাফল থেকে শুরু করে এক বলে কত রান আসবে, এক ওভারে কত রান আসবে, এক ইনিংসে কত রান হবে, কোন ব্যাটসম্যান কত রানের মধ্যে আউট হবে, ফুটবল ম্যাচে কোন ফুটবলার গোল করবে, জয়ের ব্যবধান কত গোলের হবে ইত্যাদি বিভিন্নভাবে জুয়ায় মত্ত হচ্ছে বহু মানুষ।

খেলাধুলায় জুয়া বন্ধ করার জন্য সমাজের সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে। সামাজিক সংগঠন, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে জুয়ার কুফল ও ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে হবে।

প্রয়োজনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে জুয়াবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের সচেতনতামূলক বার্তা প্রদানের মাধ্যমে মানুষকে জুয়ায় নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি প্রশাসন কর্তৃক এলাকাভিত্তিক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে জুয়াড়িদের প্রতিহত করতে হবে।

শিক্ষার্থী, বিজেম ঢাকা

খেলাধুলায় জুয়া বন্ধে পদক্ষেপ নিন

 জুবায়ের আহমেদ 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে ক্যাসিনো কারবারিদের দমন করা গেলেও ক্রিকেট-ফুটবলসহ আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সব খেলাকে কেন্দ্র করে জুয়া দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আইপিএল, বিপিএল, বিগব্যাশ, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, আন্তর্জাতিক ফুটবল, ক্লাব ফুটবলসহ প্রতিটি আন্তর্জাতিক খেলাধুলার ইভেন্ট ঘিরে দেশের আনাচে-কানাচে জুয়ার আসর বসে।

অবৈধভাবে সম্পদশালী হওয়ার সহজ মাধ্যম জুয়া। জুয়ায় সব হারিয়ে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই পৈতৃক ভিটেমাটি পর্যন্ত বিক্রি করে নিঃস্ব হওয়ার বহু ঘটনা আমাদের সমাজে বিদ্যমান।

তেমনি জুয়ায় আর্থিকভাবে লাভবান হয়ে অল্প সময়েই কোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার ঘটনাও কম নয়। জুয়া ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ হলেও দ্রুত সম্পদশালী হওয়ার নেশায় মানুষ জুয়ায় মত্ত হয়।

দেশের প্রধান দুই খেলা ক্রিকেট ও ফুটবল। এক সময় দেশে ক্রিকেটের চেয়ে ফুটবল অনেক বেশি জনপ্রিয় থাকলেও বর্তমানে ক্রিকেট সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলায় পরিণত হয়েছে। বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থান যত মজবুত হচ্ছে, ততই ক্রিকেটপ্রেমীর সংখ্যা বাড়ছে। ক্রিকেটে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও তরুণদের ক্রিকেটে আগ্রহী হওয়া ইতিবাচক বিষয় হলেও ক্রিকেটপ্রেমীদের একটা অংশ ক্রিকেট জুয়ায় মত্ত হচ্ছে এবং এর ফলে সব হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে বহু পরিবার।

ক্রিকেট বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হলেও ক্রিকেটের পাশাপাশি অনলাইনে স্কোর পাওয়া যায় কিংবা সরাসরি দেখানো হয়-এ ধরনের খেলার মাধ্যমেই জুয়ায় লিপ্ত হচ্ছে বহু মানুষ। ম্যাচের ফলাফল থেকে শুরু করে এক বলে কত রান আসবে, এক ওভারে কত রান আসবে, এক ইনিংসে কত রান হবে, কোন ব্যাটসম্যান কত রানের মধ্যে আউট হবে, ফুটবল ম্যাচে কোন ফুটবলার গোল করবে, জয়ের ব্যবধান কত গোলের হবে ইত্যাদি বিভিন্নভাবে জুয়ায় মত্ত হচ্ছে বহু মানুষ।

খেলাধুলায় জুয়া বন্ধ করার জন্য সমাজের সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে। সামাজিক সংগঠন, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে জুয়ার কুফল ও ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে হবে।

প্রয়োজনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে জুয়াবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের সচেতনতামূলক বার্তা প্রদানের মাধ্যমে মানুষকে জুয়ায় নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি প্রশাসন কর্তৃক এলাকাভিত্তিক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে জুয়াড়িদের প্রতিহত করতে হবে।

শিক্ষার্থী, বিজেম ঢাকা