কোনো দুর্ঘটনার আগেই সেতুটি সংস্কার করুন
jugantor
কোনো দুর্ঘটনার আগেই সেতুটি সংস্কার করুন

  এমএ রহমান  

২৭ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার মজিদপুর-মোহনপুর সংযোগ সড়কে একটি পুরনো সেতু রয়েছে। এ সেতুর ওপর দিয়ে মজিদপুর ও বালুয়াকান্দি থেকে মোহনপুর, বাটেরা, নন্দিরচর, দুধঘাটা ও দড়িগাঁওসহ আরও অনেক গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র ব্যবস্থা। সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। সেতুটি কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতেরও একমাত্র মাধ্যম। কিন্তু অনেক পুরনো হওয়ায় সেতুটির কাঠামো আস্তে আস্তে খুলে পড়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ঢালাই খুলে পড়ে সেতুর পিলারগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। তবে নষ্ট পিলারের ওপর সুন্দরভাবে দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি। উপর থেকে দেখে মনেই হবে না, এটা একটা ঝুঁকিপূর্ণ সেতু।

তারপরও ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়েই প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছে ব্যাটারিচালিত ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ নানা ধরনের যানবাহন। সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও একমাত্র পথ হওয়ায় ঝুঁকি নিয়েই সবাই চলাচল করছে। এভাবে চলাচল করতে করতে হয়তো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যাবে। কাজেই বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই সেতুটি সংস্কার করতে হবে। উল্লেখ্য, মজিদপুর-মোহনপুর সড়কটি পাকাকরণের কাজ চলছে, যা অল্প সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হয়ে যাবে। কিন্তু সড়কটি পাকা হলেই লাভ কী? ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি ভেঙে পড়লে রাস্তা পাকাকরণের কোনো সুফলই পাওয়া যাবে না। রাস্তা পাকা হবে ঠিকই; কিন্তু সেটি জনগণের কোনো উপকারে আসবে না। এলাকার সাধারণ মানুষ ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দিকে তাকিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি দ্রুত সংস্কার করা হবে, এটাই প্রত্যাশা।

দাউদকান্দি, কুমিল্লা

কোনো দুর্ঘটনার আগেই সেতুটি সংস্কার করুন

 এমএ রহমান 
২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার মজিদপুর-মোহনপুর সংযোগ সড়কে একটি পুরনো সেতু রয়েছে। এ সেতুর ওপর দিয়ে মজিদপুর ও বালুয়াকান্দি থেকে মোহনপুর, বাটেরা, নন্দিরচর, দুধঘাটা ও দড়িগাঁওসহ আরও অনেক গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র ব্যবস্থা। সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। সেতুটি কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতেরও একমাত্র মাধ্যম। কিন্তু অনেক পুরনো হওয়ায় সেতুটির কাঠামো আস্তে আস্তে খুলে পড়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ঢালাই খুলে পড়ে সেতুর পিলারগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। তবে নষ্ট পিলারের ওপর সুন্দরভাবে দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি। উপর থেকে দেখে মনেই হবে না, এটা একটা ঝুঁকিপূর্ণ সেতু।

তারপরও ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়েই প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছে ব্যাটারিচালিত ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ নানা ধরনের যানবাহন। সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও একমাত্র পথ হওয়ায় ঝুঁকি নিয়েই সবাই চলাচল করছে। এভাবে চলাচল করতে করতে হয়তো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যাবে। কাজেই বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই সেতুটি সংস্কার করতে হবে। উল্লেখ্য, মজিদপুর-মোহনপুর সড়কটি পাকাকরণের কাজ চলছে, যা অল্প সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হয়ে যাবে। কিন্তু সড়কটি পাকা হলেই লাভ কী? ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি ভেঙে পড়লে রাস্তা পাকাকরণের কোনো সুফলই পাওয়া যাবে না। রাস্তা পাকা হবে ঠিকই; কিন্তু সেটি জনগণের কোনো উপকারে আসবে না। এলাকার সাধারণ মানুষ ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দিকে তাকিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি দ্রুত সংস্কার করা হবে, এটাই প্রত্যাশা।

দাউদকান্দি, কুমিল্লা

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন