বিলীন হচ্ছে শহিদ মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিচিহ্ন
jugantor
বিলীন হচ্ছে শহিদ মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিচিহ্ন

  জহুরুল ইসলাম ঠাণ্ডু  

১০ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে নিহত বেলাল হোসেন নামে একজন বীর শহিদের স্মৃতিচিহ্ন বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। এ স্মৃতিচিহ্নটি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের কান্দার পাড়া বাজারে অবস্থিত। ১৯৭১ সালের ২৬ আগস্ট সকালে জামালপুরের সরিষাবাড়ী (বর্তমানে যমুনা সার কারখানার দক্ষিণ পাশে) কান্দারপাড়া বাজারে ঘাতক পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে প্রতিরোধ যুদ্ধ হয় মুক্তিবাহিনীর।

এ সময় পাক হানাদার বাহিনীর বুলেটে ঘটনাস্থলেই নিহত হন মুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেন। পরবর্তীকালে মুক্তিযুদ্ধের কোম্পানি কমান্ডার রাষ্ট্রদূত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান নিজ উদ্যোগে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেনের কবরটি পাকা করে শহিদ মিনার তৈরি করে দেন। এরপর থেকে বিশেষ বিশেষ দিবসে এ শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হতো। তবে ’৯০ দশকের পর থেকে সেখানে ফুল দেওয়া ও শ্রদ্ধা নিবেদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে শহিদ মিনারটি একটি ডোবার পাড়ে জরাজীর্ণ অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। ভারি বৃষ্টিপাতে যে কোনো সময় ডোবার গর্ভে তা বিলীন হয়ে যেতে পারে। তাই এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি, যুগান্তর

বিলীন হচ্ছে শহিদ মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিচিহ্ন

 জহুরুল ইসলাম ঠাণ্ডু 
১০ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে নিহত বেলাল হোসেন নামে একজন বীর শহিদের স্মৃতিচিহ্ন বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। এ স্মৃতিচিহ্নটি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের কান্দার পাড়া বাজারে অবস্থিত। ১৯৭১ সালের ২৬ আগস্ট সকালে জামালপুরের সরিষাবাড়ী (বর্তমানে যমুনা সার কারখানার দক্ষিণ পাশে) কান্দারপাড়া বাজারে ঘাতক পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে প্রতিরোধ যুদ্ধ হয় মুক্তিবাহিনীর।

এ সময় পাক হানাদার বাহিনীর বুলেটে ঘটনাস্থলেই নিহত হন মুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেন। পরবর্তীকালে মুক্তিযুদ্ধের কোম্পানি কমান্ডার রাষ্ট্রদূত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান নিজ উদ্যোগে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেনের কবরটি পাকা করে শহিদ মিনার তৈরি করে দেন। এরপর থেকে বিশেষ বিশেষ দিবসে এ শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হতো। তবে ’৯০ দশকের পর থেকে সেখানে ফুল দেওয়া ও শ্রদ্ধা নিবেদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে শহিদ মিনারটি একটি ডোবার পাড়ে জরাজীর্ণ অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। ভারি বৃষ্টিপাতে যে কোনো সময় ডোবার গর্ভে তা বিলীন হয়ে যেতে পারে। তাই এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি, যুগান্তর

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন