পর্যটন কেন্দ্র হতে পারে মেঘনার মায়াদ্বীপ
jugantor
পর্যটন কেন্দ্র হতে পারে মেঘনার মায়াদ্বীপ

  মোহাম্মদ মহসীন  

১০ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেঘনা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল নুনেরটেক। এখানে জনবসতিও অনেক। এ চরাঞ্চলে গড়ে উঠেছে; স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, বাজার ও স্যাটেলাইট ক্লিনিক। এতকিছু থাকার পরও এপার-ওপার যাতায়াত ব্যবস্থা নিদারুণ কষ্টের। গেল বছর ডিসেম্বর মাসে নদীর তলদেশ দিয়ে নুনেরটেক চরাঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে। এর আলোর ঝলক আঁধার রাতে মাঝ নদী থেকে মনে হয় হাজার তারার মেলা। তখন সত্যিই দারুণ লাগে। ওই গ্রামের দক্ষিণে আরেকটি প্রকাণ্ড চর জেগেছে। এর মায়াময় পরিবেশ পর্যটদের মন কেড়েছে। কবি, সাহিত্যিক, দার্শনিক, সাংবাদিক, জ্ঞানী-গুণী, দেশি-বিদেশি পর্যটকের পদধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে এলাকাটি। বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের ধারণা-এখানে পর্যটনশিল্পের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

মেঘনা নদীতে জেলেরা রুপালি ইলিশ মাছ ধরছে। পাশাপাশি এ চরাঞ্চলে কিষান-কিষানিরা রবিশস্য আবাদ করছে। আবার ফলনও তুলছে। মাঝি-মাল্লারা বাইছে নাও। কাছের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দ্বীপ এলাকার এ দৃশ্যকাব্য বুকে ধারণ করছে। এই মায়া জড়ানো দ্বীপটি যদি পর্যটন কেন্দ্র করা যেত, তাহলে অল্প খরচে বারদী, আনন্দবাজার ও বৈদ্যেরবাজার খেয়াঘাট থেকে পর্যটকদের ভ্রমণ করা অনেকটাই সহজ হতো।

এক সময় ঢাকা থেকে সোনারগাঁয়ে যাতায়াত খুবই কষ্টকর ছিল। তবে বর্তমানে ভ্রমণপিপাসু মানুষজনকে এখানকার বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে বেড়াতে তেমন একটা কষ্ট পোহাতে হয় না। তাই বালুমহাল হিসাবে ইজারা না দিয়ে বিচ্ছিন্ন মায়াদ্বীপকে পর্যটনশিল্প রূপে গড়ে তুলে জাতীয় অর্থনৈতিক আয়ের উৎস বৃদ্ধি করা যেতে পারে বলে মনে করছি।

সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ

পর্যটন কেন্দ্র হতে পারে মেঘনার মায়াদ্বীপ

 মোহাম্মদ মহসীন 
১০ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেঘনা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল নুনেরটেক। এখানে জনবসতিও অনেক। এ চরাঞ্চলে গড়ে উঠেছে; স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, বাজার ও স্যাটেলাইট ক্লিনিক। এতকিছু থাকার পরও এপার-ওপার যাতায়াত ব্যবস্থা নিদারুণ কষ্টের। গেল বছর ডিসেম্বর মাসে নদীর তলদেশ দিয়ে নুনেরটেক চরাঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে। এর আলোর ঝলক আঁধার রাতে মাঝ নদী থেকে মনে হয় হাজার তারার মেলা। তখন সত্যিই দারুণ লাগে। ওই গ্রামের দক্ষিণে আরেকটি প্রকাণ্ড চর জেগেছে। এর মায়াময় পরিবেশ পর্যটদের মন কেড়েছে। কবি, সাহিত্যিক, দার্শনিক, সাংবাদিক, জ্ঞানী-গুণী, দেশি-বিদেশি পর্যটকের পদধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে এলাকাটি। বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের ধারণা-এখানে পর্যটনশিল্পের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

মেঘনা নদীতে জেলেরা রুপালি ইলিশ মাছ ধরছে। পাশাপাশি এ চরাঞ্চলে কিষান-কিষানিরা রবিশস্য আবাদ করছে। আবার ফলনও তুলছে। মাঝি-মাল্লারা বাইছে নাও। কাছের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দ্বীপ এলাকার এ দৃশ্যকাব্য বুকে ধারণ করছে। এই মায়া জড়ানো দ্বীপটি যদি পর্যটন কেন্দ্র করা যেত, তাহলে অল্প খরচে বারদী, আনন্দবাজার ও বৈদ্যেরবাজার খেয়াঘাট থেকে পর্যটকদের ভ্রমণ করা অনেকটাই সহজ হতো।

এক সময় ঢাকা থেকে সোনারগাঁয়ে যাতায়াত খুবই কষ্টকর ছিল। তবে বর্তমানে ভ্রমণপিপাসু মানুষজনকে এখানকার বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে বেড়াতে তেমন একটা কষ্ট পোহাতে হয় না। তাই বালুমহাল হিসাবে ইজারা না দিয়ে বিচ্ছিন্ন মায়াদ্বীপকে পর্যটনশিল্প রূপে গড়ে তুলে জাতীয় অর্থনৈতিক আয়ের উৎস বৃদ্ধি করা যেতে পারে বলে মনে করছি।

সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন