করোনাকালীন ও করোনা-পরবর্তী শিক্ষাব্যবস্থায় স্মার্ট এডুকেশন
jugantor
করোনাকালীন ও করোনা-পরবর্তী শিক্ষাব্যবস্থায় স্মার্ট এডুকেশন

  মো. ফয়সাল আহম্মেদ ফরাজী  

৩১ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ১২০ ন্যানোমিটার; অর্থাৎ কোভিড-১৯। সারা বিশ্বসহ বাংলাদেশ এই করোনা দুর্যোগে মহামারির একটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে গিয়ে আমাদের জীবন-জীবিকা, শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা সবকিছুই যেন এক ধরনের হুমকির মুখোমুখি হয়ে পড়েছে। সমস্যা কেবল বাংলাদেশের নয়, পৃথিবীজুড়েই সমস্যা তৈরি হয়েছে।

উন্নত বিশ্বে দূরশিক্ষণ (ডিসটেন্স লার্নিং) ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়ে আসছে আরও কয়েক বছর আগ থেকে। বাংলাদেশেও দূরশিক্ষণের স্বপ্ন দেখেছেন আইটি খাতে স্বনামধন্য ব্যক্তি ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা এবং ড্যাফোডিল ফ্যামিলির চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান। ড্যাফোডিলের সব প্রতিষ্ঠানকে স্মার্ট এডুকেশনের আওতায় এনে দূরশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং মনিটরিংয়ের জন্য ২০১৯ সালেই সম্পূর্ণ স্মার্ট এডুকেশন সিস্টেমের যাত্রা শুরু করেছিলেন; যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রতিষ্ঠানের পড়াশোনাসহ সব কার্যক্রম অনলাইনে স্মার্ট এডুকেশন সিস্টেমে পরিচালনা করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। অর্থাৎ পুরো শিক্ষা কার্যক্রমটিই একটি ভার্চুয়াল প্লাটফরমের মাধ্যমে পরিচালিত করা। শুরুতে চাঁদপুর ড্যাফোডিলের সব প্রতিষ্ঠান এতে অভ্যস্ত না হলেও ধীরে ধীরে এর আওতায় চলে আসে।

ভার্চুয়াল ক্লাসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গাইড শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভার্চুয়াল ক্লাসের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরি করে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে গুগল মিটের মাধ্যমে গত বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু করে।

শুরুর দিকে অনলাইন ক্লাস করতে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন জটিলতায় পড়তে হয়েছে। যেমন-স্মার্টফোন বা ডিভাইসগত সমস্যা ও পারদর্শিতা, ধীরগতির ইন্টারনেট সেবা, করোনার কারণে মানসিক দুশ্চিন্তা ও আর্থিক অসচ্ছলতা ছিল অন্যতম। কিন্তু এ কথা সত্য যে শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবন নিয়ে শঙ্কিত এবং তারা নিজেরাও বুঝতে পেরেছে, যেভাবে ছুটি বাড়ছে; শিক্ষার্থীদের মানসিক দুশ্চিন্তা দূর করে তাদের পড়াশোনায় যুক্ত রাখতে অনলাইন ক্লাসের বিকল্প নেই। তাই শিক্ষক এবং অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতায় ড্যাফোডিল ফ্যামিলির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনায় এবং অধ্যক্ষ মো. জামশেদুর রহমানের নিবিড় পর্যবেক্ষণের ফলে ড্যাফোডিল কলেজের অনলাইন ক্লাস খুব অল্প সময়েই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

সহকারী উপাধ্যক্ষ

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ, চাঁদপুর

করোনাকালীন ও করোনা-পরবর্তী শিক্ষাব্যবস্থায় স্মার্ট এডুকেশন

 মো. ফয়সাল আহম্মেদ ফরাজী 
৩১ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ১২০ ন্যানোমিটার; অর্থাৎ কোভিড-১৯। সারা বিশ্বসহ বাংলাদেশ এই করোনা দুর্যোগে মহামারির একটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে গিয়ে আমাদের জীবন-জীবিকা, শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা সবকিছুই যেন এক ধরনের হুমকির মুখোমুখি হয়ে পড়েছে। সমস্যা কেবল বাংলাদেশের নয়, পৃথিবীজুড়েই সমস্যা তৈরি হয়েছে।

উন্নত বিশ্বে দূরশিক্ষণ (ডিসটেন্স লার্নিং) ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়ে আসছে আরও কয়েক বছর আগ থেকে। বাংলাদেশেও দূরশিক্ষণের স্বপ্ন দেখেছেন আইটি খাতে স্বনামধন্য ব্যক্তি ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা এবং ড্যাফোডিল ফ্যামিলির চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান। ড্যাফোডিলের সব প্রতিষ্ঠানকে স্মার্ট এডুকেশনের আওতায় এনে দূরশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং মনিটরিংয়ের জন্য ২০১৯ সালেই সম্পূর্ণ স্মার্ট এডুকেশন সিস্টেমের যাত্রা শুরু করেছিলেন; যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রতিষ্ঠানের পড়াশোনাসহ সব কার্যক্রম অনলাইনে স্মার্ট এডুকেশন সিস্টেমে পরিচালনা করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। অর্থাৎ পুরো শিক্ষা কার্যক্রমটিই একটি ভার্চুয়াল প্লাটফরমের মাধ্যমে পরিচালিত করা। শুরুতে চাঁদপুর ড্যাফোডিলের সব প্রতিষ্ঠান এতে অভ্যস্ত না হলেও ধীরে ধীরে এর আওতায় চলে আসে।

ভার্চুয়াল ক্লাসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গাইড শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভার্চুয়াল ক্লাসের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরি করে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে গুগল মিটের মাধ্যমে গত বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু করে।

শুরুর দিকে অনলাইন ক্লাস করতে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন জটিলতায় পড়তে হয়েছে। যেমন-স্মার্টফোন বা ডিভাইসগত সমস্যা ও পারদর্শিতা, ধীরগতির ইন্টারনেট সেবা, করোনার কারণে মানসিক দুশ্চিন্তা ও আর্থিক অসচ্ছলতা ছিল অন্যতম। কিন্তু এ কথা সত্য যে শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবন নিয়ে শঙ্কিত এবং তারা নিজেরাও বুঝতে পেরেছে, যেভাবে ছুটি বাড়ছে; শিক্ষার্থীদের মানসিক দুশ্চিন্তা দূর করে তাদের পড়াশোনায় যুক্ত রাখতে অনলাইন ক্লাসের বিকল্প নেই। তাই শিক্ষক এবং অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতায় ড্যাফোডিল ফ্যামিলির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনায় এবং অধ্যক্ষ মো. জামশেদুর রহমানের নিবিড় পর্যবেক্ষণের ফলে ড্যাফোডিল কলেজের অনলাইন ক্লাস খুব অল্প সময়েই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

সহকারী উপাধ্যক্ষ

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ, চাঁদপুর

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন