ডিজিটাল প্রতারণা রোধে আরও কঠোর আইন দরকার
jugantor
ডিজিটাল প্রতারণা রোধে আরও কঠোর আইন দরকার

  মুহাম্মদ আবু হানিফ  

০৭ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বর্তমানে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ছোঁয়া শহর থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। পারস্পরিক যোগাযোগ, তথ্য সংগ্রহ, পরীক্ষার ফল, ভর্তি কার্যক্রম, চাকরির আবেদন, বিল পরিশোধ, কেনাকাটা, টিকিট বুকিং, ব্যাংকের আর্থিক লেনদেন ইত্যাদি এখন প্রযুক্তির সাহায্যে খুব সহজেই করা যাচ্ছে। তবে বর্তমান সময়ে এর অপব্যবহারও বেড়েছে। প্রতিদিন দেশের কোথাও না কোথাও ঘটছে ডিজিটাল প্রতারণার ঘটনা, যার শিকার হচ্ছে অনেকেই।

এ ডিজিটাল প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বেশ কিছু প্রতারক চক্র, যারা নিত্যনতুন কৌশলে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে। কখনো লটারির নামে আবার কখনো কাস্টমার কেয়ারের কর্মী সেজে মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কখনো ফেসবুক, ইমো হ্যাক করে তাদের বন্ধু আত্মীয়দের কাছ থেকে বিপদের অজুহাতে টাকা পাঠানোর অনুরোধ জানাচ্ছে। শিক্ষিত-অশিক্ষিত যে কোনো বয়সের নারী-পুরুষ এ ধরনের প্রতারণার শিকার হচ্ছে; যাদের মধ্যে খুব সামান্য অংশই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি এর অপব্যবহার ও ডিজিটাল প্রতারণা রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। মোবাইলে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত। অপরিচিত কেউ প্রলোভন দেখিয়ে টাকা কিংবা পিন নাম্বার চাইলে তা দেওয়া উচিত নয়। যার তার মোবাইলে ফেসবুক কিংবা ইমুতে লগইন না করাই ভালো। কারও মেসেজ দেখে তার কিংবা তার পরিবারের সঙ্গে কোনোরূপ যোগাযোগ না করে টাকা পাঠানো থেকে বিরত থাকা জরুরি। সেইসঙ্গে যাচাই-বাছাই করে তবেই অনলাইনে পণ্য ক্রয় করা উচিত। প্রতারণার শিকার হলে থানায় বিষয়টি জানানো দরকার। সর্বোপরি, সরকারেরও উচিত ডিজিটাল প্রতারণা রোধে আরও কঠোর হওয়া।

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম কলেজ

ডিজিটাল প্রতারণা রোধে আরও কঠোর আইন দরকার

 মুহাম্মদ আবু হানিফ 
০৭ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বর্তমানে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ছোঁয়া শহর থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। পারস্পরিক যোগাযোগ, তথ্য সংগ্রহ, পরীক্ষার ফল, ভর্তি কার্যক্রম, চাকরির আবেদন, বিল পরিশোধ, কেনাকাটা, টিকিট বুকিং, ব্যাংকের আর্থিক লেনদেন ইত্যাদি এখন প্রযুক্তির সাহায্যে খুব সহজেই করা যাচ্ছে। তবে বর্তমান সময়ে এর অপব্যবহারও বেড়েছে। প্রতিদিন দেশের কোথাও না কোথাও ঘটছে ডিজিটাল প্রতারণার ঘটনা, যার শিকার হচ্ছে অনেকেই।

এ ডিজিটাল প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বেশ কিছু প্রতারক চক্র, যারা নিত্যনতুন কৌশলে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে। কখনো লটারির নামে আবার কখনো কাস্টমার কেয়ারের কর্মী সেজে মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কখনো ফেসবুক, ইমো হ্যাক করে তাদের বন্ধু আত্মীয়দের কাছ থেকে বিপদের অজুহাতে টাকা পাঠানোর অনুরোধ জানাচ্ছে। শিক্ষিত-অশিক্ষিত যে কোনো বয়সের নারী-পুরুষ এ ধরনের প্রতারণার শিকার হচ্ছে; যাদের মধ্যে খুব সামান্য অংশই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি এর অপব্যবহার ও ডিজিটাল প্রতারণা রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। মোবাইলে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত। অপরিচিত কেউ প্রলোভন দেখিয়ে টাকা কিংবা পিন নাম্বার চাইলে তা দেওয়া উচিত নয়। যার তার মোবাইলে ফেসবুক কিংবা ইমুতে লগইন না করাই ভালো। কারও মেসেজ দেখে তার কিংবা তার পরিবারের সঙ্গে কোনোরূপ যোগাযোগ না করে টাকা পাঠানো থেকে বিরত থাকা জরুরি। সেইসঙ্গে যাচাই-বাছাই করে তবেই অনলাইনে পণ্য ক্রয় করা উচিত। প্রতারণার শিকার হলে থানায় বিষয়টি জানানো দরকার। সর্বোপরি, সরকারেরও উচিত ডিজিটাল প্রতারণা রোধে আরও কঠোর হওয়া।

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম কলেজ

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন