শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্যাতন রুখতে হবে
jugantor
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্যাতন রুখতে হবে

  আবু তালহা রায়হান  

০৭ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সুশিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। আর শিক্ষকরা হলেন সেই মেরুদণ্ড গড়ার কারিগর। একজন ছাত্রের ব্যক্তিগঠন থেকে শুরু করে সামগ্রিক পরিসরে তার জীবন চলার ক্ষেত্রে আদর্শ শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। একজন আদর্শ শিক্ষক একটি আদর্শ সমাজ গঠনের শক্তি বহন করেন। শিক্ষক ছাত্রের সম্পর্ক যত ভালো হবে, যত বেশি মধুর হবে, শিক্ষার মান ততই বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষার্থীরা তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে আরও উদ্বুদ্ধ হবে। কাজেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক হোক বন্ধুসুলভ।

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখলাম-হিফজখানার একজন শিক্ষক ছোট্ট একটি শিশু ছাত্রকে বেধড়ক পেটাচ্ছেন! ছাত্রটি চিৎকার দিয়ে হাউমাউ করে কাঁদছে; কিন্তু কেউ এগিয়ে আসছে না!

ভিডিওটি দেখামাত্রই মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি। আহ! কতটা অমানুষ হলে ছাত্রদের এভাবে পেটানো যায়-ভিডিওটি দেখে তাই মনে হলো। বাবা-মা শত কষ্টের মধ্যে হলেও তাদের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমের টাকা দিয়ে বাচ্চাদের স্কুল-মাদ্রাসায় ভর্তি করান। ‘সন্তান একদিন সুশিক্ষিত হবে, মানুষের মতো মানুষ হবে, তাদের সব স্বপ্ন বাস্তবের আলো দেখবে’-এমন সব স্বপ্ন বুকে লালন করেই ছোট ছোট বাচ্চাদের তারা নির্দ্বিধায় শিক্ষকের হাতে তুলে দেন। আর শিক্ষকরা যখন সামান্য ভুলের কারণে কিংবা কখনো আবার অন্যায়ভাবেও হিংস্র পশুর মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন, তখন বিবেকের কাছে হার মানে মনুষ্যত্ব আর মানবতা। লজ্জিত হয় পুরো শিক্ষকসমাজ। মাথা নিচু হয়ে যায় শিক্ষিত জাতির। তাই আসুন, সুন্দর ও সমৃদ্ধির দেশ গঠনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাশবিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই। নির্যাতনমুক্ত প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি।

কবি ও প্রাবন্ধিক

abutalharayhan62@gmail.com

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্যাতন রুখতে হবে

 আবু তালহা রায়হান 
০৭ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সুশিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। আর শিক্ষকরা হলেন সেই মেরুদণ্ড গড়ার কারিগর। একজন ছাত্রের ব্যক্তিগঠন থেকে শুরু করে সামগ্রিক পরিসরে তার জীবন চলার ক্ষেত্রে আদর্শ শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। একজন আদর্শ শিক্ষক একটি আদর্শ সমাজ গঠনের শক্তি বহন করেন। শিক্ষক ছাত্রের সম্পর্ক যত ভালো হবে, যত বেশি মধুর হবে, শিক্ষার মান ততই বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষার্থীরা তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে আরও উদ্বুদ্ধ হবে। কাজেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক হোক বন্ধুসুলভ।

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখলাম-হিফজখানার একজন শিক্ষক ছোট্ট একটি শিশু ছাত্রকে বেধড়ক পেটাচ্ছেন! ছাত্রটি চিৎকার দিয়ে হাউমাউ করে কাঁদছে; কিন্তু কেউ এগিয়ে আসছে না!

ভিডিওটি দেখামাত্রই মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি। আহ! কতটা অমানুষ হলে ছাত্রদের এভাবে পেটানো যায়-ভিডিওটি দেখে তাই মনে হলো। বাবা-মা শত কষ্টের মধ্যে হলেও তাদের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমের টাকা দিয়ে বাচ্চাদের স্কুল-মাদ্রাসায় ভর্তি করান। ‘সন্তান একদিন সুশিক্ষিত হবে, মানুষের মতো মানুষ হবে, তাদের সব স্বপ্ন বাস্তবের আলো দেখবে’-এমন সব স্বপ্ন বুকে লালন করেই ছোট ছোট বাচ্চাদের তারা নির্দ্বিধায় শিক্ষকের হাতে তুলে দেন। আর শিক্ষকরা যখন সামান্য ভুলের কারণে কিংবা কখনো আবার অন্যায়ভাবেও হিংস্র পশুর মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন, তখন বিবেকের কাছে হার মানে মনুষ্যত্ব আর মানবতা। লজ্জিত হয় পুরো শিক্ষকসমাজ। মাথা নিচু হয়ে যায় শিক্ষিত জাতির। তাই আসুন, সুন্দর ও সমৃদ্ধির দেশ গঠনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাশবিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই। নির্যাতনমুক্ত প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি।

কবি ও প্রাবন্ধিক

abutalharayhan62@gmail.com

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন