‘নদী ভাঙলে জমি খাস’ আইন বাতিল করা জরুরি
jugantor
‘নদী ভাঙলে জমি খাস’ আইন বাতিল করা জরুরি

  জহুরুল ইসলাম ঠাণ্ডু  

১৪ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘নদী ভাঙলে জমি খাস’ এ আইন প্রত্যাহার এবং জমির মালিকানা ও তাদের স্বত্বাধিকার ফেরতের একমাত্র দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে নদীভাঙন এলাকার মানুষ।

এ দাবির স্লোগান হচ্ছে-‘নদী ভাঙবে আমার জমি, আমার থাকবে, জমি কেন খাস হবে।’ উল্লেখ্য, প্রতি বছর ভাঙনে হাজার হাজার বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে নিঃস্ব হয় হাজারো মানুষ। তাদের হারাতে হয় ফসলি জমি ও ভিটেমাটি। নদী ভাঙনের ফলে বাড়ছে গৃহহীন ও ভূমিহীনের সংখ্যা; বাড়ছে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য।

সরকারি আইনে বলা আছে ‘নদী ভাঙলে জমি খাস’; তখন তাদের সামনে বেঁচে থাকার শেষ আশাটাও যেন তিরোহিত হয়। ইতোমধ্যে এ আইন বাতিল দাবিতে গঠন করা হয়েছে ‘নদী ভাঙলে জমি খাস’ আইন বাতিল সংগ্রাম কমিটি নামে একটি সংগঠন। চরাঞ্চলের নদীতীরের মানুষদের দাবি-পি,ও-১৩৫/৭২ আইন বাতিল করে ১৯৫০ সালের প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৬ ধারা চালু ও তার বাস্তবায়ন। পি,ও-১৩৫/৭২ আইনে জমি নদীগর্ভে বিলীন হলে প্রজাস্বত্ব থাকে না। জমি হয়ে যায় খাস।

নদীতে বিলীন হওয়া জমি জেগে উঠে চরে পরিণত হলেও জমির খাজনা, খারিজ ও ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে চর দখলের সুযোগ নেয় লাঠিয়াল বাহিনী।

কথায় আছে-লাঠি যার, জমি তার। এতে রক্তপাত ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তাই পি,ও-১৩৫/৭২ আইন বাতিলের লক্ষ্যে সংগ্রাম কমিটি সভা সমাবেশ, মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণ করে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। তাদের বিশ্বাস, প্রজাস্বত্ব আইন চালু হলে গৃহহীন ও ভূমিহীনের সংখ্যা কমে যাবে। কমবে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য। চরাঞ্চলের মানুষ হয়ে উঠবে স্বাবলম্বী।

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি, যুগান্তর

‘নদী ভাঙলে জমি খাস’ আইন বাতিল করা জরুরি

 জহুরুল ইসলাম ঠাণ্ডু 
১৪ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘নদী ভাঙলে জমি খাস’ এ আইন প্রত্যাহার এবং জমির মালিকানা ও তাদের স্বত্বাধিকার ফেরতের একমাত্র দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে নদীভাঙন এলাকার মানুষ।

এ দাবির স্লোগান হচ্ছে-‘নদী ভাঙবে আমার জমি, আমার থাকবে, জমি কেন খাস হবে।’ উল্লেখ্য, প্রতি বছর ভাঙনে হাজার হাজার বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে নিঃস্ব হয় হাজারো মানুষ। তাদের হারাতে হয় ফসলি জমি ও ভিটেমাটি। নদী ভাঙনের ফলে বাড়ছে গৃহহীন ও ভূমিহীনের সংখ্যা; বাড়ছে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য।

সরকারি আইনে বলা আছে ‘নদী ভাঙলে জমি খাস’; তখন তাদের সামনে বেঁচে থাকার শেষ আশাটাও যেন তিরোহিত হয়। ইতোমধ্যে এ আইন বাতিল দাবিতে গঠন করা হয়েছে ‘নদী ভাঙলে জমি খাস’ আইন বাতিল সংগ্রাম কমিটি নামে একটি সংগঠন। চরাঞ্চলের নদীতীরের মানুষদের দাবি-পি,ও-১৩৫/৭২ আইন বাতিল করে ১৯৫০ সালের প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৬ ধারা চালু ও তার বাস্তবায়ন। পি,ও-১৩৫/৭২ আইনে জমি নদীগর্ভে বিলীন হলে প্রজাস্বত্ব থাকে না। জমি হয়ে যায় খাস।

নদীতে বিলীন হওয়া জমি জেগে উঠে চরে পরিণত হলেও জমির খাজনা, খারিজ ও ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে চর দখলের সুযোগ নেয় লাঠিয়াল বাহিনী।

কথায় আছে-লাঠি যার, জমি তার। এতে রক্তপাত ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তাই পি,ও-১৩৫/৭২ আইন বাতিলের লক্ষ্যে সংগ্রাম কমিটি সভা সমাবেশ, মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণ করে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। তাদের বিশ্বাস, প্রজাস্বত্ব আইন চালু হলে গৃহহীন ও ভূমিহীনের সংখ্যা কমে যাবে। কমবে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য। চরাঞ্চলের মানুষ হয়ে উঠবে স্বাবলম্বী।

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি, যুগান্তর

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন