মাস্ক পরিহিত ছিনতাইকারী থেকে সাবধান
jugantor
মাস্ক পরিহিত ছিনতাইকারী থেকে সাবধান

  জুবায়ের আহমেদ  

০৯ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় বায়ুদূষণের বিরূপ প্রভাব প্রতিরোধসহ দুর্গন্ধমুক্ত থাকতে বহু সচেতন নাগরিক মাস্ক পরতেন নিয়মিতই। তবে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯-এর কারণে সতর্কতার জন্য মাস্ক পরাটা বাধ্যতামূলক হয়ে যায়।

মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে সরকার বিধিমালাও জারি করেছে। মাস্ক পরায় অনেকের অনীহা থাকলেও সচেতন নাগরিক মাত্রই ঘর থেকে বের হলেই মাস্ক পরিধান করছে। সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও জনকল্যাণমুখী সংগঠনগুলো মাস্ক পরার উপকার সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতন করছে।

তবে এ করোনাকালে রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় প্রায় সবাই মাস্ক পরিহিত থাকায় কে চোর, কে ছিনতাইকারী তা অনেক সময় বোঝা মুশকিল হয়ে যায়। অধিকাংশ চোর-ছিনতাইকারী পোশাকে-আশাকে কেতাদুরস্ত হয়ে থাকে; ফলে কেউ মাস্ক পরিহিত অবস্থায় তারা চুরি-ছিনতাইয়ের জন্য সুযোগ খুঁজছে কিনা, এ বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায় না।

রাজধানীর ব্যস্ত রাস্তাঘাট, শপিংমল, মসজিদ-মাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সর্বত্রই ছিনতাইকারীদের অবাধ বিচরণ। এ অবস্থায় জনমানবশূন্য রাস্তাঘাট পরিহার করার পাশাপাশি গণপরিবহণে যাত্রী হওয়ার পর মাস্ক পরিহিত পকেটমারদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে তারা ফোন, ম্যানিব্যাগসহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে চম্পট দিতে না পারে।

কোভিড-১৯ মহামারি থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া যাবে কী? এর উত্তর দেওয়া কঠিন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, করোনা আরও বহু বছর মানুষকে তটস্থ রাখবে এবং এটি এক সময় মৌসুমী রোগের মতো হয়ে যাবে।

ফলে বাসার বাইরে বের হলেই মাস্ক পরতে হবে। বছরাধিককাল ধরে নিয়মিত মাস্ক পরার কারণে আমাদের অভ্যাস ও আচরণে এটি এখন পোশাক পরার মতোই হয়ে গেছে। চোর-ছিনতাইকারীরাও এ সুযোগটা নেবে। তাই রাস্তাঘাটে চলাফেরাসহ অফিস-আদালতে অবস্থানের সময় মাস্ক পরিহিত অপরিচিত চোর-ছিনতাইকারীদের কবল থেকে রক্ষা পেতে সতর্ক থাকার কোনো বিকল্প নেই।

শিক্ষার্থী, ডিপ্লোমা ইন জার্নালিজম

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব জার্নালিজম অ্যান্ড ইলেকট্রনিক মিডিয়া (বিজেম)

মাস্ক পরিহিত ছিনতাইকারী থেকে সাবধান

 জুবায়ের আহমেদ 
০৯ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় বায়ুদূষণের বিরূপ প্রভাব প্রতিরোধসহ দুর্গন্ধমুক্ত থাকতে বহু সচেতন নাগরিক মাস্ক পরতেন নিয়মিতই। তবে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯-এর কারণে সতর্কতার জন্য মাস্ক পরাটা বাধ্যতামূলক হয়ে যায়।

মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে সরকার বিধিমালাও জারি করেছে। মাস্ক পরায় অনেকের অনীহা থাকলেও সচেতন নাগরিক মাত্রই ঘর থেকে বের হলেই মাস্ক পরিধান করছে। সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও জনকল্যাণমুখী সংগঠনগুলো মাস্ক পরার উপকার সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতন করছে।

তবে এ করোনাকালে রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় প্রায় সবাই মাস্ক পরিহিত থাকায় কে চোর, কে ছিনতাইকারী তা অনেক সময় বোঝা মুশকিল হয়ে যায়। অধিকাংশ চোর-ছিনতাইকারী পোশাকে-আশাকে কেতাদুরস্ত হয়ে থাকে; ফলে কেউ মাস্ক পরিহিত অবস্থায় তারা চুরি-ছিনতাইয়ের জন্য সুযোগ খুঁজছে কিনা, এ বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায় না।

রাজধানীর ব্যস্ত রাস্তাঘাট, শপিংমল, মসজিদ-মাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সর্বত্রই ছিনতাইকারীদের অবাধ বিচরণ। এ অবস্থায় জনমানবশূন্য রাস্তাঘাট পরিহার করার পাশাপাশি গণপরিবহণে যাত্রী হওয়ার পর মাস্ক পরিহিত পকেটমারদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে তারা ফোন, ম্যানিব্যাগসহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে চম্পট দিতে না পারে।

কোভিড-১৯ মহামারি থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া যাবে কী? এর উত্তর দেওয়া কঠিন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, করোনা আরও বহু বছর মানুষকে তটস্থ রাখবে এবং এটি এক সময় মৌসুমী রোগের মতো হয়ে যাবে।

ফলে বাসার বাইরে বের হলেই মাস্ক পরতে হবে। বছরাধিককাল ধরে নিয়মিত মাস্ক পরার কারণে আমাদের অভ্যাস ও আচরণে এটি এখন পোশাক পরার মতোই হয়ে গেছে। চোর-ছিনতাইকারীরাও এ সুযোগটা নেবে। তাই রাস্তাঘাটে চলাফেরাসহ অফিস-আদালতে অবস্থানের সময় মাস্ক পরিহিত অপরিচিত চোর-ছিনতাইকারীদের কবল থেকে রক্ষা পেতে সতর্ক থাকার কোনো বিকল্প নেই।

শিক্ষার্থী, ডিপ্লোমা ইন জার্নালিজম

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব জার্নালিজম অ্যান্ড ইলেকট্রনিক মিডিয়া (বিজেম)

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন