নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোই হোক মূল লক্ষ্য
jugantor
নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোই হোক মূল লক্ষ্য

  মো. আরিফুল ইসলাম  

১৬ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জীবের জীবনচক্র একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিটি জীবের গড় আয়ু থাকে। মানুষের ক্ষেত্রে গড়ে আয়ু হচ্ছে ৬০-৭০ বছর। এর পূর্বে কারও মৃত্যু হলে তাকে বলে অকাল মৃত্যু। বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা সময়ের সঙ্গে বাড়ছে। বেসরকারি সংগঠন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা)-এর হিসাবে ২০২০ সালে সর্বমোট ৪ হাজার ৯২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ৪ হাজার ৯৬৯ জন এবং আহত হয়েছেন ৫ হাজার ৮৫ জন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ১১টিরও বেশি এবং গড়ে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১৪ জনের; যার অধিকাংশ হচ্ছে অকাল মৃত্যু।

সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে অনেকে পঙ্গু জীবনযাপন করছে। পঙ্গুত্ব যে কত কষ্টের জীবন, সরাসরি তাদের না দেখলে, তাদের সঙ্গে কথা না বললে বোঝা যাবে না। সড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার সবচেয়ে বেশি। ট্রাকের সঙ্গে অন্য যানবাহনের দুর্ঘটনার সংখ্যাও অনেক। অন্যান্য যানবাহনে দুর্ঘটনার সংখ্যাও কম নয়। দুর্ঘটনার কারণগুলোর মধ্যে চালকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর প্রবণতা অন্যতম।

গাড়ি চালালোর ক্ষেত্রে চালকদের প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত-নিরাপদে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানো। গাড়ি চালানোর সময় আপনি সবসময় একই গতিতে চালাতে পারবেন না। কখনো বাড়বে, কখনো কমবে। গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে লক্ষ রাখবেন-যে সর্বোচ্চ গতিতে আপনি গাড়ি চালাতে পারবেন, তার চাইতেও কম গতিতে গাড়ি চালানো উচিত। যেন গাড়ি সবসময় নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে। কেউ যদি আপনার আগে যেতে চায়, আপনি তাকে জায়গা দেবেন। তার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় যাবেন না। কারণ, আপনার একটু অসচেতনতা হতে পারে আপনার বা অন্যের মৃত্যু বা পঙ্গুত্বের কারণ। অকাল মৃত্যু পরিবারের কাছে সারাজীবনের কান্না। পঙ্গু হলে পরিবারের কাছে বোঝা ও আর্থিক ক্ষতির কারণ।

শিক্ষার্থী, ফার্মেসি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোই হোক মূল লক্ষ্য

 মো. আরিফুল ইসলাম 
১৬ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জীবের জীবনচক্র একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিটি জীবের গড় আয়ু থাকে। মানুষের ক্ষেত্রে গড়ে আয়ু হচ্ছে ৬০-৭০ বছর। এর পূর্বে কারও মৃত্যু হলে তাকে বলে অকাল মৃত্যু। বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা সময়ের সঙ্গে বাড়ছে। বেসরকারি সংগঠন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা)-এর হিসাবে ২০২০ সালে সর্বমোট ৪ হাজার ৯২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ৪ হাজার ৯৬৯ জন এবং আহত হয়েছেন ৫ হাজার ৮৫ জন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ১১টিরও বেশি এবং গড়ে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১৪ জনের; যার অধিকাংশ হচ্ছে অকাল মৃত্যু।

সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে অনেকে পঙ্গু জীবনযাপন করছে। পঙ্গুত্ব যে কত কষ্টের জীবন, সরাসরি তাদের না দেখলে, তাদের সঙ্গে কথা না বললে বোঝা যাবে না। সড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার সবচেয়ে বেশি। ট্রাকের সঙ্গে অন্য যানবাহনের দুর্ঘটনার সংখ্যাও অনেক। অন্যান্য যানবাহনে দুর্ঘটনার সংখ্যাও কম নয়। দুর্ঘটনার কারণগুলোর মধ্যে চালকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর প্রবণতা অন্যতম।

গাড়ি চালালোর ক্ষেত্রে চালকদের প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত-নিরাপদে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানো। গাড়ি চালানোর সময় আপনি সবসময় একই গতিতে চালাতে পারবেন না। কখনো বাড়বে, কখনো কমবে। গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে লক্ষ রাখবেন-যে সর্বোচ্চ গতিতে আপনি গাড়ি চালাতে পারবেন, তার চাইতেও কম গতিতে গাড়ি চালানো উচিত। যেন গাড়ি সবসময় নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে। কেউ যদি আপনার আগে যেতে চায়, আপনি তাকে জায়গা দেবেন। তার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় যাবেন না। কারণ, আপনার একটু অসচেতনতা হতে পারে আপনার বা অন্যের মৃত্যু বা পঙ্গুত্বের কারণ। অকাল মৃত্যু পরিবারের কাছে সারাজীবনের কান্না। পঙ্গু হলে পরিবারের কাছে বোঝা ও আর্থিক ক্ষতির কারণ।

শিক্ষার্থী, ফার্মেসি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন