রেমিট্যান্স যোদ্ধা নাবিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকা দিন
jugantor
রেমিট্যান্স যোদ্ধা নাবিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকা দিন

  মো. কামরুল হাসান খান  

০৭ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রতিবছর রেমিট্যান্স য়োদ্ধা মেরিনাররা জোগান দিচ্ছেন কমপক্ষে ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। একজন ক্যাপ্টেন কিংবা চিফ ইঞ্জিনিয়ার প্রতি মাসে দেশে পাঠান অন্তত ১২ হাজার ডলার। শিপিং সেক্টরের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ৯৫ শতাংশ পরিবহণ সম্পন্ন হচ্ছে; অথচ দুঃখের বিষয়, সেই নাবিকদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকা প্রদানের কোনো তৎপরতা আমরা লক্ষ করছি না।

নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব এবং নৌপরিবহণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে বারবার অবহিত করার পরও মেরিনারদের ভ্যাক্সিন বা টিকা প্রদানের বিষয়ে কোনোরকম অগ্রগতি না হওয়ায় দেশের প্রায় ১২ হাজার নাবিক হতাশ ও ব্যথিত।

দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পরও যথাযথ রাষ্ট্রীয় সুযোগ-মর্যাদা না পাওয়ায় আমরা গভীর হতাশা প্রকাশ করছি। মেরিনারদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে না পারলে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের মেরিনাররা চাকরি হারাবেন এবং এর ফলে সংকটকালীন মুহূর্তে বাংলাদেশ হারাবে বছরে অন্তত ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ইতোমধ্যে জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের প্রস্তাবে নাবিকদের কবুডড়ৎশবৎং হিসাবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকার সেই ঘোষণায় স্বাক্ষরও করেছে। এ পরিস্থিতিতে রেমিট্যান্স যোদ্ধা Frontline workers মেরিনারদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা প্রদান খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। জাতীয় স্বার্থে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

মেরিন ইঞ্জিনিয়ার, সাউথ এশিয়ান অ্যাম্বাসেডর; ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ফেডারেশন

রেমিট্যান্স যোদ্ধা নাবিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকা দিন

 মো. কামরুল হাসান খান 
০৭ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রতিবছর রেমিট্যান্স য়োদ্ধা মেরিনাররা জোগান দিচ্ছেন কমপক্ষে ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। একজন ক্যাপ্টেন কিংবা চিফ ইঞ্জিনিয়ার প্রতি মাসে দেশে পাঠান অন্তত ১২ হাজার ডলার। শিপিং সেক্টরের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ৯৫ শতাংশ পরিবহণ সম্পন্ন হচ্ছে; অথচ দুঃখের বিষয়, সেই নাবিকদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকা প্রদানের কোনো তৎপরতা আমরা লক্ষ করছি না।

নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব এবং নৌপরিবহণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে বারবার অবহিত করার পরও মেরিনারদের ভ্যাক্সিন বা টিকা প্রদানের বিষয়ে কোনোরকম অগ্রগতি না হওয়ায় দেশের প্রায় ১২ হাজার নাবিক হতাশ ও ব্যথিত।

দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পরও যথাযথ রাষ্ট্রীয় সুযোগ-মর্যাদা না পাওয়ায় আমরা গভীর হতাশা প্রকাশ করছি। মেরিনারদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে না পারলে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের মেরিনাররা চাকরি হারাবেন এবং এর ফলে সংকটকালীন মুহূর্তে বাংলাদেশ হারাবে বছরে অন্তত ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ইতোমধ্যে জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের প্রস্তাবে নাবিকদের কবুডড়ৎশবৎং হিসাবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকার সেই ঘোষণায় স্বাক্ষরও করেছে। এ পরিস্থিতিতে রেমিট্যান্স যোদ্ধা Frontline workers মেরিনারদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা প্রদান খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। জাতীয় স্বার্থে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

মেরিন ইঞ্জিনিয়ার, সাউথ এশিয়ান অ্যাম্বাসেডর; ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ফেডারেশন

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন