কমিউনিটি ক্লিনিকে নজর দেওয়া জরুরি
jugantor
কমিউনিটি ক্লিনিকে নজর দেওয়া জরুরি

  মাহমুদ নাঈম  

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পরিচর্যা করা হোক কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর। দেশের প্রায় প্রতিটি এলাকায় সরকার কমিউনিটি ক্লিনিক বাস্তবায়ন করেছে।

তবে এগুলোতে তেমন দক্ষ জনবল নেই; এমন কী অনেক কমিউনিটি ক্লিনিকে সরকার প্রদত্ত বিনামূল্যের ওষুধগুলো রোগীদের দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে সঙ্গত কারণেই গ্রামের সাধারণ মানুষ কমিউনিটি ক্লিনিকে যেতে অনীহা বোধ করে। জ্বর, সর্দি কিংবা হালকা মাথাব্যথা হলে তারা ফার্মেসিতে চলে যায় ওষুধের জন্য।

বর্তমানে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর দশা প্রায় বন্ধ থাকার মতোই। সেখানে দায়িত্ব পালনরত ব্যক্তি ছাড়া রোগীর উপস্থিতি দেখা যায় না বললেই চলে। অপরদিকে বেলা শেষে আমরা যদি নজর দেই স্থানীয় ওষুধের দোকানগুলোর দিকে, তাহলে দেখব-সেখানে মানুষ ওষুধ কেনার জন্য লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে।

সমস্যা হলো, ওষুধের দোকানে যে কোনো সাধারণ রোগের প্রাথমিক অবস্থায়ই রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে রোগী সাময়িকভাবে সুস্থ হলেও পরে দেখা যায়, অ্যান্টিবায়োটিক শরীরের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এর ফলে দেখা যায়, এক সময় মামুলি কোনো অসুখ হলেও অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন পড়ে, যা পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোয় যদি দক্ষ চিকিৎসক রাখা হয় এবং গ্রামের সাধারণ মানুষকে কমিউনিটি ক্লিনিকে যেতে উদ্বুদ্ধ করা হয়, তাহলে তারা সুচিকিৎসা পাবে, এ কথা নিশ্চিত। এর ফলে নিরাময় কেন্দ্র হিসাবে প্রথম পছন্দ হিসাবে তারা বেছে নিবে কমিউনিটি ক্লিনিক। তাই দ্রুত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোয় দক্ষ জনবল নিশ্চিতের পাশাপাশি স্থানীয় ওষুধের দোকানে প্রেসক্রিপশনবিহীন ওষুধ বিক্রি বন্ধ করা হোক।

লেখক ও ছড়াকার, কিশোরগঞ্জ

mhamudnayem@gmail

কমিউনিটি ক্লিনিকে নজর দেওয়া জরুরি

 মাহমুদ নাঈম 
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পরিচর্যা করা হোক কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর। দেশের প্রায় প্রতিটি এলাকায় সরকার কমিউনিটি ক্লিনিক বাস্তবায়ন করেছে।

তবে এগুলোতে তেমন দক্ষ জনবল নেই; এমন কী অনেক কমিউনিটি ক্লিনিকে সরকার প্রদত্ত বিনামূল্যের ওষুধগুলো রোগীদের দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে সঙ্গত কারণেই গ্রামের সাধারণ মানুষ কমিউনিটি ক্লিনিকে যেতে অনীহা বোধ করে। জ্বর, সর্দি কিংবা হালকা মাথাব্যথা হলে তারা ফার্মেসিতে চলে যায় ওষুধের জন্য।

বর্তমানে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর দশা প্রায় বন্ধ থাকার মতোই। সেখানে দায়িত্ব পালনরত ব্যক্তি ছাড়া রোগীর উপস্থিতি দেখা যায় না বললেই চলে। অপরদিকে বেলা শেষে আমরা যদি নজর দেই স্থানীয় ওষুধের দোকানগুলোর দিকে, তাহলে দেখব-সেখানে মানুষ ওষুধ কেনার জন্য লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে।

সমস্যা হলো, ওষুধের দোকানে যে কোনো সাধারণ রোগের প্রাথমিক অবস্থায়ই রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে রোগী সাময়িকভাবে সুস্থ হলেও পরে দেখা যায়, অ্যান্টিবায়োটিক শরীরের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এর ফলে দেখা যায়, এক সময় মামুলি কোনো অসুখ হলেও অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন পড়ে, যা পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোয় যদি দক্ষ চিকিৎসক রাখা হয় এবং গ্রামের সাধারণ মানুষকে কমিউনিটি ক্লিনিকে যেতে উদ্বুদ্ধ করা হয়, তাহলে তারা সুচিকিৎসা পাবে, এ কথা নিশ্চিত। এর ফলে নিরাময় কেন্দ্র হিসাবে প্রথম পছন্দ হিসাবে তারা বেছে নিবে কমিউনিটি ক্লিনিক। তাই দ্রুত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোয় দক্ষ জনবল নিশ্চিতের পাশাপাশি স্থানীয় ওষুধের দোকানে প্রেসক্রিপশনবিহীন ওষুধ বিক্রি বন্ধ করা হোক।

লেখক ও ছড়াকার, কিশোরগঞ্জ

mhamudnayem@gmail

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন