বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ফুট ওভারব্রিজ প্রয়োজন
jugantor
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ফুট ওভারব্রিজ প্রয়োজন

  ফারহানা ইয়াসমিন  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কীর্তনখোলা নদীর পাড়ে দক্ষিণ বাংলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) অবস্থিত। কীর্তনখোলার বুকে মাথা উঁচু করে শহিদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সেতু (দপদপিয়া সেতু) দাঁড়িয়ে আছে। বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংলগ্ন এ সেতুর উপর গত ১৭ সেপ্টেম্বর বাসচাপায় তিন স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল, যা অত্যন্ত করুণ ও মর্মান্তিক। এমন ঘটনা এ সড়কে নতুন কিছু নয়। প্রায়ই এমন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হয় মানুষদের। অকালে প্রাণ হারায় অনেকে; কিন্তু দুঃখের বিষয়, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করার জন্য দপদপিয়া ব্রিজের উপর লাইটিং পদ্ধতি ও সুষ্ঠু ট্রাফিকিং ব্যবস্থা এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত হয়নি। কিছু লাইট আছে, তবে সেগুলোও অচল। আমরা সবাই জানি, ব্রিজের দুপাশে ঢালু হওয়ার কারণে পরিবহণগুলো যখন ব্রিজ থেকে নামে, তখন গতি পুরোপরি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের পাশে অবস্থিত; এজন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নানা প্রয়োজনে দিনে অনেকবারই রাস্তা পারাপার করতে হয়। অনেক সময় ব্যস্ততার কারণে তাড়াহুড়ো করে রাস্তা পারাপারের কারণে দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। এ পর্যন্ত অনেকেই রাস্তা পারাপারের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন। বরিশাল-পটুয়াখালী রুটে প্রতিদিন অন্তত ২৫০ থেকে ৩০০ বাস যাতায়াত করে। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটাতে যাওয়ার জন্য এ রুটে পরিবহণের চাপ বেশি। এ ছাড়াও অটোরিকশা, মাহিন্দ্র, রিকশা, মোটরসাইকেল এবং প্রাইভেট গাড়ি তো আছেই। তাই দপদপিয়া ব্রিজে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করতে অতি দ্রুত ট্রাফিকিং ব্যবস্থা, রোড লাইট, রোড স্পিড পারমিট প্লেকার্ড; সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ অতি জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

শিক্ষার্থী, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ফুট ওভারব্রিজ প্রয়োজন

 ফারহানা ইয়াসমিন 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কীর্তনখোলা নদীর পাড়ে দক্ষিণ বাংলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) অবস্থিত। কীর্তনখোলার বুকে মাথা উঁচু করে শহিদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সেতু (দপদপিয়া সেতু) দাঁড়িয়ে আছে। বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংলগ্ন এ সেতুর উপর গত ১৭ সেপ্টেম্বর বাসচাপায় তিন স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল, যা অত্যন্ত করুণ ও মর্মান্তিক। এমন ঘটনা এ সড়কে নতুন কিছু নয়। প্রায়ই এমন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হয় মানুষদের। অকালে প্রাণ হারায় অনেকে; কিন্তু দুঃখের বিষয়, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করার জন্য দপদপিয়া ব্রিজের উপর লাইটিং পদ্ধতি ও সুষ্ঠু ট্রাফিকিং ব্যবস্থা এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত হয়নি। কিছু লাইট আছে, তবে সেগুলোও অচল। আমরা সবাই জানি, ব্রিজের দুপাশে ঢালু হওয়ার কারণে পরিবহণগুলো যখন ব্রিজ থেকে নামে, তখন গতি পুরোপরি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের পাশে অবস্থিত; এজন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নানা প্রয়োজনে দিনে অনেকবারই রাস্তা পারাপার করতে হয়। অনেক সময় ব্যস্ততার কারণে তাড়াহুড়ো করে রাস্তা পারাপারের কারণে দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। এ পর্যন্ত অনেকেই রাস্তা পারাপারের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন। বরিশাল-পটুয়াখালী রুটে প্রতিদিন অন্তত ২৫০ থেকে ৩০০ বাস যাতায়াত করে। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটাতে যাওয়ার জন্য এ রুটে পরিবহণের চাপ বেশি। এ ছাড়াও অটোরিকশা, মাহিন্দ্র, রিকশা, মোটরসাইকেল এবং প্রাইভেট গাড়ি তো আছেই। তাই দপদপিয়া ব্রিজে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করতে অতি দ্রুত ট্রাফিকিং ব্যবস্থা, রোড লাইট, রোড স্পিড পারমিট প্লেকার্ড; সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ অতি জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

শিক্ষার্থী, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন