শিক্ষকদের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ হওয়া দরকার
jugantor
শিক্ষকদের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ হওয়া দরকার

  মো. জামিল বাসার  

১৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফলপ্রসূ শিক্ষা পেতে হলে শিক্ষকদের শূন্য পদগুলো জরুরি ভিত্তিতে পূরণ করা দরকার। কোভিড-১৯ এর কারণে দীর্ঘদিন সব ধরনের বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। এ সময়কালে শিক্ষা খাতে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে কয়েক লাখ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে যে শিশুটি এখন প্রথম শ্রেণিতে পড়ে, সেই শিশুটি প্রাক-প্রাথমিকে মাত্র আড়াই মাস ক্লাস পেয়েছে। সঠিকভাবে তাদের বর্ণ পরিচিতিই ঘটেনি; অথচ এখন তাদের ১ম শ্রেণির পাঠ্যবই অনুযায়ী ছোট ছোট বাক্য গঠন করতে হচ্ছে।

বিদ্যালয় খুলে গেলেও ১ম ও ২য় শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে ১ দিন, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির ক্লাস দুই দিন করা হয়েছে। এদিকে শিক্ষাবর্ষ শেষের দিকে। এ অবস্থায় ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষণ ঘাটতি কিছুটা হলেও পূরণ করতে বাড়তি পরিচর্যার দরকার ছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক বিদ্যালয়ে এক থেকে তিনটি করে শূন্য পদ আছে; আবার কয়েক হাজার বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকবিহীন ভারপ্রাপ্ত দিয়েই যুগের পর যুগ পার করছে। সহকারী এবং প্রধান শিক্ষক মিলে প্রায় ৪০-৪৫ হাজার শূন্য পদ নিয়েই চলছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো। এ রকম শিক্ষক সংকট নিয়ে রুটিনমাফিক পাঠদানই যেখানে ব্যাহত হচ্ছে, সেখানে বাড়তি পরিচর্যা কী করে হবে?

শিক্ষকদের মধ্য থেকে প্রতিদিনই অনেক শিক্ষক অবসরে চলে যাচ্ছেন; কিন্তু সেসব শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। ২০১৮ সালের শূন্য পদ ধরে সার্কুলার হওয়ার পর প্রায় ৪ বছর নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। করোনাকালীন এ শিখন ঘাটতি কিছুটা হলেও পূরণ করতে শিক্ষক সংকটের অবসান হওয়া প্রয়োজন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ঊর্র্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি অনুরোধ জানাচ্ছি-দ্রুত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের শূন্য পদগুলো পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ নিন।

সহকারী শিক্ষক, বওলা সপ্রাবি

ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল

শিক্ষকদের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ হওয়া দরকার

 মো. জামিল বাসার 
১৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফলপ্রসূ শিক্ষা পেতে হলে শিক্ষকদের শূন্য পদগুলো জরুরি ভিত্তিতে পূরণ করা দরকার। কোভিড-১৯ এর কারণে দীর্ঘদিন সব ধরনের বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। এ সময়কালে শিক্ষা খাতে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে কয়েক লাখ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে যে শিশুটি এখন প্রথম শ্রেণিতে পড়ে, সেই শিশুটি প্রাক-প্রাথমিকে মাত্র আড়াই মাস ক্লাস পেয়েছে। সঠিকভাবে তাদের বর্ণ পরিচিতিই ঘটেনি; অথচ এখন তাদের ১ম শ্রেণির পাঠ্যবই অনুযায়ী ছোট ছোট বাক্য গঠন করতে হচ্ছে।

বিদ্যালয় খুলে গেলেও ১ম ও ২য় শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে ১ দিন, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির ক্লাস দুই দিন করা হয়েছে। এদিকে শিক্ষাবর্ষ শেষের দিকে। এ অবস্থায় ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষণ ঘাটতি কিছুটা হলেও পূরণ করতে বাড়তি পরিচর্যার দরকার ছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক বিদ্যালয়ে এক থেকে তিনটি করে শূন্য পদ আছে; আবার কয়েক হাজার বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকবিহীন ভারপ্রাপ্ত দিয়েই যুগের পর যুগ পার করছে। সহকারী এবং প্রধান শিক্ষক মিলে প্রায় ৪০-৪৫ হাজার শূন্য পদ নিয়েই চলছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো। এ রকম শিক্ষক সংকট নিয়ে রুটিনমাফিক পাঠদানই যেখানে ব্যাহত হচ্ছে, সেখানে বাড়তি পরিচর্যা কী করে হবে?

শিক্ষকদের মধ্য থেকে প্রতিদিনই অনেক শিক্ষক অবসরে চলে যাচ্ছেন; কিন্তু সেসব শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। ২০১৮ সালের শূন্য পদ ধরে সার্কুলার হওয়ার পর প্রায় ৪ বছর নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। করোনাকালীন এ শিখন ঘাটতি কিছুটা হলেও পূরণ করতে শিক্ষক সংকটের অবসান হওয়া প্রয়োজন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ঊর্র্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি অনুরোধ জানাচ্ছি-দ্রুত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের শূন্য পদগুলো পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ নিন।

সহকারী শিক্ষক, বওলা সপ্রাবি

ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন